ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবায়নের চিত্র

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১২ , অনলাইন ভার্সন
এবারের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে প্রার্থী নন। তবে তিনি সমর্থকদের বলেছিলেন, ভোট দেওয়ার সময় তারা যেন ধরে নেয় যে তিনিই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি এবং ক্ষমতায় আসার পর তার প্রশাসনের কর্মকাণ্ডের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেছে রায়টার্স।

অর্থনীতি
প্রতিশ্রুতি: ভোক্তাপর্যায়ে পণ্যের দাম কমানো, অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং শুল্ক আরোপের মাধ্যমে বছরে এক ট্রিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি দূর করা।
বাস্তবতা: আমদানি পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ এবং ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির ব্যয় বেড়ে পণ্যের দাম আরও বেড়েছে। অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে প্রতি গ্যালন জ্বালানির গড় দাম ছিল ৪ ডলার ৩০ সেন্ট। সেপ্টেম্বরে ডিজেলের দাম রেকর্ড ৬ ডলার ৫৩ সেন্টে পৌঁছায়। যুদ্ধ শুরুর আগে ফেব্রুয়ারিতে প্রতি গ্যালন জ্বালানির দাম ছিল ২ ডলার ৮৫ সেন্ট পর্যন্ত।

অভিবাসন
প্রতিশ্রুতি: অভিবাসনের ওপর ব্যাপক নতুন বিধিনিষেধ আরোপ এবং অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অভিযান পরিচালনা।
বাস্তবতা: প্রশাসন ডেমোক্র্যাট-শাসিত বিভিন্ন শহরে ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যদের মোতায়েন করেছে এবং ব্যাপক অভিবাসনবিরোধী অভিযান চালিয়েছে। এসব অভিযানে কেন্দ্রীয় অভিবাসন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের আগমন কমেছে এবং ইতোমধ্যে কয়েক লাখ অভিবাসীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিশ্বশান্তি
প্রতিশ্রুতি: ট্রাম্প নিজেকে ‘শান্তির প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করেছিলেন। গাজা ও ইউক্রেইনের সংঘাত দ্রুত সমাধানের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। দায়িত্ব নেওয়ার ‘প্রথম দিনেই’ ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান করার কথা বলেছিলেন তিনি।

বাস্তবতা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেছে। এতে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই ইরান ও লেবাননের বাসিন্দা।

গাজায় ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তির ফলে প্রথম দিকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং ২০২৩ সালে ইসরায়েলে হামাসের হামলার সময় ধরে নিয়ে যাওয়া অবশিষ্ট জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত হয়।

তবে পরিকল্পনাটি এখন স্থবির হয়ে পড়েছে। ইসরায়েল প্রায় প্রতিদিনই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং গাজার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা দখলে রেখেছে।
এ ছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেইন যুদ্ধ বন্ধে কোনো শান্তিচুক্তি করতেও ব্যর্থ হয়েছেন ট্রাম্প।

সরকারি সংস্কার
প্রতিশ্রুতি: কেন্দ্রীয় সরকারের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো, সরকারি ব্যয় সঙ্কুচিত করা এবং প্রশাসনকে আরও দক্ষ করে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এ উদ্যোগের নেতৃত্ব দিতে ধনকুবের ইলন মাস্ককে দায়িত্ব দিয়েছিলেন তিনি।
বাস্তবতা: মাস্কের নেতৃত্বে ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি’ (ডজ) কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীসংখ্যা ব্যাপকভাবে কমানো, বিভিন্ন সংস্থা ভেঙে দেওয়া এবং বিদেশি সহায়তা কাটছাঁটের মত পদক্ষেপ নেয়।

ঠিকানা/এসআর
Thikana
M M Shahin, Chairman, Board of Editors, Thikana
Corporate Headquarter
THIKANA : 7409 37th Ave suite 403 Jackson Heights, NY 11372
Phone : 718-472-0700/2428, 718-729-6000
Fax: + 1(866) 805-8806
Bangladesh Bureau
THIKANA : 70/B, Green Road, (Panthapath), 5th Floor, Dhaka, BD.
E-Mail : [email protected]
For Advertisement : [email protected]