আখাউড়া—সিলেট রেলপথে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন মৌলভীবাজার-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও ঠিকানা গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এম শাহীন। তিনি বলেছেন, বৃহত্তর সিলেটের উন্নয়ন শুধু প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, দৃশ্যমান কাজের মাধ্যমে তার প্রমাণ দিতে হবে। আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলা ছাড়া এ অঞ্চলের পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বিপুল সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব নয়।
গত ১০ অক্টোবর শনিবার নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনকের উদ্যোগে আয়োজিত সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এম এম শাহীন এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ), জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ জি কে গউছ।
এম এম শাহীন বলেন, আখাউড়া—সিলেট রেলপথ বৃহত্তর সিলেটের লাখো মানুষের যাতায়াত, পণ্য পরিবহন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এর আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা ও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন হলে সিলেট কেন পিছিয়ে থাকবে? জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এই অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে দীর্ঘসূত্রতা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
তিনি বলেন, বিচ্ছিন্ন সংস্কার কিংবা পুরোনো রেললাইন মেরামত করে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। ভবিষ্যতের যাত্রীচাহিদা, পণ্য পরিবহন ও নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আখাউড়া–সিলেট রেলপথে একই সঙ্গে ডুয়েলগেজ ও ডাবল লাইন নির্মাণ করতে হবে। এতে ট্রেন চলাচল দ্রুত ও নিরাপদ হওয়ার পাশাপাশি পরিবহন সক্ষমতা বাড়বে, যাত্রীদের দুর্ভোগ কমবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
রেলপথটির আধুনিকায়নকে কেবল আঞ্চলিক দাবি হিসেবে না দেখে জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানান সাবেক এই সংসদ সদস্য। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকল্প বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি প্রকাশের দাবি জানান তিনি।
এম এম শাহীন বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণা কিংবা আশ্বাসের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তার বাস্তবায়ন। কাজ কবে শুরু হবে, কত দিনের মধ্যে শেষ হবে এবং সাধারণ মানুষ কবে এর সুফল পাবেন, তা জনগণকে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।
বক্তব্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। এম এম শাহীন বলেন, প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্স পাঠিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি। দেশের সংকটকালে পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষা, জনকল্যাণ ও স্থানীয় উন্নয়নে তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকার মতো প্রবাসী সংগঠনগুলো বৃহত্তর সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন দাবি সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে তুলে ধরতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
সিলেটের উন্নয়নকে ব্যক্তি, দল ও গোষ্ঠীর স্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখার আহ্বান জানিয়ে এম এম শাহীন বলেন, এটি কোনো একক রাজনৈতিক দলের দাবি নয়, বরং সমগ্র অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য প্রত্যাশা। জনপ্রতিনিধি, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের সম্মিলিত উদ্যোগ এবং সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমেই বৃহত্তর সিলেটকে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও অর্থনৈতিকভাবে সম্ভাবনাময় অঞ্চলে পরিণত করা সম্ভব।
গত ১০ অক্টোবর শনিবার নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনকের উদ্যোগে আয়োজিত সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এম এম শাহীন এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ), জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ জি কে গউছ।
এম এম শাহীন বলেন, আখাউড়া—সিলেট রেলপথ বৃহত্তর সিলেটের লাখো মানুষের যাতায়াত, পণ্য পরিবহন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এর আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা ও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও প্রত্যাশিত অগ্রগতি হয়নি। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন হলে সিলেট কেন পিছিয়ে থাকবে? জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা এই অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে দীর্ঘসূত্রতা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
তিনি বলেন, বিচ্ছিন্ন সংস্কার কিংবা পুরোনো রেললাইন মেরামত করে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। ভবিষ্যতের যাত্রীচাহিদা, পণ্য পরিবহন ও নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আখাউড়া–সিলেট রেলপথে একই সঙ্গে ডুয়েলগেজ ও ডাবল লাইন নির্মাণ করতে হবে। এতে ট্রেন চলাচল দ্রুত ও নিরাপদ হওয়ার পাশাপাশি পরিবহন সক্ষমতা বাড়বে, যাত্রীদের দুর্ভোগ কমবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
রেলপথটির আধুনিকায়নকে কেবল আঞ্চলিক দাবি হিসেবে না দেখে জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানান সাবেক এই সংসদ সদস্য। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রকল্প বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি প্রকাশের দাবি জানান তিনি।
এম এম শাহীন বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণা কিংবা আশ্বাসের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তার বাস্তবায়ন। কাজ কবে শুরু হবে, কত দিনের মধ্যে শেষ হবে এবং সাধারণ মানুষ কবে এর সুফল পাবেন, তা জনগণকে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে।
বক্তব্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। এম এম শাহীন বলেন, প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্স পাঠিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি। দেশের সংকটকালে পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষা, জনকল্যাণ ও স্থানীয় উন্নয়নে তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকার মতো প্রবাসী সংগঠনগুলো বৃহত্তর সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন দাবি সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে তুলে ধরতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
সিলেটের উন্নয়নকে ব্যক্তি, দল ও গোষ্ঠীর স্বার্থের ঊর্ধ্বে রাখার আহ্বান জানিয়ে এম এম শাহীন বলেন, এটি কোনো একক রাজনৈতিক দলের দাবি নয়, বরং সমগ্র অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য প্রত্যাশা। জনপ্রতিনিধি, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী ও প্রবাসীদের সম্মিলিত উদ্যোগ এবং সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমেই বৃহত্তর সিলেটকে একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও অর্থনৈতিকভাবে সম্ভাবনাময় অঞ্চলে পরিণত করা সম্ভব।