সড়কে অতিরিক্ত গতি কমাতে আরও ২ হাজার সরকারি গাড়িতে গতি নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি যুক্ত করবে নিউইয়র্ক সিটি। আগামী তিন বছরে এই সম্প্রসারণের মাধ্যমে সিটির মোট ৩ হাজার গাড়ি ‘ইন্টেলিজেন্ট স্পিড অ্যাসিস্ট্যান্স’ বা আইএসএ প্রযুক্তির আওতায় আসবে।
মেয়র জোহরান মামদানি এবং ডিপার্টমেন্ট অব সিটিওয়াইড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসেসের (ডিসিএএস) কমিশনার ইউমে কিতাসেই এ ঘোষণা দিয়েছেন। পথচারী, সাইকেল আরোহী ও গাড়িচালকদের নিরাপত্তা বাড়ানো এবং সিটির নিজস্ব গাড়িবহরে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো কমানো এই উদ্যোগের লক্ষ্য।
আইএসএ প্রযুক্তি যেভাবে কাজ করে, তা হলো—কোনো গাড়ি স্থানীয় গতিসীমা অথবা ডিসিএএস নির্ধারিত গতির সীমা অতিক্রম করলে প্রযুক্তিটি গাড়ির আরও গতি বাড়ানোর ক্ষমতা সীমিত করে দেয়।
কুইন্স থিয়েটারে আয়োজিত সিটির ১১তম বার্ষিক ভিশন জিরো ফ্লিট সেফটি ফোরামে এই সম্প্রসারণের ঘোষণা দেওয়া হয়। একই অনুষ্ঠানে ১০০টি স্কুলবাসে পরীক্ষামূলকভাবে পথচারীদের সতর্ক করার প্রযুক্তি যুক্ত করার কথাও জানানো হয়।
নিউইয়র্ক সিটি স্কুল বাস আমব্রেলা সার্ভিসেসের (এনওয়াইসিএসবিইউএস) সঙ্গে যৌথভাবে এই পরীক্ষা চালাবে ডিসিএএস। বাস মোড় নেওয়ার সময় আশপাশের মানুষকে সতর্ক করার ব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাই করা হবে এই পরীক্ষায়।
মেয়র মামদানি বলেন, সড়ক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সব নিউইয়র্কবাসীর কাছে যে উচ্চ মান প্রত্যাশা করা হয়, সিটির কর্মীদেরও তা মেনে চলতে হবে। সিটির নিজস্ব গাড়িবহর থেকেই সেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায় প্রশাসন।
ডিসিএএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে মাত্র ৫০টি গাড়ি নিয়ে আইএসএ কর্মসূচির পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এক হাজারের বেশি সিটি গাড়িতে এই প্রযুক্তি রয়েছে। প্রযুক্তিসংবলিত গাড়িগুলো সম্মিলিতভাবে এক কোটির বেশি মাইল চলেছে।
ডিসিএএস এবং যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন বিভাগের ভলপি ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সিস্টেমস সেন্টারের এক গবেষণায় দেখা গেছে, আইএসএযুক্ত গাড়িগুলোতে গতিসীমা লঙ্ঘন ৬৪ শতাংশ কমেছে। মহাসড়কসহ বেশি গতিতে চলাচলের সড়কগুলোতে তা কমেছে ৮২ শতাংশ।
নতুন এই সম্প্রসারণ মেয়রের ১০ বছর মেয়াদি সড়ক নিরাপত্তা পরিকল্পনা ‘ভিশন জিরো রিইম্যাজিনড’-এর অংশ। এটি ২০২৬ সালের জুলাইয়ে স্বাক্ষরিত নির্বাহী আদেশ ১৯-এর উদ্যোগকেও এগিয়ে নেবে।
ওই আদেশে জরুরি সেবার বাইরে ব্যবহৃত সিটির সব ট্রাকে পথচারীদের সতর্ক করার ব্যবস্থা যুক্ত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন কেনা অজরুরি সেবার গাড়ি ও ট্রাকে পথচারী সতর্কীকরণ ব্যবস্থা এবং আইএসএ প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ডিসিএএসের ফ্লিট অফিস অব রিয়েল টাইম ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ৩০ হাজারের বেশি সিটি গাড়ি ও স্কুলবাসের অবস্থান এবং গতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। আইএসএ পরিচালনায় প্রয়োজনীয় গতিসীমার মানচিত্র, ট্র্যাকিং ব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তিও তদারক করে এই দপ্তর।
সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। অতিরিক্ত গতির গাড়ির ধাক্কায় ছেলে স্যামিকে হারানো ‘ফ্যামিলিজ ফর সেফ স্ট্রিটস’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অ্যামি কোহেন বলেন, এ ধরনের প্রযুক্তি একই রকম মর্মান্তিক ঘটনা প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।
ঘোষিত সম্প্রসারণটি সিটির নিজস্ব গাড়ির জন্য প্রযোজ্য। পাশাপাশি বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালানো ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত গাড়িতেও এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক নিরাপত্তাকর্মী ও সিটি কাউন্সিল সদস্য লিংকন রেস্টলার।
