কানাডার আলবার্টা প্রদেশের ওয়েনরাইট সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দেশটির চার সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন, যাঁদের মধ্যে ১৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
স্থানীয় সময় শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে কানাডিয়ান ফোর্সেস বেস ওয়েনরাইটে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও এর কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে কানাডার সশস্ত্র বাহিনী। খবর বিবিসির।
নিহত সেনাসদস্যরা হলেন- সার্জেন্ট মরগান ওং, প্রাইভেট শন ফ্যারেল, প্রাইভেট এইডান গোল্ডিং ও প্রাইভেট হেইডেন লাইকেমার। রোববার (১৮ অক্টোবর) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ঘটনাটিকে শান্তিকালীন সময়ে কানাডার সামরিক বাহিনীর জন্য অন্যতম ভয়াবহ ট্র্যাজেডি হিসেবে উল্লেখ করেন।
সামরিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় ঘাঁটির একটি প্রশিক্ষণ এলাকায় সেনাসদস্যরা জীবন্ত গোলাবারুদ ব্যবহার করে যুদ্ধের মহড়া চালাচ্ছিলেন। কাছাকাছি একটি ঘাসে আগুন লাগে। পরে অস্বাভাবিক শক্তিশালী বাতাসে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে প্রশিক্ষণ এলাকার দিকে চলে যায়। আগুনের সূত্রপাত ও বিস্তারের কারণ তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ।
আহতদের মধ্যে রিজার্ভ সেনাসদস্য এবং প্রিন্সেস প্যাট্রিশিয়া’স কানাডিয়ান লাইট ইনফ্যান্ট্রির সদস্যরা রয়েছেন। আহতদের চিকিৎসায় আলবার্টার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স, হেলিকপ্টার ও উড়োজাহাজ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় ওয়েনরাইটের স্থানীয় হাসপাতালগুলোর ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হওয়ায় রোগীদের এডমন্টনসহ প্রদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
কানাডার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনাটির তদন্ত চলছে। এতে তেল-গ্যাস অবকাঠামোর কোনো সংশ্লিষ্টতা কিংবা বাইরে থেকে হস্তক্ষেপের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এডমন্টন থেকে প্রায় ২১০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত ওয়েনরাইট কানাডার অন্যতম প্রধান সামরিক প্রশিক্ষণ ঘাঁটি। সেখানে কানাডা ও মিত্র দেশগুলোর সেনাসদস্যরা নিয়মিত সরাসরি গোলাবারুদ ব্যবহার করে প্রশিক্ষণ নেন। সাধারণ দিনে ঘাঁটিতে প্রায় ৬৯০ জন সামরিক সদস্য ও ৩০০ জন বেসামরিক কর্মী অবস্থান করেন।
ঠিকানা/এসআর
স্থানীয় সময় শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টার দিকে কানাডিয়ান ফোর্সেস বেস ওয়েনরাইটে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও এর কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে কানাডার সশস্ত্র বাহিনী। খবর বিবিসির।
নিহত সেনাসদস্যরা হলেন- সার্জেন্ট মরগান ওং, প্রাইভেট শন ফ্যারেল, প্রাইভেট এইডান গোল্ডিং ও প্রাইভেট হেইডেন লাইকেমার। রোববার (১৮ অক্টোবর) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ঘটনাটিকে শান্তিকালীন সময়ে কানাডার সামরিক বাহিনীর জন্য অন্যতম ভয়াবহ ট্র্যাজেডি হিসেবে উল্লেখ করেন।
সামরিক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময় ঘাঁটির একটি প্রশিক্ষণ এলাকায় সেনাসদস্যরা জীবন্ত গোলাবারুদ ব্যবহার করে যুদ্ধের মহড়া চালাচ্ছিলেন। কাছাকাছি একটি ঘাসে আগুন লাগে। পরে অস্বাভাবিক শক্তিশালী বাতাসে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে প্রশিক্ষণ এলাকার দিকে চলে যায়। আগুনের সূত্রপাত ও বিস্তারের কারণ তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ।
আহতদের মধ্যে রিজার্ভ সেনাসদস্য এবং প্রিন্সেস প্যাট্রিশিয়া’স কানাডিয়ান লাইট ইনফ্যান্ট্রির সদস্যরা রয়েছেন। আহতদের চিকিৎসায় আলবার্টার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্স, হেলিকপ্টার ও উড়োজাহাজ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় ওয়েনরাইটের স্থানীয় হাসপাতালগুলোর ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হওয়ায় রোগীদের এডমন্টনসহ প্রদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
কানাডার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনাটির তদন্ত চলছে। এতে তেল-গ্যাস অবকাঠামোর কোনো সংশ্লিষ্টতা কিংবা বাইরে থেকে হস্তক্ষেপের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এডমন্টন থেকে প্রায় ২১০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত ওয়েনরাইট কানাডার অন্যতম প্রধান সামরিক প্রশিক্ষণ ঘাঁটি। সেখানে কানাডা ও মিত্র দেশগুলোর সেনাসদস্যরা নিয়মিত সরাসরি গোলাবারুদ ব্যবহার করে প্রশিক্ষণ নেন। সাধারণ দিনে ঘাঁটিতে প্রায় ৬৯০ জন সামরিক সদস্য ও ৩০০ জন বেসামরিক কর্মী অবস্থান করেন।
ঠিকানা/এসআর