নিউইয়র্কের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ ইসলামিক প্রতিষ্ঠান জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের (জেএমসি) চলমান আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প সম্পন্ন করতে প্রয়োজন আরো ২ মিলিয়ন বা ২০ লাখ ডলার। দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয়, শিক্ষামূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসা প্রতিষ্ঠানটিকে সময়ের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ ইসলামিক কমিউনিটি সেন্টারে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ লক্ষ্যে আগামী ২৪ অক্টোবর শনিবার এক বিশেষ ফান্ডরেইজিং ডিনারের আয়োজন করা হয়েছে।
গত ১২ অক্টোবর সোমবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেএমসির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ ও নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তারা সম্প্রসারণ প্রকল্পের অগ্রগতি, আধুনিকায়ন পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের বিষয়টি তুলে ধরেন।
জেএমসির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ারের পরিচালনায় সংবাদ সম্মেলনে জেএমসির সভাপতি ডা. নাজমুল এইচ. খান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ডা. মাহমুদুর রহমান তুহিন, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ফান্ডরেইজিং কমিটির চেয়ারম্যান আফতাব মান্নান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এবং জেএমসির কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ মুস্তাফিজুর রহমান লাবু বক্তব্য দেন। তারা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
তাঁরা জানান, ক্রমবর্ধমান মুসল্লির সংখ্যা, ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার এবং নতুন প্রজন্মের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান অবকাঠামোর সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের বিভিন্ন পর্যায়ের কাজ এগিয়ে নেওয়া হলেও অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে উল্লেখযোগ্য অর্থের প্রয়োজন।
জেএমসির চলমান প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে বিদ্যমান স্থাপনার পরিসর বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সুযোগ-সুবিধা সংযোজন। ভবনের বিভিন্ন অংশকে সমন্বিত করা, অতিরিক্ত তলা সংযোজন, লিফটের মাধ্যমে যাতায়াতের সুবিধা বৃদ্ধি এবং প্রতিবন্ধী ও প্রবীণদের জন্য ভবনকে আরও ব্যবহারোপযোগী করার উদ্যোগ রয়েছে।
এ ছাড়া আধুনিক শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা, অগ্নিনিরাপত্তার জন্য স্প্রিঙ্কলার সিস্টেম, অভ্যন্তরীণ সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজও প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ভবনটিকে আরো নিরাপদ, আরামদায়ক ও কার্যকরভাবে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
সম্প্রসারণের ফলে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা, শিশু-কিশোর ও তরুণদের কার্যক্রম এবং বিভিন্ন সামাজিক ও কমিউনিটি অনুষ্ঠানের জন্য আরো উন্নত পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে আগামী প্রজন্মকে মসজিদকেন্দ্রিক শিক্ষা, নৈতিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করাকে এ উদ্যোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জেএমসির কর্মকর্তারা বলেন, আগামী ২৪ অক্টোবর শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় ইস্ট এলমহার্স্টে নিউইয়র্ক লাগোয়ার্ডিয়া এয়ারপোর্ট ম্যারিয়ট হোটেলে বিশেষ ফান্ডরেইজিং ডিনার অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইন্টারফেইথ স্কলার শেখ উসমান বিন ফারুক। অতিথি বক্তা হিসেবে থাকবেন ইসলামিক স্কলার শেখ ড. জাকির আহমেদ, জেএমসির ইমাম মাওলানা আবু জাফর বেগ এবং ইমাম শামসি আলী।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য জনপ্রতি ২৫০ ডলার এবং চার সদস্যের পরিবারের জন্য ১ হাজার ডলার অনুদানের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। আয়োজকেরা আশা করছেন, নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের ধর্মপ্রাণ মুসলমান, কমিউনিটি নেতা, ব্যবসায়ী ও শুভানুধ্যায়ীরা এ আয়োজনে অংশ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সম্প্রসারণ প্রকল্পে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন।
