জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে ট্রাকচালক মো. হোসেনকে গুলি করে হত্যা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছে আদালত।
আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক রবিউল আলম আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।
একই সঙ্গে আগামী ২৫ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসেন।
অপর আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, সাবেক কাউন্সিলর আসিফ আহম্মেদ ও তারেকুজ্জামান রাজিব, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ বজলুর রহমান, নুর মোহাম্মদ সেন্টু, তোফায়েল সিদ্দিক ওরফে তুহিন, রহমান মিয়া ওরফে এ কে এম অহিদুর রহমান, পলাশ, ওলিউর রহমান, খলিলুর রহমান, ইমন, এস এম রিয়াজুল হক তামিম, মাসুদুর রহমান বিপ্লব, আব্দুস সাত্তার ভূইয়া ওরফে এম এ সাত্তার, পারভেজ ওরফে গোলডেন পারভেজ, সুমন মিয়া ওরফে কাইল্লা সুমন, মিলন হোসেন, সোহেল ওরফে ভূইয়া সোহেল ওরফে বুনিয়া সোহেল, সলিম উল্লাহ সলু, ইরফান, মুহাম্মদ বদিউল আলম ওরফে বদিউজ্জামান, ফুরকান হোসেন, শাহজাহান খান, সাজ্জাদ হোসেন, ফারুক হোসেন অভি ও নাইমুল হাসান রাসেল।
এদিন মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। কারাগারে থাকা সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খানসহ নয়জনকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা দুই আসামি আদালতে হাজিরা দেন।
কারাগারে ও জামিনে থাকা ১১ আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী, ফারজানা ইয়াসমিন রাখি, গাজী ফয়সাল ইসলামসহ কয়েকজন আইনজীবী মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন।
শুনানিতে তারা দাবি করেন, এই মামলায় তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। ন্যায়বিচারের স্বার্থে তারা অব্যাহতি প্রার্থনা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনিসুর রহমান অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন।
উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। এ সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচারের আর্জি জানান।
জামিনে থাকা আসামি বদিউল আলম আদালতে উপস্থিত হননি। আদালত তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এ ছাড়া শেখ হাসিনাসহ ২২ আসামি পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে আইনজীবীরা শুনানি করতে পারেননি।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরে হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। আহত হন সাজ্জাদ ও শাহিন নামে দুই ব্যক্তি।
হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় তার মা মোসাম্মৎ রীনা বেগম ২০২৪ সালের ৩১ অগাস্ট শেখ হাসিনাসহ ১৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত করে শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনকে আসামি করে গত বছরের ২৩ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. আকরামুজ্জামান।
ঠিকানা/এসআর
আজ সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক রবিউল আলম আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।
একই সঙ্গে আগামী ২৫ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসেন।
অপর আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, সাবেক কাউন্সিলর আসিফ আহম্মেদ ও তারেকুজ্জামান রাজিব, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ বজলুর রহমান, নুর মোহাম্মদ সেন্টু, তোফায়েল সিদ্দিক ওরফে তুহিন, রহমান মিয়া ওরফে এ কে এম অহিদুর রহমান, পলাশ, ওলিউর রহমান, খলিলুর রহমান, ইমন, এস এম রিয়াজুল হক তামিম, মাসুদুর রহমান বিপ্লব, আব্দুস সাত্তার ভূইয়া ওরফে এম এ সাত্তার, পারভেজ ওরফে গোলডেন পারভেজ, সুমন মিয়া ওরফে কাইল্লা সুমন, মিলন হোসেন, সোহেল ওরফে ভূইয়া সোহেল ওরফে বুনিয়া সোহেল, সলিম উল্লাহ সলু, ইরফান, মুহাম্মদ বদিউল আলম ওরফে বদিউজ্জামান, ফুরকান হোসেন, শাহজাহান খান, সাজ্জাদ হোসেন, ফারুক হোসেন অভি ও নাইমুল হাসান রাসেল।
এদিন মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য ছিল। কারাগারে থাকা সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খানসহ নয়জনকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা দুই আসামি আদালতে হাজিরা দেন।
কারাগারে ও জামিনে থাকা ১১ আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী, ফারজানা ইয়াসমিন রাখি, গাজী ফয়সাল ইসলামসহ কয়েকজন আইনজীবী মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন।
শুনানিতে তারা দাবি করেন, এই মামলায় তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। ন্যায়বিচারের স্বার্থে তারা অব্যাহতি প্রার্থনা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনিসুর রহমান অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন।
উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। এ সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচারের আর্জি জানান।
জামিনে থাকা আসামি বদিউল আলম আদালতে উপস্থিত হননি। আদালত তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এ ছাড়া শেখ হাসিনাসহ ২২ আসামি পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে আইনজীবীরা শুনানি করতে পারেননি।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরে হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। আহত হন সাজ্জাদ ও শাহিন নামে দুই ব্যক্তি।
হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় তার মা মোসাম্মৎ রীনা বেগম ২০২৪ সালের ৩১ অগাস্ট শেখ হাসিনাসহ ১৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত করে শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনকে আসামি করে গত বছরের ২৩ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. আকরামুজ্জামান।
ঠিকানা/এসআর