শুনানি পিছিয়ে ১৭ ডিসেম্বর

সোসাইটির নির্বাচন স্থগিত কার লাভ কার ক্ষতি

প্রকাশ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:০৮ , অনলাইন ভার্সন
 সব প্রস্তুতি শেষ। পাঁচটি ভোটকেন্দ্রে ৩৫ হাজারের বেশি ভোটারের অংশগ্রহণে ২৫ অক্টোবর রোববার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ সোসাইটির বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন। দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেলের প্রচার-প্রচারণাও ছিল শেষ পর্যায়ে। কিন্তু ভোটের মাত্র দুই দিন আগে আদালতের নির্দেশে স্থগিত হয়ে যায় নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠনটির নির্বাচন।
বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তা ওসমান এ চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান এবং তাঁকে সভাপতি পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গত ২৩ অক্টোবর শুক্রবার কুইন্স কাউন্টি সুপ্রিম কোর্ট এ সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেন। আদালত একই সঙ্গে তাঁর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যানসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর না করা এবং নির্বাচনসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার পরবর্তী শুনানি প্রথমে ৫ নভেম্বর নির্ধারণ করা হলেও তা পিছিয়ে ১৭ ডিসেম্বর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাদী ওসমান চৌধুরী। ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তিনি ঠিকানাকে বলেন, তাঁর আইনজীবী আদালতে সময় বাড়ানোর আবেদন জানালে আদালত তা গ্রহণ করেন।
সময় বাড়ানোর আবেদন কেন করা হয়েছে, জানতে চাইলে ওসমান চৌধুরী বলেন, ৫ নভেম্বর অভিযোগের স্বপক্ষে কিছু কাগজপত্র আদালতে উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে। এসব কাগজপত্র প্রস্তুত করতে সময় প্রয়োজন হওয়ায় সময় বাড়ানোর আবেদন জানানো হয়।
এদিকে, শেষ মুহূর্তে নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় বাংলাদেশ সোসাইটির আনুমানিক ৫০ থেকে ৭০ হাজার ডলার আর্থিক ক্ষতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম। অন্যদিকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের প্রচারণায় ব্যয় করা অর্থ, শ্রম ও সময়ও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হবে, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে সংশয়।
আদালতে দাখিল করা আবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তা ওসমান চৌধুরী এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী ছিলেন। সে উদ্দেশ্যে তিনি সাধারণ সদস্যপদের আবেদন ও নির্ধারিত ২০ ডলার ফি জমা দেন। তাঁর দাবি, আবেদন গ্রহণ করে ২৬১৬০৭ নম্বর রসিদ দেওয়া হয় এবং অনলাইন ভোটার তালিকায় তাঁর নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু গত ২৮ আগস্ট সোসাইটির কার্যনির্বাহী কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে তাঁর সদস্যপদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে। সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর পাঠানো চিঠিতে সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চলমান মামলা এবং গঠনতন্ত্রের নবম অনুচ্ছেদের ৬ নম্বর ধারাকে এ সিদ্ধান্তের ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
ওসমান চৌধুরীর অভিযোগ, অতীতে সোসাইটির বিভিন্ন নির্বাচনী ও সাংগঠনিক অনিয়মের বিরুদ্ধে আদালতের আশ্রয় নেওয়ার কারণেই তাঁর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্তকে প্রতিশোধমূলক দাবি করে তিনি সদস্যপদ পুনর্বহাল এবং সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ চেয়েছেন।
মামলার আগে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য সোসাইটি কর্তৃপক্ষকে চিঠি ও নোটিশ দিয়েছিলেন বলেও দাবি করেছেন ওসমান চৌধুরী। তবে তাঁর দাবি ও শর্তগুলো নিয়ে আলোচনা হলেও সমঝোতা হয়নি বলে সোসাইটিসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। 
মামলায় ওসমান চৌধুরী সদস্যপদ প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্তের পাশাপাশি সোসাইটির গঠনতন্ত্রের সংশ্লিষ্ট ধারার বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁর দাবি, এ বিধান সদস্যদের আইনি প্রতিকার চাওয়ার অধিকার সীমিত করে এবং নিউইয়র্কের প্রচলিত আইন ও জননীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
গত ২৩ অক্টোবর শুক্রবার কুইন্স কাউন্টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক চেরি এ বাগস তিন পৃষ্ঠার ‘অর্ডার টু শো কজ উইথ টেম্পোরারি রেস্ট্রেইনিং অর্ডার’-এ স্বাক্ষর করেন। মামলার নম্বর ৭৩২১৭৪/২০২৬।
