কক্সবাজার শহরের ‘দ্য সি প্রিসেন্স’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে কলাতলীর হোটেল মোটেল জোনের সুগন্ধা পয়েন্টের সৈকতের কূল ঘেঁষে অবস্থিত হোটেলটির নিচতলার পার্কিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
হোটেল থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, হোটেলটির শতাধিক কক্ষ বুকিং ছিল। তবে বিকেল হওয়ায় এই সময় বেশির ভাগ পর্যটক হোটেলের বাইরে অবস্থান করছিল।
বিকেলের দিকে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় জেনারেটর ছাড়া হয়। হঠাৎ জেনারেটরের শট সার্কিট হয়ে আগুন লাগে। পরে হোটেল স্টাফ ও ফায়ার সার্ভিস মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে সুগন্ধা পয়েন্টে দায়িত্বরত বিচ কর্মী বেলাল হোসেন বলেন, বিকেলে হঠাৎ করে সি প্রিন্সেস হোটেলের নিচ তলায় আগুন লাগে। তখন হোটেল কর্তৃপক্ষ তাদের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে আগুন নিযন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এর কিছুক্ষণ পরেই ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
দ্য সি প্রিসেন্স-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল কাদের বলেন, হোটেলের নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রয়েছে এবং আমাদের কর্মীরাও প্রশিক্ষিত। তাদের দক্ষতায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরও বলেন, যখন আগুনের সূত্রপাত হয়, তার আগে থেকেই বেশির ভাগ পর্যটকই বাইরে অবস্থান করছিলেন।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ছাড়াই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতিও হয়নি।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর উখিয়ার ইনানী এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার ছয় দিনের মাথায় কক্সবাজারের আরেকটি আবাসিক হোটেলে আগুন লাগার ঘটনায় পর্যটনকেন্দ্রের হোটেলগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
ঠিকানা/এনআই
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে কলাতলীর হোটেল মোটেল জোনের সুগন্ধা পয়েন্টের সৈকতের কূল ঘেঁষে অবস্থিত হোটেলটির নিচতলার পার্কিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
হোটেল থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, হোটেলটির শতাধিক কক্ষ বুকিং ছিল। তবে বিকেল হওয়ায় এই সময় বেশির ভাগ পর্যটক হোটেলের বাইরে অবস্থান করছিল।
বিকেলের দিকে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় জেনারেটর ছাড়া হয়। হঠাৎ জেনারেটরের শট সার্কিট হয়ে আগুন লাগে। পরে হোটেল স্টাফ ও ফায়ার সার্ভিস মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে সুগন্ধা পয়েন্টে দায়িত্বরত বিচ কর্মী বেলাল হোসেন বলেন, বিকেলে হঠাৎ করে সি প্রিন্সেস হোটেলের নিচ তলায় আগুন লাগে। তখন হোটেল কর্তৃপক্ষ তাদের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে আগুন নিযন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এর কিছুক্ষণ পরেই ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
দ্য সি প্রিসেন্স-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল কাদের বলেন, হোটেলের নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রয়েছে এবং আমাদের কর্মীরাও প্রশিক্ষিত। তাদের দক্ষতায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরও বলেন, যখন আগুনের সূত্রপাত হয়, তার আগে থেকেই বেশির ভাগ পর্যটকই বাইরে অবস্থান করছিলেন।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন বলেন, কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ছাড়াই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতিও হয়নি।
এর আগে গত ১৭ অক্টোবর উখিয়ার ইনানী এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার ছয় দিনের মাথায় কক্সবাজারের আরেকটি আবাসিক হোটেলে আগুন লাগার ঘটনায় পর্যটনকেন্দ্রের হোটেলগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
ঠিকানা/এনআই