নিউইয়র্ক সিটির আবাসন সংকট মোকাবিলা, সাশ্রয়ী বাসস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি এবং নগর পরিকল্পনাকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে সিটি প্ল্যানিং কমিশনে (সিপিসি) পাঁচজন অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়েছেন মেয়র জোহরান মামদানি। গত ২১ অক্টোবর ঘোষিত এ মনোনয়নে রয়েছেন কেনেথ নাকলস, অ্যান্থনি ক্রাউয়েল, মীনাক্ষী শ্রীনিবাসন, মার্গারেট আনাডু ও জুলি স্টেইন। তাঁদের মধ্যে নাকলস ও ক্রাউয়েল বর্তমানে কমিশনের সদস্য। তাঁদের পুনরায় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। অন্য তিনজন নতুন করে মনোনয়ন পেয়েছেন।
নগর পরিকল্পনা, আবাসন, ভূমি ব্যবহার, সরকারি প্রশাসন, বিনিয়োগ ও কমিউনিটি উন্নয়নে মনোনীত ব্যক্তিদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তবে তাঁদের নিয়োগ কার্যকর হতে নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের অনুমোদন প্রয়োজন।
নিউইয়র্ক সিটির ১৩ সদস্যের স্বাধীন সিটি প্ল্যানিং কমিশন নগর উন্নয়ন ও ভূমি ব্যবহার-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে ভূমিকা রাখে। কোথায় আবাসিক ভবন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ হবে, কোন এলাকায় কী ধরনের উন্নয়ন করা যাবে এবং কীভাবে উন্মুক্ত স্থান ও অবকাঠামোর উন্নয়ন ঘটবে—এসব বিষয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে আবাসন সরবরাহ বাড়ানো, সাশ্রয়ী বাসস্থান নির্মাণ এবং বিভিন্ন এলাকার পরিকল্পিত উন্নয়নে কমিশনের ভূমিকা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
মেয়র মামদানি বলেন, জোনিং ও ভূমি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিউইয়র্কবাসীর আবাসন ব্যয় এবং নগরীর ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। আবাসন সংকটের জরুরি পরিস্থিতি অনুধাবন করতে সক্ষম ব্যক্তিদের নিয়ে কমিশন গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। তাঁর প্রত্যাশা, মনোনীত ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এমন একটি নগরী গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যেখানে মানুষ মর্যাদার সঙ্গে বসবাসের পাশাপাশি সাশ্রয়ী আবাসন, উন্নত অবকাঠামো ও উন্মুক্ত স্থানের সুযোগ পাবেন।
মনোনীত পাঁচজনের মধ্যে কেনেথ নাকলস সরকারি প্রশাসন, আবাসন ও নগর উন্নয়নে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তিনি আপার ম্যানহাটন এমপাওয়ারমেন্ট জোন ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ১৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি সিটি প্ল্যানিং কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান।
অ্যান্থনি ক্রাউয়েল নিউইয়র্ক ল’ স্কুলের ডিন ও প্রেসিডেন্ট এবং আইন বিভাগের অধ্যাপক। রাজ্য ও স্থানীয় সরকার আইন এবং নাগরিক সম্পৃক্ততা বিষয়ে তাঁর বিশেষজ্ঞতা রয়েছে। ২০২২ সালে প্রথমবার কমিশনের সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন তিনি।
মীনাক্ষী শ্রীনিবাসনের নগর পরিকল্পনা, ভূমি ব্যবহার ও জোনিং বিষয়ে সরকারি প্রশাসনে ২৮ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি সিটির ল্যান্ডমার্কস প্রিজারভেশন কমিশনের চেয়ারম্যান এবং বোর্ড অব স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড আপিলসের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মার্গারেট আনাডু আবাসন ও অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ। তিনি ওয়ান উইভার প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। এর আগে গোল্ডম্যান স্যাকসে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিউইয়র্ক সিটি ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।
জুলি স্টেইন বর্তমানে ইউনিয়ন স্কয়ার পার্টনারশিপের নির্বাহী পরিচালক। তিনি ইউনিয়ন স্কয়ার ও ১৪তম স্ট্রিট এলাকার ব্যবসা, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা এবং কমিউনিটি উন্নয়নে কাজ করছেন। এর আগে নগরীর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও ব্যবসায়িক এলাকার উন্নয়ন-সংক্রান্ত উদ্যোগ এবং নিউইয়র্ক সিটি ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে মনোনয়নগুলোকে স্বাগত জানিয়েছে আবাসন ও নগর পরিকল্পনা-বিষয়ক কয়েকটি সংগঠন। ওপেন নিউইয়র্ক, নিউইয়র্ক হাউজিং কনফারেন্স, সিটিজেন্স হাউজিং অ্যান্ড প্ল্যানিং কাউন্সিল এবং রিজিওনাল প্ল্যান অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা মনোনীত ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতার প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, এ অভিজ্ঞতা সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণ, আবাসনের সরবরাহ বৃদ্ধি, গণপরিবহনকেন্দ্রিক উন্নয়ন এবং বসবাসযোগ্য পাড়া গড়ে তোলার পরিকল্পনায় সহায়ক হবে।
