যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন (Brent T. Christensen)। বুধবার (১৪ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এ সভায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি জোসেফ বসকি (Joseph Boski) এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের কর্মকর্তা লরা অ্যান্ডারসন (Laura Anderson)।
মতবিনিময়ের প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগ ‘টেকনোলজি কমার্শিয়ালাইজেশন পার্টনারশিপ’ (Technology Commercialization Partnership বা TCP)। এ উদ্যোগের লক্ষ্য বাংলাদেশকে বিদেশি প্রযুক্তির ব্যবহারকারী থেকে নিজস্ব প্রযুক্তির উদ্ভাবক ও রপ্তানিকারক হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা সৃষ্টি করা।
আলোচনায় গবেষণা ও উদ্ভাবনকে বাণিজ্যিক পণ্যে রূপান্তর, প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। প্রশ্নোত্তর পর্বে কমিউনিটি নেতারা প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত ইতিমধ্যে সফটওয়্যার উন্নয়ন, আউটসোর্সিং ও ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে অবস্থান তৈরি করেছে। প্রযুক্তির বাণিজ্যিকীকরণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারিত হলে গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিপণ্য রপ্তানিতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে মার্কিন কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করে। এতে দুই দেশের প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় প্রবাসী পেশাজীবী এবং উদ্যোক্তাদের সম্ভাব্য ভূমিকার বিষয়টিও সামনে আসে।
মতবিনিময় সভার সমন্বয় করেন কমিউনিটি সংগঠক জিয়া ইসলাম। অংশগ্রহণকারীরা আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বকে ফলপ্রসূ হিসেবে উল্লেখ করে তাঁকে ধন্যবাদ জানান।
ঠিকানা/এসআর
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি জোসেফ বসকি (Joseph Boski) এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের কর্মকর্তা লরা অ্যান্ডারসন (Laura Anderson)।
মতবিনিময়ের প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগ ‘টেকনোলজি কমার্শিয়ালাইজেশন পার্টনারশিপ’ (Technology Commercialization Partnership বা TCP)। এ উদ্যোগের লক্ষ্য বাংলাদেশকে বিদেশি প্রযুক্তির ব্যবহারকারী থেকে নিজস্ব প্রযুক্তির উদ্ভাবক ও রপ্তানিকারক হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা সৃষ্টি করা।
আলোচনায় গবেষণা ও উদ্ভাবনকে বাণিজ্যিক পণ্যে রূপান্তর, প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সম্প্রসারণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। প্রশ্নোত্তর পর্বে কমিউনিটি নেতারা প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তা ও পেশাজীবীদের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাত ইতিমধ্যে সফটওয়্যার উন্নয়ন, আউটসোর্সিং ও ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে অবস্থান তৈরি করেছে। প্রযুক্তির বাণিজ্যিকীকরণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারিত হলে গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিপণ্য রপ্তানিতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির প্রতিনিধিদের সঙ্গে মার্কিন কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করে। এতে দুই দেশের প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় প্রবাসী পেশাজীবী এবং উদ্যোক্তাদের সম্ভাব্য ভূমিকার বিষয়টিও সামনে আসে।
মতবিনিময় সভার সমন্বয় করেন কমিউনিটি সংগঠক জিয়া ইসলাম। অংশগ্রহণকারীরা আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বকে ফলপ্রসূ হিসেবে উল্লেখ করে তাঁকে ধন্যবাদ জানান।
ঠিকানা/এসআর