মামলায় বাংলাদেশ সোসাইটি ইনকরপোরেটেড ছাড়াও সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসেরকে বিবাদী করা হয়েছে।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবরের নির্ধারিত নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র খোলা, ভোটগ্রহণ, ভোট গণনা এবং ফলাফল ঘোষণা বা অনুমোদন করা যাবে না। একই সঙ্গে ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যানসংক্রান্ত ২৮ আগস্টের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা থেকে সোসাইটিকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
এ ছাড়া সদস্যপদের আবেদনপত্র, চাঁদা পরিশোধের হিসাব, মূল ভোটার তালিকা, নির্বাচনী ব্যালটসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তবে এ আদেশ মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি নয়। আদালত এখনো ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ প্রত্যাখ্যানের সিদ্ধান্ত বাতিল করেননি, তাঁকে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশও দেননি। বিতর্কিত গঠনতান্ত্রিক ধারাটিকেও অবৈধ ঘোষণা করা হয়নি।
মূল আদেশে আগামী ৫ নভেম্বর সকাল ১০টায় কুইন্স সুপ্রিম কোর্টের পার্ট ২৩, কক্ষ ১৪০-এ মামলার পরবর্তী শুনানির কথা বলা হয়েছিল। তবে ওসমান চৌধুরীর দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শুনানি এখন ১৭ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম দাবি করেন, বর্তমান কমিটি ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ বাতিল করেনি। তাঁর সদস্যপদ ২০০৮ সাল থেকেই বাতিল রয়েছে। তিনি বলেন, ‘ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ আমরা বাতিল করিনি। তাঁর সদস্যপদ ২০০৮ সাল থেকে বাতিল রয়েছে। তাঁকে আমরা সদস্যপদ দিইনি।’
অনলাইন ভোটার তালিকায় নাম থাকার বিষয়ে ওসমান চৌধুরীর দাবিও প্রত্যাখ্যান করেন সেলিম। তাঁর বক্তব্য, অন্য একটি গ্রুপের মাধ্যমে ওই নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। সোসাইটির সভাপতি জানান, সংগঠনের বিরুদ্ধে মামলা করায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ বাতিল হয়েছে। এ কারণে পরবর্তী কোনো কমিটি তাঁর সদস্যপদ ফিরিয়ে দেয়নি।
সেলিম বলেন, সোসাইটির নিয়ম ভঙ্গ করায় ওসমান চৌধুরীর সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। তবে আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য তাঁরা অপেক্ষা করবেন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও যুক্তি উপস্থাপন করবেন।
নির্বাচন কবে হতে পারে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুনানি হলেই নির্বাচন আয়োজন করা যাবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। মামলার পরবর্তী প্রক্রিয়া ও আদালতের নির্দেশের ওপরই নির্বাচনের সময় নির্ভর করবে।
নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় বাংলাদেশ সোসাইটির উল্লেখযোগ্য আর্থিক ক্ষতি হবে বলে জানিয়েছেন সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচনের জন্য ভাড়া নেওয়া হলগুলোর অর্থ ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। এ ছাড়া ভোটার তালিকা, নথিপত্র প্রস্তুতসহ বিভিন্ন খাতে ইতিমধ্যে অর্থ ব্যয় হয়েছে। তবে ভোটিং মেশিন ও নিরাপত্তাব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো পরবর্তী নির্বাচনে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
সেলিম বলেন, ক্ষতির সঠিক হিসাব এখনই দেওয়া সম্ভব নয়। তবে তাঁর ধারণা, নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় ৫০ থেকে ৭০ হাজার ডলার পর্যন্ত ব্যয় অনাদায়ী থেকে যেতে পারে।
নির্বাচনে অংশ নিতে নিউইয়র্কের বাইরে থেকেও অনেকে এসেছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, অর্থ ও সময় ব্যয় করে আসার পরও তাঁরা ভোট দিতে পারেননি।
নির্বাচন স্থগিত হওয়ার পর কমিউনিটিতে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে এর আর্থিক ও সাংগঠনিক প্রভাব। বিশেষ করে বর্তমান কমিটি কত দিন দায়িত্বে থাকবে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নতুন করে নির্বাচনী প্রস্তুতি নিতে হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির তারিখ পিছিয়ে যাওয়ায় এ অনিশ্চয়তাও দীর্ঘায়িত হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে বর্তমান সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে ‘সেলিম-আলী’ প্যানেল এবং সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু ও ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বে ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিল।
