ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীজুড়ে কড়া নিরাপত্তা জারি থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। তবে তার আগেই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপর গ্রেপ্তার করা হয়েছে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরাসহ একাধিক নেতা-কর্মীকে।
দিল্লি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পুলিশের জারি করা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাজধানীর কনট প্লেস ও এর আশপাশের এলাকায় প্রায় দুই হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছেন।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে দিল্লির ঝান্ডেওয়ালানে তার বাড়ি থেকে বের হয়ে কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ (জাতীয় পতাকা ওড়াও) কর্মসূচিতে যোগের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে এর আগেই পুলিশ তাকে আটক করে। অন্যদিকে আইসা নেত্রী নেহা বোরা মান্ডি হাউসের কাছ থেকে মিছিল শুরু করার পরপরই পুলিশ তাকে আটক করে। এরপর তাকে একটি ‘অজ্ঞাত স্থানে’ নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার দলের নেতা-কর্মীরা।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার ও আজ শুক্রবার সকালে দিল্লি পুলিশের এক কর্মকর্তা করোল বাগ এলাকায় অভিজিৎ দীপকের বর্তমান বাড়িতে গিয়ে একটি নোটিশ দেন। নোটিশে বিকেল ৫টায় কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে নির্ধারিত ‘তিরঙ্গা পদযাত্রা’ বাতিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে দীপকে পদযাত্রা বাতিলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
এর আগে যন্তর মন্তরে ঢুকে জাতীয় পতাকা ওড়ানো ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে গ্রেপ্তার করে ৫ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠায় পুলিশ। সেই গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানাতেই শুক্রবার এই ‘তিরঙ্গা মার্চ’-এর ডাক দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে সম্প্রতি ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটির সুপারিশ এবং ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চের মৌখিক পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে দিল্লি পুলিশ শত বছরের ঐতিহ্যবাহী যন্তর মন্তরে সব ধরনের মিছিল-বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করে দেয়। এর পরিবর্তে রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড এবং সিবিডি গ্রাউন্ডকে আন্দোলনের বিকল্প স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। তবে সিজেপি নেতাদের দাবি, সংসদ ভবন ও সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন মধ্য দিল্লি থেকে বিক্ষোভকারীদের দূরে সরিয়ে জনদাবিকে ধামাচাপা দিতেই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
ঠিকানা/এনআই
দিল্লি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পুলিশের জারি করা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাজধানীর কনট প্লেস ও এর আশপাশের এলাকায় প্রায় দুই হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছেন।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকে দিল্লির ঝান্ডেওয়ালানে তার বাড়ি থেকে বের হয়ে কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ (জাতীয় পতাকা ওড়াও) কর্মসূচিতে যোগের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে এর আগেই পুলিশ তাকে আটক করে। অন্যদিকে আইসা নেত্রী নেহা বোরা মান্ডি হাউসের কাছ থেকে মিছিল শুরু করার পরপরই পুলিশ তাকে আটক করে। এরপর তাকে একটি ‘অজ্ঞাত স্থানে’ নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার দলের নেতা-কর্মীরা।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার ও আজ শুক্রবার সকালে দিল্লি পুলিশের এক কর্মকর্তা করোল বাগ এলাকায় অভিজিৎ দীপকের বর্তমান বাড়িতে গিয়ে একটি নোটিশ দেন। নোটিশে বিকেল ৫টায় কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে নির্ধারিত ‘তিরঙ্গা পদযাত্রা’ বাতিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে দীপকে পদযাত্রা বাতিলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
এর আগে যন্তর মন্তরে ঢুকে জাতীয় পতাকা ওড়ানো ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে গ্রেপ্তার করে ৫ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠায় পুলিশ। সেই গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানাতেই শুক্রবার এই ‘তিরঙ্গা মার্চ’-এর ডাক দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে সম্প্রতি ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটির সুপারিশ এবং ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চের মৌখিক পর্যবেক্ষণের ওপর ভিত্তি করে দিল্লি পুলিশ শত বছরের ঐতিহ্যবাহী যন্তর মন্তরে সব ধরনের মিছিল-বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করে দেয়। এর পরিবর্তে রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড এবং সিবিডি গ্রাউন্ডকে আন্দোলনের বিকল্প স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। তবে সিজেপি নেতাদের দাবি, সংসদ ভবন ও সুপ্রিম কোর্ট সংলগ্ন মধ্য দিল্লি থেকে বিক্ষোভকারীদের দূরে সরিয়ে জনদাবিকে ধামাচাপা দিতেই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
ঠিকানা/এনআই