নিউইয়র্কে আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে সাধারণ নির্বাচন। গভর্নর, লেফটেন্যান্ট গভর্নর, অ্যাটর্নি জেনারেল, স্টেট কম্পট্রোলারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে প্রার্থী বেছে নেবেন ভোটাররা। একই সঙ্গে কংগ্রেসের প্রতিনিধি, স্টেট সিনেটর, অ্যাসেম্বলি সদস্য এবং বিভিন্ন বিচার বিভাগীয় পদেও ভোট হবে। ইতিমধ্যে ২৪ অক্টোবর থেকে আগাম ভোট শুরু হয়েছে। তবে আগাম ভোটে ভোটারদের সাড়া কম লক্ষ করা যাচ্ছে। প্রথম দিকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে উপস্থিতি তুলনামূলক কম। নির্বাচনের শেষ দিকে, বিশেষ করে সপ্তাহান্তে, ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়তে পারে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের নির্বাচন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, আগাম ভোট চলবে ১ নভেম্বর পর্যন্ত। নির্বাচনের দিন ৩ নভেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হবে। তবে আগাম ভোটের কেন্দ্র ও সময়সূচি কাউন্টিভেদে ভিন্ন হতে পারে। তাই ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে নির্ধারিত কেন্দ্র ও সময় যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের নির্বাচন বোর্ডের ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যাবে। নিউইয়র্ক সিটির ভোটাররা সিটি নির্বাচন বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবেন।
এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাগুলোর একটি গভর্নর পদে। বর্তমান গভর্নর ক্যাথি হোকুল পুনর্নির্বাচনের জন্য লড়ছেন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী ও নাসাউ কাউন্টির নির্বাহী ব্রুস ব্লেকম্যান। জীবনযাত্রার ব্যয়, কর, আবাসন, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য ইউটিলিটি বিল, শিশু পরিচর্যা, জননিরাপত্তা এবং অভিবাসন নীতি নির্বাচনী প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
হোকুলের প্রচারে সাশ্রয়ী শিশু পরিচর্যা, আবাসন নির্মাণ এবং পরিবারের ব্যয় কমানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। অন্যদিকে ব্লেকম্যান কর কমানো, ইউটিলিটি বিলের চাপ হ্রাস এবং অপরাধ দমনের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন। দুই প্রার্থীর নীতিগত অবস্থান ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।
অ্যাটর্নি জেনারেল পদেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী সারিথা কোমাতিরেড্ডি। জেমসের প্রচারে ভোক্তা অধিকার, আর্থিক প্রতারণা প্রতিরোধ, নাগরিক অধিকার এবং করপোরেট জবাবদিহির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। অন্যদিকে কোমাতিরেড্ডি জননিরাপত্তা, দোকানে চুরি, প্রতারণা ও অপরাধ দমনে অ্যাটর্নি জেনারেলের ভূমিকা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। অঙ্গরাজ্যের প্রধান আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল ভোক্তা সুরক্ষা, নাগরিক অধিকার রক্ষা এবং আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
স্টেট কম্পট্রোলার পদে বর্তমান কম্পট্রোলার টমাস পি. ডিনাপোলি এবং রিপাবলিকান প্রার্থী জোসেফ হার্নান্দেজের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। সরকারি অর্থের নিরীক্ষা, ব্যয়ের স্বচ্ছতা, আর্থিক জবাবদিহি এবং পেনশন তহবিল ব্যবস্থাপনা এ পদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ফলে নির্বাচনে এ পদেও ভোটারদের সিদ্ধান্ত অঙ্গরাজ্যের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় প্রভাব ফেলতে পারে।
গভর্নর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদ ছাড়াও বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় কংগ্রেস, স্টেট সিনেট ও অ্যাসেম্বলির সদস্য নির্বাচন করা হবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট এলাকায় বিচার বিভাগীয় পদেও ভোট হবে। নিউইয়র্ক সিটির ভোটারদের ব্যালটে বিভিন্ন স্থানীয় প্রস্তাব বা প্রশ্ন থাকতে পারে। এসব প্রস্তাবের বিষয়বস্তু ও সম্ভাব্য প্রভাব বুঝে ভোট দেওয়া জরুরি। সব ভোটারের ব্যালটে একই প্রার্থী বা প্রস্তাব থাকবে না; ঠিকানা ও নির্বাচনী জেলার ভিত্তিতে ব্যালট নির্ধারিত হবে।
আগাম ভোটের প্রথম কয়েক দিনের উপস্থিতি কম থাকলেও তা দিয়ে নির্বাচনে সামগ্রিক অংশগ্রহণ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। সপ্তাহান্তে ভোটারদের সুবিধামতো কেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ থাকায় অংশগ্রহণ বাড়তে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি কত হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
ভোটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সঠিক ভোটকেন্দ্র ও সময়সূচি আগেই জেনে নেওয়া এবং ব্যালটে থাকা প্রার্থী ও প্রস্তাব সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা। আগাম ভোটের কেন্দ্র নির্বাচনের দিনের কেন্দ্র থেকে আলাদা হতে পারে। তাই শুধু ঠিকানা জানা নয়, নির্দিষ্ট তারিখের জন্য নির্ধারিত কেন্দ্র যাচাই করাও জরুরি।