দুই প্যানেলের ৪২ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ৪৩ জন প্রার্থী কার্যনির্বাহী পরিষদের ২১টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ নির্ধারিত ছিল ২০২৭ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত।
নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় উভয় প্যানেলের প্রার্থীদের প্রচারণায় ব্যয় করা অর্থ, শ্রম ও সময় আপাতত ফলহীন হয়ে পড়েছে। নির্বাচন আয়োজন দীর্ঘায়িত হলে নতুন করে প্রচার-প্রচারণা ও সাংগঠনিক প্রস্তুতির প্রয়োজন হতে পারে। তবে বর্তমান কমিটি দায়িত্বে থাকায় নির্বাচন বিলম্বিত হওয়ার প্রভাব দুই প্যানেলের ওপর একরকম নয়। নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত প্রচলিত নিয়ম ও প্রযোজ্য আইনি নির্দেশনা অনুযায়ী বর্তমান নেতৃত্বের দায়িত্ব পালনের প্রশ্নটি সামনে রয়েছে। অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেলকে নির্বাচনের নতুন তারিখ অনুযায়ী আবারও প্রস্তুতি নিতে হতে পারে।
নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় বর্তমান কমিটি সুবিধা পাচ্ছে—এমন আলোচনা প্রসঙ্গে আতাউর রহমান সেলিম বলেন, ‘অনেকেই মনে করছেন, নির্বাচন না হলে কমিটিরই ভালো, বেশি দিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে। আসলে এটি ঠিক নয়। আমরা চাই নির্বাচন যত দ্রুত সম্ভব হয়ে যাক।’
সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তায় পড়েছেন সাধারণ ভোটাররাও। ৩৫ হাজার ২১৫ জন নিবন্ধিত ভোটারের জন্য পাঁচটি কেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারিত না হওয়ায় তাঁদের অপেক্ষা বাড়ল।
বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ এবারই প্রথম নয়। ২০১৮ সালেও ভোটার তালিকা, সদস্যপদ ও নির্বাচনী নিয়ম নিয়ে বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল। সে সময়ও ওসমান চৌধুরী নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।
বর্তমান মামলায় তিনি অতীতের নির্বাচন ঘিরে অস্বাভাবিক মনোনয়ন ফি, যথাযথ আবেদন ছাড়াই সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা এবং অন্যের সদস্যপদের চাঁদা পরিশোধের মাধ্যমে ভোটার তালিকা প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলেছেন। ২০১৮ সালে এক রাতে প্রায় ২৭ হাজার কথিত ভুয়া সদস্য অন্তর্ভুক্তির অভিযোগও তাঁর আবেদনে রয়েছে। তবে এসব অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়েছে, এমন কোনো সিদ্ধান্ত বর্তমান সাময়িক আদেশে নেই।
২০১৮ সালের আইনি জটিলতায় নির্বাচন দীর্ঘদিন পিছিয়ে যাওয়ায় তৎকালীন কমিটির দায়িত্ব পালনের মেয়াদও বেড়েছিল। আট বছর পর আবারও নির্বাচনের ঠিক আগে আদালতের নিষেধাজ্ঞা আসায় সেই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আদালতের আদেশের পর ২৩ অক্টোবর রাতে বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসেরসহ সোসাইটির কর্মকর্তারা উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন। তবে নির্বাচন পুনরায় আয়োজনের কোনো নির্দিষ্ট সময় জানানো সম্ভব হয়নি।
বাদীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৭ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। শুনানিতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও নথিপত্র পর্যালোচনার পর আদালত পরবর্তী নির্দেশনা দিতে পারেন। নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে, সংশোধিত হবে নাকি প্রত্যাহার করা হবে, তা নির্ভর করবে আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর।
বাংলাদেশ সোসাইটির এবারের নির্বাচন ঘিরে দীর্ঘ প্রস্তুতি, বিপুল অর্থব্যয় এবং হাজারো ভোটারের প্রত্যাশা এখন আইনি অনিশ্চয়তার মধ্যে। সদস্যপদ নিয়ে বিরোধের নিষ্পত্তির পাশাপাশি সংগঠনটির নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় দীর্ঘদিনের মতবিরোধ নিরসনের প্রয়োজনীয়তাও নতুন করে সামনে এসেছে। একইসঙ্গে নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় কার লাভ হলো, আর কার ক্ষতি, কমিউনিটিতে এই আলোচনাও এখন জোরেশোরে চলছে। 
Thikana
M M Shahin, Chairman, Board of Editors, Thikana
Corporate Headquarter
THIKANA : 7409 37th Ave suite 403 Jackson Heights, NY 11372
Phone : 718-472-0700/2428, 718-729-6000
Fax: + 1(866) 805-8806
Bangladesh Bureau
THIKANA : 70/B, Green Road, (Panthapath), 5th Floor, Dhaka, BD.
E-Mail : [email protected]
For Advertisement : [email protected]