আলজেরিয়ার সবচেয়ে বয়স্ক নারী হিসেবে পরিচিত হাজ্জা সারহুদা সিতিতি মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১৩২ বছর।
২০২৪ সালে তিনি ১৩০ বছর বয়সে পবিত্র হজপালন করে আলোচনায় এসেছিলেন। সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া তার হজ পালনের একটি ভিডিও শেয়ার দিয়ে মৃত্যুর খবর জানায়।
আলজেরিয়ার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হাজ্জা সারহুদার জন্ম দেশটির গালমা প্রদেশের শিনিউ এলাকায়। পরে তিনি তেবেসা শহরে বসবাস শুরু করেন।
দীর্ঘ জীবন, বড় পরিবার এবং জীবনের শেষ পর্যায়ে পবিত্র হজপালনের কারণে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। ১৮৯৪ সালে জন্ম নেওয়া এই নারীর মৃত্যুতে দেশটির মানুষের মধ্যে শোক ও আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, ২০ বছর বয়সে বিয়ে করেন সারহুদা। তার ১৫ সন্তান ছিল। জীবনের দীর্ঘ সময় তিনি সন্তান, নাতি-নাতনি ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কাটিয়েছেন।
২০২৪ সালের জুনে পবিত্র হজপালন করে বিশেষভাবে আলোচনায় আসেন তিনি। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করে সৌদি আরবে হজ করতে যাওয়ার খবর সে সময় গণমাধ্যমে গুরুত্ব পায়। এর আগে তিনি দুইবার উমরা পালন করেছিলেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রচলিত জন্মসাল ১৮৯৪ অনুযায়ী, সারহুদার জীবনকালজুড়ে আলজেরিয়ার ইতিহাসে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে।
তিনি ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসন, স্বাধীনতার জন্য আলজেরীয় বিপ্লব, দেশটির স্বাধীনতা অর্জন এবং পরবর্তী কয়েক দশকের রাজনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তরের সময়কাল প্রত্যক্ষ করেছেন।
তেবেসায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করা এই নারীর জীবনকাহিনি আলজেরিয়ার মানুষের কাছে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। তার দীর্ঘ জীবন একাধিক প্রজন্মের পরিবর্তন এবং দেশের ইতিহাসের নানা অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।
ঠিকানা/এএস
২০২৪ সালে তিনি ১৩০ বছর বয়সে পবিত্র হজপালন করে আলোচনায় এসেছিলেন। সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-আরাবিয়া তার হজ পালনের একটি ভিডিও শেয়ার দিয়ে মৃত্যুর খবর জানায়।
আলজেরিয়ার বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হাজ্জা সারহুদার জন্ম দেশটির গালমা প্রদেশের শিনিউ এলাকায়। পরে তিনি তেবেসা শহরে বসবাস শুরু করেন।
দীর্ঘ জীবন, বড় পরিবার এবং জীবনের শেষ পর্যায়ে পবিত্র হজপালনের কারণে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। ১৮৯৪ সালে জন্ম নেওয়া এই নারীর মৃত্যুতে দেশটির মানুষের মধ্যে শোক ও আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, ২০ বছর বয়সে বিয়ে করেন সারহুদা। তার ১৫ সন্তান ছিল। জীবনের দীর্ঘ সময় তিনি সন্তান, নাতি-নাতনি ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে কাটিয়েছেন।
২০২৪ সালের জুনে পবিত্র হজপালন করে বিশেষভাবে আলোচনায় আসেন তিনি। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করে সৌদি আরবে হজ করতে যাওয়ার খবর সে সময় গণমাধ্যমে গুরুত্ব পায়। এর আগে তিনি দুইবার উমরা পালন করেছিলেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রচলিত জন্মসাল ১৮৯৪ অনুযায়ী, সারহুদার জীবনকালজুড়ে আলজেরিয়ার ইতিহাসে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটেছে।
তিনি ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসন, স্বাধীনতার জন্য আলজেরীয় বিপ্লব, দেশটির স্বাধীনতা অর্জন এবং পরবর্তী কয়েক দশকের রাজনৈতিক ও সামাজিক রূপান্তরের সময়কাল প্রত্যক্ষ করেছেন।
তেবেসায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করা এই নারীর জীবনকাহিনি আলজেরিয়ার মানুষের কাছে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। তার দীর্ঘ জীবন একাধিক প্রজন্মের পরিবর্তন এবং দেশের ইতিহাসের নানা অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।
ঠিকানা/এএস