ইউক্রেনের দিনিপ্রো শহরের একটি ব্যস্ত রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে বৃহস্পতিবার রাশিয়ার ড্রোন হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই ঘটনাকে ‘ভয়াবহ হামলা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং কিয়েভের মিত্রদের কাছ থেকে কঠোর জবাবের দাবি জানিয়েছেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।
এমন এক সময়ে এই হামলাটি চালানো হলো যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত ওলেশকি শহরে ইউক্রেন ও রাশিয়া একটি ভঙ্গুর স্থানীয় যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার চেষ্টা করছে। ২০২২ সাল থেকে শহরটি রাশিয়ার দখলে রয়েছে এবং এর বাসিন্দারা মাসের পর মাস খাদ্য, পানি ও ওষুধের চরম সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন।
উভয় দেশই ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতিটি তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। ইউক্রেনের মানবাধিকার বিষয়ক ন্যায়পাল দিমিত্রো লুবিনেটস ঘোষণা করেছেন, তিনি বেলারুশ ও রাশিয়া হয়ে একটি ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদল নিয়ে ওলেশকির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন।
প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানিয়েছেন, দিনিপ্রো ট্রেন স্টেশনের যে প্ল্যাটফর্মে হামলাটি চালানো হয়, সেখানে একটি নিয়মিত লোকাল ট্রেন এবং একটি দূরপাল্লার যাত্রীবাহী ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল।
বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের গভর্নর ওলেক্সান্দর গানঝা জানান, এই হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে পৌঁছেছে। তিনি আরও জানান, হামলায় আরও ১৪ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মারাত্মকভাবে স্প্লিন্টারের আঘাতে আহতদের মধ্যে ১১ বছরের এক শিশু এবং দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া এক পুরুষ রয়েছেন।
এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জেলেনস্কি একে ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা দেন এবং জোর দিয়ে বলেন, ‘যতদিন রাশিয়ার এই যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে, ততদিন মস্কো এবং তার যুদ্ধযন্ত্রের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা যাবে না।’
ইউক্রেনীয় জরুরি পরিষেবা প্রকাশিত ছবিগুলোতে প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে থাকা মৃতদেহ, ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে উদ্ধারকর্মীদের প্রচেষ্টা এবং জানালার কাঁচ ভাঙা দুটি পুড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী ট্রেন দেখা গেছে।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এবং ওলেশকির মতো স্থানীয় যুদ্ধবিরতির চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত ও স্থায়ী কিছু প্রয়োজন বলে জোর দিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম 'এক্স'-এ ম্যাক্রোঁ লেখেন, ‘এটি একেবারেই বরদাশত করার মতো নয় যে, রাশিয়া সব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে চলেছে এবং তার পরিবর্তে সংঘাত বাড়ানো ও বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর পথ বেছে নিচ্ছে।’
ঠিকানা/এএস
এমন এক সময়ে এই হামলাটি চালানো হলো যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত ওলেশকি শহরে ইউক্রেন ও রাশিয়া একটি ভঙ্গুর স্থানীয় যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার চেষ্টা করছে। ২০২২ সাল থেকে শহরটি রাশিয়ার দখলে রয়েছে এবং এর বাসিন্দারা মাসের পর মাস খাদ্য, পানি ও ওষুধের চরম সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন।
উভয় দেশই ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতিটি তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। ইউক্রেনের মানবাধিকার বিষয়ক ন্যায়পাল দিমিত্রো লুবিনেটস ঘোষণা করেছেন, তিনি বেলারুশ ও রাশিয়া হয়ে একটি ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদল নিয়ে ওলেশকির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন।
প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানিয়েছেন, দিনিপ্রো ট্রেন স্টেশনের যে প্ল্যাটফর্মে হামলাটি চালানো হয়, সেখানে একটি নিয়মিত লোকাল ট্রেন এবং একটি দূরপাল্লার যাত্রীবাহী ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল।
বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের গভর্নর ওলেক্সান্দর গানঝা জানান, এই হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে পৌঁছেছে। তিনি আরও জানান, হামলায় আরও ১৪ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মারাত্মকভাবে স্প্লিন্টারের আঘাতে আহতদের মধ্যে ১১ বছরের এক শিশু এবং দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া এক পুরুষ রয়েছেন।
এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জেলেনস্কি একে ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা দেন এবং জোর দিয়ে বলেন, ‘যতদিন রাশিয়ার এই যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে, ততদিন মস্কো এবং তার যুদ্ধযন্ত্রের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা যাবে না।’
ইউক্রেনীয় জরুরি পরিষেবা প্রকাশিত ছবিগুলোতে প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে থাকা মৃতদেহ, ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে উদ্ধারকর্মীদের প্রচেষ্টা এবং জানালার কাঁচ ভাঙা দুটি পুড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী ট্রেন দেখা গেছে।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এই হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এবং ওলেশকির মতো স্থানীয় যুদ্ধবিরতির চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত ও স্থায়ী কিছু প্রয়োজন বলে জোর দিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম 'এক্স'-এ ম্যাক্রোঁ লেখেন, ‘এটি একেবারেই বরদাশত করার মতো নয় যে, রাশিয়া সব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে চলেছে এবং তার পরিবর্তে সংঘাত বাড়ানো ও বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর পথ বেছে নিচ্ছে।’
ঠিকানা/এএস