সংবাদ সম্মেলনে কর্মকর্তারা বলেন, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের যাত্রা শুরু ১৯৭৬ সালে। নিউইয়র্কে বাংলাদেশিসহ দক্ষিণ এশীয় মুসলমানদের ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করে। প্রথমদিকে সীমিত পরিসরে নামাজের ব্যবস্থা থাকলেও পরবর্তী সময়ে নিজস্ব সম্পত্তি ক্রয়, মসজিদ নির্মাণ এবং শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিধি বৃদ্ধি পায়।
তাঁরা জানান, ১৯৯৭ সালে জেএমসির নতুন মসজিদ ভবন চালু হয়। পরবর্তী সময়ে ২০০৩ সালে সম্প্রসারিত ভবনের কার্যক্রম শুরু হয়। একই বছর আল-মামুর স্কুল এবং ইকরা লাইব্রেরিও যাত্রা শুরু করে। এর আগে ২০০১ সালে শুরু হয় হাফেজি মাদ্রাসার কার্যক্রম, যা বর্তমানে জামিয়া কোরআনিয়া একাডেমি নামে পরিচিত।
বর্তমানে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত ও জুমার নামাজের পাশাপাশি কোরআন শিক্ষা, হিফজ কার্যক্রম, ধর্মীয় আলোচনা, তরুণদের বিভিন্ন আয়োজন এবং সামাজিক সেবামূলক কার্যক্রমের সঙ্গে জেএমসি সম্পৃক্ত রয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি কেবল একটি মসজিদ নয়, বরং বৃহত্তর মুসলিম কমিউনিটির ধর্মীয়, শিক্ষামূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
জেএমসি কর্তৃপক্ষ মনে করে, প্রায় পাঁচ দশকের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ শুধু বর্তমান প্রজন্মের প্রয়োজন পূরণ করবে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও একটি স্থায়ী ও সমৃদ্ধ ধর্মীয়-সামাজিক অবকাঠামো গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ২ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহে কমিউনিটির সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছে জেএমসির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ ও নির্বাহী কমিটি। একই সঙ্গে ২৪ অক্টোবরের ফান্ডরেইজিং ডিনারে পরিবার-পরিজনসহ অংশগ্রহণ এবং সামর্থ্য অনুযায়ী অনুদান প্রদানের আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জেএমসির কর্মকর্তারা প্রত্যাশা করছেন, অতীতে যেভাবে প্রবাসী মুসলমানদের সম্মিলিত সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি ধাপে ধাপে বিকশিত হয়েছে, এবারও একইভাবে সবাই এগিয়ে এলে চলমান আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।
গত ১২ অক্টোবর সোমবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেএমসির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ ও নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তারা সম্প্রসারণ প্রকল্পের অগ্রগতি, আধুনিকায়ন পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহের বিষয়টি তুলে ধরেন।
জেএমসির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ারের পরিচালনায় সংবাদ সম্মেলনে জেএমসির সভাপতি ডা. নাজমুল এইচ. খান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ডা. মাহমুদুর রহমান তুহিন, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ফান্ডরেইজিং কমিটির চেয়ারম্যান আফতাব মান্নান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এবং জেএমসির কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ মুস্তাফিজুর রহমান লাবু বক্তব্য দেন। তারা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
তাঁরা জানান, ক্রমবর্ধমান মুসল্লির সংখ্যা, ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার এবং নতুন প্রজন্মের জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান অবকাঠামোর সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের বিভিন্ন পর্যায়ের কাজ এগিয়ে নেওয়া হলেও অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে উল্লেখযোগ্য অর্থের প্রয়োজন।
জেএমসির চলমান প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে বিদ্যমান স্থাপনার পরিসর বৃদ্ধি, অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সুযোগ-সুবিধা সংযোজন। ভবনের বিভিন্ন অংশকে সমন্বিত করা, অতিরিক্ত তলা সংযোজন, লিফটের মাধ্যমে যাতায়াতের সুবিধা বৃদ্ধি এবং প্রতিবন্ধী ও প্রবীণদের জন্য ভবনকে আরও ব্যবহারোপযোগী করার উদ্যোগ রয়েছে।
এ ছাড়া আধুনিক শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা, অগ্নিনিরাপত্তার জন্য স্প্রিঙ্কলার সিস্টেম, অভ্যন্তরীণ সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজও প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে ভবনটিকে আরো নিরাপদ, আরামদায়ক ও কার্যকরভাবে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
সম্প্রসারণের ফলে নামাজ আদায়ের পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা, শিশু-কিশোর ও তরুণদের কার্যক্রম এবং বিভিন্ন সামাজিক ও কমিউনিটি অনুষ্ঠানের জন্য আরো উন্নত পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে আগামী প্রজন্মকে মসজিদকেন্দ্রিক শিক্ষা, নৈতিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করাকে এ উদ্যোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জেএমসির কর্মকর্তারা বলেন, আগামী ২৪ অক্টোবর শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটায় ইস্ট এলমহার্স্টে নিউইয়র্ক লাগোয়ার্ডিয়া এয়ারপোর্ট ম্যারিয়ট হোটেলে বিশেষ ফান্ডরেইজিং ডিনার অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইন্টারফেইথ স্কলার শেখ উসমান বিন ফারুক। অতিথি বক্তা হিসেবে থাকবেন ইসলামিক স্কলার শেখ ড. জাকির আহমেদ, জেএমসির ইমাম মাওলানা আবু জাফর বেগ এবং ইমাম শামসি আলী।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য জনপ্রতি ২৫০ ডলার এবং চার সদস্যের পরিবারের জন্য ১ হাজার ডলার অনুদানের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। আয়োজকেরা আশা করছেন, নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের ধর্মপ্রাণ মুসলমান, কমিউনিটি নেতা, ব্যবসায়ী ও শুভানুধ্যায়ীরা এ আয়োজনে অংশ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির সম্প্রসারণ প্রকল্পে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন।
সংবাদ সম্মেলনে কর্মকর্তারা বলেন, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের যাত্রা শুরু ১৯৭৬ সালে। নিউইয়র্কে বাংলাদেশিসহ দক্ষিণ এশীয় মুসলমানদের ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করে। প্রথমদিকে সীমিত পরিসরে নামাজের ব্যবস্থা থাকলেও পরবর্তী সময়ে নিজস্ব সম্পত্তি ক্রয়, মসজিদ নির্মাণ এবং শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিধি বৃদ্ধি পায়।
তাঁরা জানান, ১৯৯৭ সালে জেএমসির নতুন মসজিদ ভবন চালু হয়। পরবর্তী সময়ে ২০০৩ সালে সম্প্রসারিত ভবনের কার্যক্রম শুরু হয়। একই বছর আল-মামুর স্কুল এবং ইকরা লাইব্রেরিও যাত্রা শুরু করে। এর আগে ২০০১ সালে শুরু হয় হাফেজি মাদ্রাসার কার্যক্রম, যা বর্তমানে জামিয়া কোরআনিয়া একাডেমি নামে পরিচিত।
বর্তমানে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত ও জুমার নামাজের পাশাপাশি কোরআন শিক্ষা, হিফজ কার্যক্রম, ধর্মীয় আলোচনা, তরুণদের বিভিন্ন আয়োজন এবং সামাজিক সেবামূলক কার্যক্রমের সঙ্গে জেএমসি সম্পৃক্ত রয়েছে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি কেবল একটি মসজিদ নয়, বরং বৃহত্তর মুসলিম কমিউনিটির ধর্মীয়, শিক্ষামূলক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।
জেএমসি কর্তৃপক্ষ মনে করে, প্রায় পাঁচ দশকের ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ শুধু বর্তমান প্রজন্মের প্রয়োজন পূরণ করবে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও একটি স্থায়ী ও সমৃদ্ধ ধর্মীয়-সামাজিক অবকাঠামো গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ২ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহে কমিউনিটির সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছে জেএমসির বোর্ড অব ট্রাস্টিজ ও নির্বাহী কমিটি। একই সঙ্গে ২৪ অক্টোবরের ফান্ডরেইজিং ডিনারে পরিবার-পরিজনসহ অংশগ্রহণ এবং সামর্থ্য অনুযায়ী অনুদান প্রদানের আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জেএমসির কর্মকর্তারা প্রত্যাশা করছেন, অতীতে যেভাবে প্রবাসী মুসলমানদের সম্মিলিত সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি ধাপে ধাপে বিকশিত হয়েছে, এবারও একইভাবে সবাই এগিয়ে এলে চলমান আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।