নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের পরিচিত ডাইভার্সিটি প্লাজায় এখন থেকে মুসলিম কমিউনিটির মৃত ব্যক্তিদের জানাজার নামাজ আয়োজন করা যাবে। সংশ্লিষ্ট পরিবারের অনুরোধে এবং আগাম যোগাযোগের মাধ্যমে এ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নিউইয়র্ক ঈদগাহর ইমাম মাওলানা কাজী কায়্যূম।
গত ৯ অক্টোবর শুক্রবার বাদ জুমা ডাইভার্সিটি প্লাজায় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত মুখ আজীজুল হক খোকনের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ আয়োজনের পর উপস্থিত মুসল্লি ও কমিউনিটির প্রতিনিধিরা ভবিষ্যতেও প্লাজাটিতে জানাজার নামাজ আয়োজনের প্রস্তাব দেন। পরে কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ও ব্যবসায়ী ফাহাদ সোলাইমান এবং ইমাম কাজী কায়্যূম জানান, এখন থেকে সংশ্লিষ্ট মুসলিম পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে সেখানে জানাজার ব্যবস্থা করা হবে।
আজীজুল হক খোকন গত ৩ অক্টোবর নিখোঁজ হন। জানা যায়, জ্যাকসন হাইটসে কর্মস্থল অবসর বুক কর্নারে যাওয়ার পথে বাড়ি থেকে বেরিয়ে কয়েক ব্লক হাঁটার পর তিনি ফুটপাতে পড়ে যান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কুইন্সের একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার মৃত্যু হলে মরদেহ ব্রুকলিনের একটি সরকারি মর্গে স্থানান্তর করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হওয়ায় মরদেহ শনাক্ত ও স্বজনদের খোঁজ পেতে বিলম্ব হয়।
খোকনের নিখোঁজ হওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে কমিউনিটির অনেকে তার সন্ধানে তৎপর হন। ৮ অক্টোবর সকালে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর বাংলাদেশ সোসাইটি, জ্যাকসন হাইটসের বাসিন্দা এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জানাজা থেকে শুরু করে মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণে সহযোগিতা করেন।
জানাজার নামাজে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের বিষয়টি সামনে এনে আয়োজকেরা বলেন, ডাইভার্সিটি প্লাজার মতো উন্মুক্ত স্থানে জানাজার ব্যবস্থা থাকলে মুসল্লিদের জন্য সুবিধা হবে। বিশেষ করে, মসজিদের সীমিত জায়গার কারণে বড় জমায়েত আয়োজন করতে যেসব অসুবিধা হয়, তা অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে।
ইমাম কাজী কায়্যূমের বক্তব্য অনুযায়ী, হানাফি মাজহাবের প্রচলিত বিধান অনুসারে মসজিদের ভেতরে জানাজার নামাজ পড়ার পরিবর্তে বাইরের প্রশস্ত স্থানে বা ঈদগাহে আয়োজন করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এ বিবেচনায় ডাইভার্সিটি প্লাজাকে জানাজার নামাজের উপযোগী স্থান হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আগ্রহী পরিবারগুলোকে জানাজার আয়োজনের আগে যত দ্রুত সম্ভব ফাহাদ সোলাইমান অথবা ইমাম কাজী কায়্যূমের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
গত ৯ অক্টোবর শুক্রবার বাদ জুমা ডাইভার্সিটি প্লাজায় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত মুখ আজীজুল হক খোকনের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এ আয়োজনের পর উপস্থিত মুসল্লি ও কমিউনিটির প্রতিনিধিরা ভবিষ্যতেও প্লাজাটিতে জানাজার নামাজ আয়োজনের প্রস্তাব দেন। পরে কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ও ব্যবসায়ী ফাহাদ সোলাইমান এবং ইমাম কাজী কায়্যূম জানান, এখন থেকে সংশ্লিষ্ট মুসলিম পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে সেখানে জানাজার ব্যবস্থা করা হবে।
আজীজুল হক খোকন গত ৩ অক্টোবর নিখোঁজ হন। জানা যায়, জ্যাকসন হাইটসে কর্মস্থল অবসর বুক কর্নারে যাওয়ার পথে বাড়ি থেকে বেরিয়ে কয়েক ব্লক হাঁটার পর তিনি ফুটপাতে পড়ে যান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কুইন্সের একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার মৃত্যু হলে মরদেহ ব্রুকলিনের একটি সরকারি মর্গে স্থানান্তর করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হওয়ায় মরদেহ শনাক্ত ও স্বজনদের খোঁজ পেতে বিলম্ব হয়।
খোকনের নিখোঁজ হওয়ার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে কমিউনিটির অনেকে তার সন্ধানে তৎপর হন। ৮ অক্টোবর সকালে তার অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর বাংলাদেশ সোসাইটি, জ্যাকসন হাইটসের বাসিন্দা এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জানাজা থেকে শুরু করে মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণে সহযোগিতা করেন।
জানাজার নামাজে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের বিষয়টি সামনে এনে আয়োজকেরা বলেন, ডাইভার্সিটি প্লাজার মতো উন্মুক্ত স্থানে জানাজার ব্যবস্থা থাকলে মুসল্লিদের জন্য সুবিধা হবে। বিশেষ করে, মসজিদের সীমিত জায়গার কারণে বড় জমায়েত আয়োজন করতে যেসব অসুবিধা হয়, তা অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে।
ইমাম কাজী কায়্যূমের বক্তব্য অনুযায়ী, হানাফি মাজহাবের প্রচলিত বিধান অনুসারে মসজিদের ভেতরে জানাজার নামাজ পড়ার পরিবর্তে বাইরের প্রশস্ত স্থানে বা ঈদগাহে আয়োজন করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এ বিবেচনায় ডাইভার্সিটি প্লাজাকে জানাজার নামাজের উপযোগী স্থান হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আগ্রহী পরিবারগুলোকে জানাজার আয়োজনের আগে যত দ্রুত সম্ভব ফাহাদ সোলাইমান অথবা ইমাম কাজী কায়্যূমের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।