নিজের মৃত্যু ঘটলে তার জন্য ইউএনও দায়ী হবেন বলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার এসিল্যান্ড আরিফুর রহমান। তবে ইউএনও শিল্পী রানী মোদক বলছেন, তার ‘মানসিক সমস্যা’ রয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাতে ফেসবুকে ওই পোস্ট দেন এসিল্যান্ড। এরপর অনেকেই ছুটে যান তার বাসায়। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জানা গেছে, এসিল্যান্ড আরিফুর রহমান প্রায় দুই মাস হয় জামালগঞ্জে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে উপজেলা সদরে বসবাস করতেন।
জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিল্পী রানী মোদক জানান, গতকাল শুক্রবার তার তিন বছর বয়সী মেয়ের জন্মদিন ছিল। রাতে স্ত্রীসহ এসিল্যান্ড তার বাসায় জন্মদিনের কেক কাটার আয়োজনে ছিলেন। বাসা থেকে বের হয়েই তিনি ফেসবুকে পোস্ট দেন।
পরে পুলিশসহ অনেকেই এসিল্যান্ডের বাসায় যান। বাসায় গিয়ে দেখা যায়, তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করছেন। তখন উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকও আসেন। তাকে ওষুধ দেওয়ার পরও তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন। তখন তার স্ত্রীই সিদ্ধান্ত নেন সিলেটে নিয়ে যাওয়ার জন্য। এখন তাকে পরিবারোর লোকজন ঢাকায় নিয়ে গেছেন।
এর আগে ফেসবুকে পৃথক পোস্টে এসিল্যান্ড লিখেন, ‘আমার মৃত্যুর জন্য শিল্পী রানী মোদক (ইউএনও) দায়ী থাকবে’ ও ‘আই রিজাইন ফ্রম এডমিন ক্যাডার'।
তবে ওই রাতে এসিল্যান্ড একজন আনসার সদস্যকে মারধর করেন বলে ইউএনও অভিযোগ করেন। তার মেয়েকে মেরে ফেলার হুমকিও দেন। এসিল্যান্ড রাস্তায় যাকেই পেয়েছেন তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন বলেও জানান ইউএনও।
এ প্রসঙ্গে জামালগঞ্জ থানার ওসি বন্দে আলী মিয়া জানান, তিনি ফেসবুকে পোস্টটি দেখে এসিল্যান্ডের বাসায় যান। এরপর ওনার স্ত্রীর কথামতো একটা ঘুমের ওষুধ এনে খাওয়ানো হয়। কিন্তু এটির পাওয়ার কম থাকায় কাজ হচ্ছিল না। এরপর একটি ইনজেকশনের কথা জানালে সেটি পাওয়া যায়নি। এরপর রাত একটার দিকে তাকে সিলেটে পাঠানো হয়।
ইউএনও শিল্পী রানী মোদক বলেন, আমি নিজেও কিছু বুঝতে পারছি না। ফেসবুক পোস্টে কেন আমার নাম লেখা হয়ে়ছে, সেই প্রশ্ন আমারও।
ঠিকানা/এনআই
গতকাল শুক্রবার রাতে ফেসবুকে ওই পোস্ট দেন এসিল্যান্ড। এরপর অনেকেই ছুটে যান তার বাসায়। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জানা গেছে, এসিল্যান্ড আরিফুর রহমান প্রায় দুই মাস হয় জামালগঞ্জে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি স্ত্রীকে নিয়ে উপজেলা সদরে বসবাস করতেন।
জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিল্পী রানী মোদক জানান, গতকাল শুক্রবার তার তিন বছর বয়সী মেয়ের জন্মদিন ছিল। রাতে স্ত্রীসহ এসিল্যান্ড তার বাসায় জন্মদিনের কেক কাটার আয়োজনে ছিলেন। বাসা থেকে বের হয়েই তিনি ফেসবুকে পোস্ট দেন।
পরে পুলিশসহ অনেকেই এসিল্যান্ডের বাসায় যান। বাসায় গিয়ে দেখা যায়, তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করছেন। তখন উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকও আসেন। তাকে ওষুধ দেওয়ার পরও তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করছিলেন। তখন তার স্ত্রীই সিদ্ধান্ত নেন সিলেটে নিয়ে যাওয়ার জন্য। এখন তাকে পরিবারোর লোকজন ঢাকায় নিয়ে গেছেন।
এর আগে ফেসবুকে পৃথক পোস্টে এসিল্যান্ড লিখেন, ‘আমার মৃত্যুর জন্য শিল্পী রানী মোদক (ইউএনও) দায়ী থাকবে’ ও ‘আই রিজাইন ফ্রম এডমিন ক্যাডার'।
তবে ওই রাতে এসিল্যান্ড একজন আনসার সদস্যকে মারধর করেন বলে ইউএনও অভিযোগ করেন। তার মেয়েকে মেরে ফেলার হুমকিও দেন। এসিল্যান্ড রাস্তায় যাকেই পেয়েছেন তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন বলেও জানান ইউএনও।
এ প্রসঙ্গে জামালগঞ্জ থানার ওসি বন্দে আলী মিয়া জানান, তিনি ফেসবুকে পোস্টটি দেখে এসিল্যান্ডের বাসায় যান। এরপর ওনার স্ত্রীর কথামতো একটা ঘুমের ওষুধ এনে খাওয়ানো হয়। কিন্তু এটির পাওয়ার কম থাকায় কাজ হচ্ছিল না। এরপর একটি ইনজেকশনের কথা জানালে সেটি পাওয়া যায়নি। এরপর রাত একটার দিকে তাকে সিলেটে পাঠানো হয়।
ইউএনও শিল্পী রানী মোদক বলেন, আমি নিজেও কিছু বুঝতে পারছি না। ফেসবুক পোস্টে কেন আমার নাম লেখা হয়ে়ছে, সেই প্রশ্ন আমারও।
ঠিকানা/এনআই