রাজধানীর রমনার অফিসার্স ক্লাবের ভেতরে নির্মাণাধীন একটি ভবন থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
অফিসার্স ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়েকে নিয়ে ক্লাবে প্রবেশ করেন মোশাররফ হোসেন। পরে নির্মাণাধীন ভবনের পাশের সুইমিংপুলে মেয়েকে রেখে তিনি ভবনটির ভেতরে যান। প্রায় এক ঘণ্টা পর ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নির্মাণাধীন ভবনের সিঁড়ি ও লিফটের পাশের ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে পড়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পারিবারিক সূত্র জানায়, নিহত মোশাররফ হোসেনের বড় মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। তিনি দেশে ফেরার পর তার বাবার দাফন সম্পন্ন করা হবে।
মোশাররফ হোসেন অফিসার্স ক্লাবের সদস্য। তার সদস্য নম্বর ২০১২। তিনি বনানীর ৫ নম্বর রোড, জি-ব্লকের ৪০ নম্বর বাড়িতে বসবাস করতেন।
এ বিষয়ে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াসিন মিয়া বলেছেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি উনি (মোশাররফ হোসেন) ওই ভবনের একটি ফাঁকা অংশ থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন। আমরা সেখানে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করেছি।’
ওসি আরও বলেছেন, ‘এ বিষয়ে তার পরিবার থেকে একটি দরখাস্ত দেবে। তারপর আমরা এ ঘটনাকে অজ্ঞাত মামলা হিসেবে রেকর্ডভুক্ত করব। যেহেতু কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে আমরা জানতে পেরেছি, সে হিসেবেই পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঠিকানা/এনআই
অফিসার্স ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়েকে নিয়ে ক্লাবে প্রবেশ করেন মোশাররফ হোসেন। পরে নির্মাণাধীন ভবনের পাশের সুইমিংপুলে মেয়েকে রেখে তিনি ভবনটির ভেতরে যান। প্রায় এক ঘণ্টা পর ভবনটির নিচতলায় সিঁড়ির পাশে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নির্মাণাধীন ভবনের সিঁড়ি ও লিফটের পাশের ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে পড়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পারিবারিক সূত্র জানায়, নিহত মোশাররফ হোসেনের বড় মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। তিনি দেশে ফেরার পর তার বাবার দাফন সম্পন্ন করা হবে।
মোশাররফ হোসেন অফিসার্স ক্লাবের সদস্য। তার সদস্য নম্বর ২০১২। তিনি বনানীর ৫ নম্বর রোড, জি-ব্লকের ৪০ নম্বর বাড়িতে বসবাস করতেন।
এ বিষয়ে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াসিন মিয়া বলেছেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি উনি (মোশাররফ হোসেন) ওই ভবনের একটি ফাঁকা অংশ থেকে নিচে পড়ে গিয়েছেন। আমরা সেখানে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করেছি।’
ওসি আরও বলেছেন, ‘এ বিষয়ে তার পরিবার থেকে একটি দরখাস্ত দেবে। তারপর আমরা এ ঘটনাকে অজ্ঞাত মামলা হিসেবে রেকর্ডভুক্ত করব। যেহেতু কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে আমরা জানতে পেরেছি, সে হিসেবেই পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঠিকানা/এনআই