ঠিকানা/এনআই
মেয়র জোহরান মামদানি এবং ডিপার্টমেন্ট অব সিটিওয়াইড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিসেসের (ডিসিএএস) কমিশনার ইউমে কিতাসেই এ ঘোষণা দিয়েছেন। পথচারী, সাইকেল আরোহী ও গাড়িচালকদের নিরাপত্তা বাড়ানো এবং সিটির নিজস্ব গাড়িবহরে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো কমানো এই উদ্যোগের লক্ষ্য।
আইএসএ প্রযুক্তি যেভাবে কাজ করে, তা হলো—কোনো গাড়ি স্থানীয় গতিসীমা অথবা ডিসিএএস নির্ধারিত গতির সীমা অতিক্রম করলে প্রযুক্তিটি গাড়ির আরও গতি বাড়ানোর ক্ষমতা সীমিত করে দেয়।
কুইন্স থিয়েটারে আয়োজিত সিটির ১১তম বার্ষিক ভিশন জিরো ফ্লিট সেফটি ফোরামে এই সম্প্রসারণের ঘোষণা দেওয়া হয়। একই অনুষ্ঠানে ১০০টি স্কুলবাসে পরীক্ষামূলকভাবে পথচারীদের সতর্ক করার প্রযুক্তি যুক্ত করার কথাও জানানো হয়।
নিউইয়র্ক সিটি স্কুল বাস আমব্রেলা সার্ভিসেসের (এনওয়াইসিএসবিইউএস) সঙ্গে যৌথভাবে এই পরীক্ষা চালাবে ডিসিএএস। বাস মোড় নেওয়ার সময় আশপাশের মানুষকে সতর্ক করার ব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাই করা হবে এই পরীক্ষায়।
মেয়র মামদানি বলেন, সড়ক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সব নিউইয়র্কবাসীর কাছে যে উচ্চ মান প্রত্যাশা করা হয়, সিটির কর্মীদেরও তা মেনে চলতে হবে। সিটির নিজস্ব গাড়িবহর থেকেই সেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায় প্রশাসন।
ডিসিএএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে মাত্র ৫০টি গাড়ি নিয়ে আইএসএ কর্মসূচির পরীক্ষামূলক যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এক হাজারের বেশি সিটি গাড়িতে এই প্রযুক্তি রয়েছে। প্রযুক্তিসংবলিত গাড়িগুলো সম্মিলিতভাবে এক কোটির বেশি মাইল চলেছে।
ডিসিএএস এবং যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন বিভাগের ভলপি ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সিস্টেমস সেন্টারের এক গবেষণায় দেখা গেছে, আইএসএযুক্ত গাড়িগুলোতে গতিসীমা লঙ্ঘন ৬৪ শতাংশ কমেছে। মহাসড়কসহ বেশি গতিতে চলাচলের সড়কগুলোতে তা কমেছে ৮২ শতাংশ।
নতুন এই সম্প্রসারণ মেয়রের ১০ বছর মেয়াদি সড়ক নিরাপত্তা পরিকল্পনা ‘ভিশন জিরো রিইম্যাজিনড’-এর অংশ। এটি ২০২৬ সালের জুলাইয়ে স্বাক্ষরিত নির্বাহী আদেশ ১৯-এর উদ্যোগকেও এগিয়ে নেবে।
ওই আদেশে জরুরি সেবার বাইরে ব্যবহৃত সিটির সব ট্রাকে পথচারীদের সতর্ক করার ব্যবস্থা যুক্ত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন কেনা অজরুরি সেবার গাড়ি ও ট্রাকে পথচারী সতর্কীকরণ ব্যবস্থা এবং আইএসএ প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ডিসিএএসের ফ্লিট অফিস অব রিয়েল টাইম ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে ৩০ হাজারের বেশি সিটি গাড়ি ও স্কুলবাসের অবস্থান এবং গতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। আইএসএ পরিচালনায় প্রয়োজনীয় গতিসীমার মানচিত্র, ট্র্যাকিং ব্যবস্থা ও নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তিও তদারক করে এই দপ্তর।
সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। অতিরিক্ত গতির গাড়ির ধাক্কায় ছেলে স্যামিকে হারানো ‘ফ্যামিলিজ ফর সেফ স্ট্রিটস’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অ্যামি কোহেন বলেন, এ ধরনের প্রযুক্তি একই রকম মর্মান্তিক ঘটনা প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।
ঘোষিত সম্প্রসারণটি সিটির নিজস্ব গাড়ির জন্য প্রযোজ্য। পাশাপাশি বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালানো ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত গাড়িতেও এ ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক নিরাপত্তাকর্মী ও সিটি কাউন্সিল সদস্য লিংকন রেস্টলার।
ঠিকানা/এনআই