নিউইয়র্কের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ৩ নভেম্বরের নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আগাম ভোটের বাকি দিনগুলোতে অংশগ্রহণ বাড়ে কি না, এখন সেদিকেই নজর ভোটার ও প্রার্থীদের। শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়ই নির্ধারণ করবে কোন প্রার্থী দায়িত্ব পাবেন এবং নিউইয়র্কের নীতিনির্ধারণে কোন দিকটি অগ্রাধিকার পাবে।
নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের নির্বাচন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, আগাম ভোট চলবে ১ নভেম্বর পর্যন্ত। নির্বাচনের দিন ৩ নভেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ হবে। তবে আগাম ভোটের কেন্দ্র ও সময়সূচি কাউন্টিভেদে ভিন্ন হতে পারে। তাই ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে নির্ধারিত কেন্দ্র ও সময় যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের নির্বাচন বোর্ডের ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যাবে। নিউইয়র্ক সিটির ভোটাররা সিটি নির্বাচন বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবেন।
এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে আলোচিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাগুলোর একটি গভর্নর পদে। বর্তমান গভর্নর ক্যাথি হোকুল পুনর্নির্বাচনের জন্য লড়ছেন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী ও নাসাউ কাউন্টির নির্বাহী ব্রুস ব্লেকম্যান। জীবনযাত্রার ব্যয়, কর, আবাসন, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য ইউটিলিটি বিল, শিশু পরিচর্যা, জননিরাপত্তা এবং অভিবাসন নীতি নির্বাচনী প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
হোকুলের প্রচারে সাশ্রয়ী শিশু পরিচর্যা, আবাসন নির্মাণ এবং পরিবারের ব্যয় কমানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। অন্যদিকে ব্লেকম্যান কর কমানো, ইউটিলিটি বিলের চাপ হ্রাস এবং অপরাধ দমনের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন। দুই প্রার্থীর নীতিগত অবস্থান ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।
অ্যাটর্নি জেনারেল পদেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী সারিথা কোমাতিরেড্ডি। জেমসের প্রচারে ভোক্তা অধিকার, আর্থিক প্রতারণা প্রতিরোধ, নাগরিক অধিকার এবং করপোরেট জবাবদিহির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। অন্যদিকে কোমাতিরেড্ডি জননিরাপত্তা, দোকানে চুরি, প্রতারণা ও অপরাধ দমনে অ্যাটর্নি জেনারেলের ভূমিকা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। অঙ্গরাজ্যের প্রধান আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল ভোক্তা সুরক্ষা, নাগরিক অধিকার রক্ষা এবং আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
স্টেট কম্পট্রোলার পদে বর্তমান কম্পট্রোলার টমাস পি. ডিনাপোলি এবং রিপাবলিকান প্রার্থী জোসেফ হার্নান্দেজের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। সরকারি অর্থের নিরীক্ষা, ব্যয়ের স্বচ্ছতা, আর্থিক জবাবদিহি এবং পেনশন তহবিল ব্যবস্থাপনা এ পদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ফলে নির্বাচনে এ পদেও ভোটারদের সিদ্ধান্ত অঙ্গরাজ্যের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় প্রভাব ফেলতে পারে।
গভর্নর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদ ছাড়াও বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় কংগ্রেস, স্টেট সিনেট ও অ্যাসেম্বলির সদস্য নির্বাচন করা হবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট এলাকায় বিচার বিভাগীয় পদেও ভোট হবে। নিউইয়র্ক সিটির ভোটারদের ব্যালটে বিভিন্ন স্থানীয় প্রস্তাব বা প্রশ্ন থাকতে পারে। এসব প্রস্তাবের বিষয়বস্তু ও সম্ভাব্য প্রভাব বুঝে ভোট দেওয়া জরুরি। সব ভোটারের ব্যালটে একই প্রার্থী বা প্রস্তাব থাকবে না; ঠিকানা ও নির্বাচনী জেলার ভিত্তিতে ব্যালট নির্ধারিত হবে।
আগাম ভোটের প্রথম কয়েক দিনের উপস্থিতি কম থাকলেও তা দিয়ে নির্বাচনে সামগ্রিক অংশগ্রহণ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। সপ্তাহান্তে ভোটারদের সুবিধামতো কেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ থাকায় অংশগ্রহণ বাড়তে পারে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটার উপস্থিতি কত হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।
ভোটারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সঠিক ভোটকেন্দ্র ও সময়সূচি আগেই জেনে নেওয়া এবং ব্যালটে থাকা প্রার্থী ও প্রস্তাব সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা। আগাম ভোটের কেন্দ্র নির্বাচনের দিনের কেন্দ্র থেকে আলাদা হতে পারে। তাই শুধু ঠিকানা জানা নয়, নির্দিষ্ট তারিখের জন্য নির্ধারিত কেন্দ্র যাচাই করাও জরুরি।
নিউইয়র্কের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ৩ নভেম্বরের নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আগাম ভোটের বাকি দিনগুলোতে অংশগ্রহণ বাড়ে কি না, এখন সেদিকেই নজর ভোটার ও প্রার্থীদের। শেষ পর্যন্ত ভোটারদের রায়ই নির্ধারণ করবে কোন প্রার্থী দায়িত্ব পাবেন এবং নিউইয়র্কের নীতিনির্ধারণে কোন দিকটি অগ্রাধিকার পাবে।