নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন ধ্যান-ধারণার কথা সামনে আনা হচ্ছে এখন। আপিল বিভাগ যে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী ফিরিয়ে আনার রায় দিয়েছে, সেটা কি আর সামনে চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কার্যকর হচ্ছে না? এ প্রসঙ্গে ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশোতে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম বলছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কিন্তু বাতিল হচ্ছে না। তবে এই সরকারের প্রধান কে হবেন, তা আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করতে হবে। কারণ অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে বিচার বিভাগকে এই প্রক্রিয়ার বাইরে রাখাই ভালো হবে। এই অঙ্গন বিতর্কমুক্ত রাখাই ভালো হবে। তাই বিচার বিভাগকে দূরে রেখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান নির্ধারণের বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে, মন্তব্য করেন তিনি।
এই বিএনপি নেতা আরও বলেন, ‘সংস্কার প্রশ্নে বিএনপি সরকার পিছিয়ে যাবে না। শেখ হাসিনার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা আমাদের সবার জন্য শিক্ষা হয়ে রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ঘটনা আমাদের সবার মধ্যে অটো-সংস্কার করে দিয়ে গেছে।’
২৬ অক্টোবর সোমবারের এই টকশোতে অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন শেরপুর-১ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ। নিউইয়র্ক সময় বেলা ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ ইউটিউব চ্যানেলে। দেশের সমসাময়িক নানা বিষয়ে কথা বলেন দুই অতিথি।
শিশু নির্যাতনসহ মাদ্রাসা অঙ্গনে কিছু সমস্যা যে আছে, এ কথা স্বীকার করলেন জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ। তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও কওমি মাদ্রাসায় পড়েছি। সেখানে আমরা যেসব সমস্যা ফেস করেছি, সেই জায়গা থেকে চাই, এগুলোকে রেগুলেশনের আওতায় আনা হোক। মাদ্রাসার সমস্যাগুলোকে শুধু বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখে এগুলোকে সামাজিক সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, কওমি মাদ্রাসাগুলোকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির আওতায় আনা জরুরি। এগুলোর ক্ষেত্রে এমন একটি প্রশাসনিক কাঠামো থাকা দরকার, যার দায়িত্ব শুধু পরীক্ষা পরিচালনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। বর্তমানে বেফাক মূলত পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিষয় দেখভাল করে। মাদ্রাসাগুলোর কার্যক্রম তদারকির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে, মন্তব্য করেন জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ।
এদিকে পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ দাফনে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতা-কর্মীরা বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে চিকিৎসক ও তরুণ রাজনীতিক তাসনিম জারা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বিরোধী দলে থাকতেই নিজের বসতভিটায় কবর দিতে বাধা দিচ্ছেন, রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতা ওনাদের হাতে গেলে কী করবেন?’ এ বিষয়ে টকশোর অতিথি জামায়াত সংসদ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ঠিকানা টিভির প্রধান সম্পাদক খালেদ মুহিউদ্দীন। এর জবাবে হাফেজ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, পিরোজপুরে লাশের কবর হবে না—এ ধরনের বক্তব্য জামায়াতের প্রকৃত অবস্থান নয়। এটি মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক বক্তব্য, দাবি করেন তিনি।
সম্প্রতি বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে সেই পদ ছাড়তে হয়েছে। একইভাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়তে হয়েছে ইশরাক হোসেনকে। এসব ক্ষেত্রে অভিযোগ সত্যি হলে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার কেন আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে না, জানতে চাইলে বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, পুলিশ যদি মনে করে কোনো ব্যক্তি ফৌজদারি অপরাধ করেছেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে। জামায়াতও চাইলে মামলা করতে পারে।
‘তবে যেভাবে ছিনতাই হচ্ছে। বিভিন্ন অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের যে ভূমিকা দেখা যাচ্ছে। তাদের অতটা সক্রিয় মনে হচ্ছে না। এটা নিয়ে আমিও হতাশ’, বলেন শাহাদাত হোসেন সেলিম।
ঠিকানা/এনআই
এই বিএনপি নেতা আরও বলেন, ‘সংস্কার প্রশ্নে বিএনপি সরকার পিছিয়ে যাবে না। শেখ হাসিনার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা আমাদের সবার জন্য শিক্ষা হয়ে রয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ঘটনা আমাদের সবার মধ্যে অটো-সংস্কার করে দিয়ে গেছে।’
২৬ অক্টোবর সোমবারের এই টকশোতে অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন শেরপুর-১ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ। নিউইয়র্ক সময় বেলা ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ‘ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ ইউটিউব চ্যানেলে। দেশের সমসাময়িক নানা বিষয়ে কথা বলেন দুই অতিথি।
শিশু নির্যাতনসহ মাদ্রাসা অঙ্গনে কিছু সমস্যা যে আছে, এ কথা স্বীকার করলেন জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ। তিনি বলেন, ‘আমি নিজেও কওমি মাদ্রাসায় পড়েছি। সেখানে আমরা যেসব সমস্যা ফেস করেছি, সেই জায়গা থেকে চাই, এগুলোকে রেগুলেশনের আওতায় আনা হোক। মাদ্রাসার সমস্যাগুলোকে শুধু বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখে এগুলোকে সামাজিক সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, কওমি মাদ্রাসাগুলোকে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির আওতায় আনা জরুরি। এগুলোর ক্ষেত্রে এমন একটি প্রশাসনিক কাঠামো থাকা দরকার, যার দায়িত্ব শুধু পরীক্ষা পরিচালনায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। বর্তমানে বেফাক মূলত পাঠ্যক্রম ও পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিষয় দেখভাল করে। মাদ্রাসাগুলোর কার্যক্রম তদারকির জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে, মন্তব্য করেন জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ।
এদিকে পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মরদেহ দাফনে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতা-কর্মীরা বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ প্রসঙ্গে চিকিৎসক ও তরুণ রাজনীতিক তাসনিম জারা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বিরোধী দলে থাকতেই নিজের বসতভিটায় কবর দিতে বাধা দিচ্ছেন, রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতা ওনাদের হাতে গেলে কী করবেন?’ এ বিষয়ে টকশোর অতিথি জামায়াত সংসদ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ঠিকানা টিভির প্রধান সম্পাদক খালেদ মুহিউদ্দীন। এর জবাবে হাফেজ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, পিরোজপুরে লাশের কবর হবে না—এ ধরনের বক্তব্য জামায়াতের প্রকৃত অবস্থান নয়। এটি মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক বক্তব্য, দাবি করেন তিনি।
সম্প্রতি বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে সেই পদ ছাড়তে হয়েছে। একইভাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়তে হয়েছে ইশরাক হোসেনকে। এসব ক্ষেত্রে অভিযোগ সত্যি হলে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার কেন আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে না, জানতে চাইলে বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, পুলিশ যদি মনে করে কোনো ব্যক্তি ফৌজদারি অপরাধ করেছেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে। জামায়াতও চাইলে মামলা করতে পারে।
‘তবে যেভাবে ছিনতাই হচ্ছে। বিভিন্ন অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের যে ভূমিকা দেখা যাচ্ছে। তাদের অতটা সক্রিয় মনে হচ্ছে না। এটা নিয়ে আমিও হতাশ’, বলেন শাহাদাত হোসেন সেলিম।
ঠিকানা/এনআই