পাঁচজনের মনোনয়ন এখন সিটি কাউন্সিলের অনুমোদনের অপেক্ষায়। অনুমোদন পেলে তাঁরা নগরীর ভূমি ব্যবহার, আবাসন সরবরাহ ও পাড়াভিত্তিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখবেন। মামদানি প্রশাসনের আবাসন ব্যয় কমানো ও সাশ্রয়ী বাসস্থানের সুযোগ বাড়ানোর অগ্রাধিকারের সঙ্গে এ মনোনয়ন সরাসরি সম্পর্কিত। তবে মনোনয়নের ঘোষণায় নতুন আবাসন প্রকল্প বা নীতিগত পরিবর্তনের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি।
নগর পরিকল্পনা, আবাসন, ভূমি ব্যবহার, সরকারি প্রশাসন, বিনিয়োগ ও কমিউনিটি উন্নয়নে মনোনীত ব্যক্তিদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তবে তাঁদের নিয়োগ কার্যকর হতে নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের অনুমোদন প্রয়োজন।
নিউইয়র্ক সিটির ১৩ সদস্যের স্বাধীন সিটি প্ল্যানিং কমিশন নগর উন্নয়ন ও ভূমি ব্যবহার-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে ভূমিকা রাখে। কোথায় আবাসিক ভবন ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ হবে, কোন এলাকায় কী ধরনের উন্নয়ন করা যাবে এবং কীভাবে উন্মুক্ত স্থান ও অবকাঠামোর উন্নয়ন ঘটবে—এসব বিষয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে আবাসন সরবরাহ বাড়ানো, সাশ্রয়ী বাসস্থান নির্মাণ এবং বিভিন্ন এলাকার পরিকল্পিত উন্নয়নে কমিশনের ভূমিকা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
মেয়র মামদানি বলেন, জোনিং ও ভূমি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিউইয়র্কবাসীর আবাসন ব্যয় এবং নগরীর ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। আবাসন সংকটের জরুরি পরিস্থিতি অনুধাবন করতে সক্ষম ব্যক্তিদের নিয়ে কমিশন গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন। তাঁর প্রত্যাশা, মনোনীত ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এমন একটি নগরী গড়ে তোলা সম্ভব হবে, যেখানে মানুষ মর্যাদার সঙ্গে বসবাসের পাশাপাশি সাশ্রয়ী আবাসন, উন্নত অবকাঠামো ও উন্মুক্ত স্থানের সুযোগ পাবেন।
মনোনীত পাঁচজনের মধ্যে কেনেথ নাকলস সরকারি প্রশাসন, আবাসন ও নগর উন্নয়নে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তিনি আপার ম্যানহাটন এমপাওয়ারমেন্ট জোন ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে ১৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি সিটি প্ল্যানিং কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান।
অ্যান্থনি ক্রাউয়েল নিউইয়র্ক ল’ স্কুলের ডিন ও প্রেসিডেন্ট এবং আইন বিভাগের অধ্যাপক। রাজ্য ও স্থানীয় সরকার আইন এবং নাগরিক সম্পৃক্ততা বিষয়ে তাঁর বিশেষজ্ঞতা রয়েছে। ২০২২ সালে প্রথমবার কমিশনের সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন তিনি।
মীনাক্ষী শ্রীনিবাসনের নগর পরিকল্পনা, ভূমি ব্যবহার ও জোনিং বিষয়ে সরকারি প্রশাসনে ২৮ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি সিটির ল্যান্ডমার্কস প্রিজারভেশন কমিশনের চেয়ারম্যান এবং বোর্ড অব স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড আপিলসের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মার্গারেট আনাডু আবাসন ও অবকাঠামো উন্নয়নে অর্থায়ন এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ। তিনি ওয়ান উইভার প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। এর আগে গোল্ডম্যান স্যাকসে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিউইয়র্ক সিটি ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।
জুলি স্টেইন বর্তমানে ইউনিয়ন স্কয়ার পার্টনারশিপের নির্বাহী পরিচালক। তিনি ইউনিয়ন স্কয়ার ও ১৪তম স্ট্রিট এলাকার ব্যবসা, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা এবং কমিউনিটি উন্নয়নে কাজ করছেন। এর আগে নগরীর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও ব্যবসায়িক এলাকার উন্নয়ন-সংক্রান্ত উদ্যোগ এবং নিউইয়র্ক সিটি ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে মনোনয়নগুলোকে স্বাগত জানিয়েছে আবাসন ও নগর পরিকল্পনা-বিষয়ক কয়েকটি সংগঠন। ওপেন নিউইয়র্ক, নিউইয়র্ক হাউজিং কনফারেন্স, সিটিজেন্স হাউজিং অ্যান্ড প্ল্যানিং কাউন্সিল এবং রিজিওনাল প্ল্যান অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা মনোনীত ব্যক্তিদের অভিজ্ঞতার প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, এ অভিজ্ঞতা সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণ, আবাসনের সরবরাহ বৃদ্ধি, গণপরিবহনকেন্দ্রিক উন্নয়ন এবং বসবাসযোগ্য পাড়া গড়ে তোলার পরিকল্পনায় সহায়ক হবে।
পাঁচজনের মনোনয়ন এখন সিটি কাউন্সিলের অনুমোদনের অপেক্ষায়। অনুমোদন পেলে তাঁরা নগরীর ভূমি ব্যবহার, আবাসন সরবরাহ ও পাড়াভিত্তিক উন্নয়ন-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখবেন। মামদানি প্রশাসনের আবাসন ব্যয় কমানো ও সাশ্রয়ী বাসস্থানের সুযোগ বাড়ানোর অগ্রাধিকারের সঙ্গে এ মনোনয়ন সরাসরি সম্পর্কিত। তবে মনোনয়নের ঘোষণায় নতুন আবাসন প্রকল্প বা নীতিগত পরিবর্তনের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি।