
প্রত্যেক সংসদ সদস্যকে (এমপি) এক কোটি টাকা করে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগমুহূর্তে এই অর্থ দেওয়া এমপিরা পাচ্ছেন কোটি টাকার হয়েছে নির্বাচনী কাজে ব্যবহারের জন্য এবং সান্ত্বনা হিসেবে। সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে কমপক্ষে ৮০ জনকে আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়ন না দেওয়ার কথা সরকারি মহল থেকেই জোরালোভাবে উঠেছে। তাদের অনেকেরই মতে, এ সংখ্যা শতাধিক, এমনকি ১২৫ জন হলেও বিস্ময়ের হবে না। এদের প্রত্যেককেও এক কোটি টাকা করে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ তহবিল থেকে সরকারদলীয় ও বিরোধীদলীয় ৩০০ এমপি এবং সংরক্ষিত আসনের মহিলা এমপিদের জন্য অভিন্ন হারে অর্থ বরাদ্দ ও ছাড় করা হয়েছে।
জানা যায়, নির্বাচনী এলাকার দুস্থ, অতিদরিদ্র, দরিদ্র, অসহায় মানুষদের কল্যাণে এ অর্থ বিতরণ করতে বলা হয়েছে। এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ, খেলার মাঠ, ছোটখাটো উন্নয়নকাজেও ব্যবহার করা যাবে। এ অর্থ বরাদ্দ ও এর ব্যবহার নিয়ে এরই মধ্যে কথা উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে, এলাকার উন্নয়নের জন্যই যদি এ অর্থ ব্যবহার করা হবে, তাহলে শেষ পর্যায়ে কেন? মেয়াদ শেষ করে যখন নতুন সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে, সে সময় কেন এ অর্থ বরাদ্দ করা হলো? সরকারদলীয় বর্তমান এমপিদের মধ্যে যেখানে কমপক্ষে ৮০ জন আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়নবঞ্চিত হবেন, সেখানে তাদের নামেও অর্থ বরাদ্দ ও অর্থ ছাড় করা হলো কেন! রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের প্রশ্ন, মনোনয়ন দেওয়া হবে না বলেই কি সান্ত্বনাস্বরূপ তাদের এ অর্থ দেওয়া হলো! যেহেতু তারা মনোনয়নবঞ্চিত হবেন, তাই নির্বাচনী এলাকার ভোটার সাধারণের প্রতি তাদের কোনো দায়বদ্ধতাও নেই। মেয়াদকালীন পাঁচ বছরে নির্বাচিত বলে ঘোষিত হয়ে রাষ্ট্রীয় সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগকারী এই এমপিরা নির্বাচনী এলাকা ও এলাকার জনসাধারণের প্রতি ন্যূনতম দায়বদ্ধতা, দায়িত্ববোধ দেখাননি। নির্বাচনী এলাকায়ও তারা কমই গেছেন। তাদের মনোনয়নবঞ্চিত রাখার কথা নীতিনির্ধারকেরা প্রধানত এ কারণেই চিন্তা করেন। রাষ্ট্রীয় কোষাগারের এ অর্থ ব্যক্তিবিশেষকে ফায়দা লোটার জন্য দেওয়ার আইনগত যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। দলীয়ভাবে যাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে, তাদের এ বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর বরাদ্দ দেওয়া যাবে না বলে তার আগেই অর্থ বরাদ্দ করা হলো। হাতে স্বল্পতম সময় থাকায় ছোটখাটো উন্নয়নকাজ করাও সম্ভব হবে না।
সরকারদলীয় কি বিরোধীদলীয় অনেক এমপিই মেয়াদকালে বছরে এক কি দুবারের বেশি নির্বাচনী এলাকায় যাননি। এলাকার সাধারণ মানুষ, ভোটার সাধারণের সঙ্গে সম্পর্কহীন, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন কথিত এি জনপ্রতিনিধিদের নামে মোটা অঙ্কের অর্থছাড়ের মাধ্যমে দুর্নীতিকেই উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন। পুরো মেয়াদকালে এই এমপিরা ব্যবসা-বাণিজ্যিক ফায়দা নেওয়া ছাড়াও সরকারিভাবেই এলাকায় যাতায়াত, এলাকার মানুষের স্বার্থে প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের বরাদ্দ পেয়েছেন। অথচ তারা সে অর্থ এলাকার জন্য, এলাকার মানুষের জন্য ব্যয়ই করেননি। অনেকেই প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন।
জানা যায়, নির্বাচনী এলাকার দুস্থ, অতিদরিদ্র, দরিদ্র, অসহায় মানুষদের কল্যাণে এ অর্থ বিতরণ করতে বলা হয়েছে। এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ, খেলার মাঠ, ছোটখাটো উন্নয়নকাজেও ব্যবহার করা যাবে। এ অর্থ বরাদ্দ ও এর ব্যবহার নিয়ে এরই মধ্যে কথা উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে, এলাকার উন্নয়নের জন্যই যদি এ অর্থ ব্যবহার করা হবে, তাহলে শেষ পর্যায়ে কেন? মেয়াদ শেষ করে যখন নতুন সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে, সে সময় কেন এ অর্থ বরাদ্দ করা হলো? সরকারদলীয় বর্তমান এমপিদের মধ্যে যেখানে কমপক্ষে ৮০ জন আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়নবঞ্চিত হবেন, সেখানে তাদের নামেও অর্থ বরাদ্দ ও অর্থ ছাড় করা হলো কেন! রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের প্রশ্ন, মনোনয়ন দেওয়া হবে না বলেই কি সান্ত্বনাস্বরূপ তাদের এ অর্থ দেওয়া হলো! যেহেতু তারা মনোনয়নবঞ্চিত হবেন, তাই নির্বাচনী এলাকার ভোটার সাধারণের প্রতি তাদের কোনো দায়বদ্ধতাও নেই। মেয়াদকালীন পাঁচ বছরে নির্বাচিত বলে ঘোষিত হয়ে রাষ্ট্রীয় সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগকারী এই এমপিরা নির্বাচনী এলাকা ও এলাকার জনসাধারণের প্রতি ন্যূনতম দায়বদ্ধতা, দায়িত্ববোধ দেখাননি। নির্বাচনী এলাকায়ও তারা কমই গেছেন। তাদের মনোনয়নবঞ্চিত রাখার কথা নীতিনির্ধারকেরা প্রধানত এ কারণেই চিন্তা করেন। রাষ্ট্রীয় কোষাগারের এ অর্থ ব্যক্তিবিশেষকে ফায়দা লোটার জন্য দেওয়ার আইনগত যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। দলীয়ভাবে যাদের মনোনয়ন দেওয়া হবে, তাদের এ বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর বরাদ্দ দেওয়া যাবে না বলে তার আগেই অর্থ বরাদ্দ করা হলো। হাতে স্বল্পতম সময় থাকায় ছোটখাটো উন্নয়নকাজ করাও সম্ভব হবে না।
সরকারদলীয় কি বিরোধীদলীয় অনেক এমপিই মেয়াদকালে বছরে এক কি দুবারের বেশি নির্বাচনী এলাকায় যাননি। এলাকার সাধারণ মানুষ, ভোটার সাধারণের সঙ্গে সম্পর্কহীন, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন কথিত এি জনপ্রতিনিধিদের নামে মোটা অঙ্কের অর্থছাড়ের মাধ্যমে দুর্নীতিকেই উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন। পুরো মেয়াদকালে এই এমপিরা ব্যবসা-বাণিজ্যিক ফায়দা নেওয়া ছাড়াও সরকারিভাবেই এলাকায় যাতায়াত, এলাকার মানুষের স্বার্থে প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের বরাদ্দ পেয়েছেন। অথচ তারা সে অর্থ এলাকার জন্য, এলাকার মানুষের জন্য ব্যয়ই করেননি। অনেকেই প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন।