হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি কেটি জাকারিয়াকে বরখাস্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রেসিডেন্টের কয়েকজন উপদেষ্টা। এর মাধ্যমে হোয়াইট হাউসের প্রধান মুখপাত্র হিসেবে জাকারিয়ার বিতর্কিত এক সপ্তাহের মেয়াদকালের অবসান ঘটল।
এর আগে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, জাকারিয়াকে প্রেস সেক্রেটারির পদে থাকার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে বলেছেন তিনি। এর মাধ্যমেই তার সংক্ষিপ্ত মেয়াদের সমাপ্তির ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকালে জাকারিয়াকে উদ্দেশ করে ট্রাম্প বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি আপনার জায়গায় হলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতাম।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, জর্জিয়া সফর শেষে হোয়াইট হাউসে ফিরে জাকারিয়ার সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার তার ওপরই ছেড়ে দেবেন। তবে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প নিজেই তাকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিলেন।
ট্রাম্প আরও বলেন, জাকারিয়াকে তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘কেটি, আপনার কি সত্যিই এই পদের দরকার আছে? আমার তো মনে হয় না আপনার এটির প্রয়োজন রয়েছে।’
সপ্তাহখানেক আগে দায়িত্ব নেওয়া জাকারিয়ার ওপর প্রেসিডেন্টের এই অবিশ্বাস প্রকাশের ঘটনাটি বেশ নজিরবিহীন। গত মঙ্গলবার প্রেস ব্রিফিং কক্ষে তার নড়বড়ে অভিষেক এবং আইন পেশায় তার ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে ক্রমাগত প্রশ্নের মুখে চাপে পড়ে ট্রাম্প প্রশাসন।
ঠিকানা/এনআই
এর আগে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, জাকারিয়াকে প্রেস সেক্রেটারির পদে থাকার বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতে বলেছেন তিনি। এর মাধ্যমেই তার সংক্ষিপ্ত মেয়াদের সমাপ্তির ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকালে জাকারিয়াকে উদ্দেশ করে ট্রাম্প বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি আপনার জায়গায় হলে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করতাম।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, জর্জিয়া সফর শেষে হোয়াইট হাউসে ফিরে জাকারিয়ার সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার তার ওপরই ছেড়ে দেবেন। তবে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প নিজেই তাকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিলেন।
ট্রাম্প আরও বলেন, জাকারিয়াকে তিনি জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘কেটি, আপনার কি সত্যিই এই পদের দরকার আছে? আমার তো মনে হয় না আপনার এটির প্রয়োজন রয়েছে।’
সপ্তাহখানেক আগে দায়িত্ব নেওয়া জাকারিয়ার ওপর প্রেসিডেন্টের এই অবিশ্বাস প্রকাশের ঘটনাটি বেশ নজিরবিহীন। গত মঙ্গলবার প্রেস ব্রিফিং কক্ষে তার নড়বড়ে অভিষেক এবং আইন পেশায় তার ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে ক্রমাগত প্রশ্নের মুখে চাপে পড়ে ট্রাম্প প্রশাসন।
ঠিকানা/এনআই