
সৌদি আরব সফরে গেছেন ইসরাইলের পর্যটনমন্ত্রী হাইম কাৎজ। তিনি প্রথম কোনো ইসরাইলি মন্ত্রী যিনি সরকারি সফরে সৌদি আরব সফর করছেন।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
২৬ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন দিবসের একটি অনুষ্ঠোনে যোগ দিতেই ইসরাইলি মন্ত্রীর এই সফর। ইসরাইলের পর্যটন মন্ত্রণায়লয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
হাইম কাৎজের দুই দিনের এই সফর ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি আনুষ্ঠানিক ক্ষেত্র তৈরি করছে। এতে মধ্যস্থতা করছে জাতিসংঘ। কাৎজের সঙ্গে ইসরাইলের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধিদল রয়েছে।
এক বিবৃতিতে কাৎজ বলেন,
"পর্যটন দুই দেশের মধ্যে সেতু বন্ধন হিসেবে কাজ করে। পর্যটন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব।"
তিনি আরও বলেন, "ইসরাইলের হয়ে পর্যটন এবং বৈদেশিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে কাজ করব আমি।"
সৌদি সরকার তাৎক্ষণিকভাবে ইসরাইলের মন্ত্রীর সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। সম্প্রতি ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে তাদের মিত্র ইসরাইল ও সৌদি আরবকে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আহ্বান জানিয়েছে। এক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মরক্কোর সঙ্গে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্কের উদাহরণ সামনে এনেছে যুক্তরাষ্ট্র।
যদিও যুক্তরাষ্ট্রের এমন উদ্যোগের সমালোচনা করেছে ফিলিস্তিন। তাদের অভিযোগ, এর মাধ্যমে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতির সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মোহাম্মদ বিন সালমান বলেছেন, ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কের ঐতিহাসিক স্বাভাবিকীকরণ প্রক্রিয়ার অগ্রগতি হচ্ছে।
ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে যেসব শর্ত রয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইলের সম্ভাব্য ছাড় প্রদান, সৌদি আরবকে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রদান এবং দেশটিকে বেসামরিক পরমাণু প্রযুক্তি অর্জনে সহায়তা করা। প্রিন্স মোহাম্মদ সালমান বলেন, রিয়াদের কাছে ফিলিস্তিনি ইস্যুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এটার সমাধান চাই।
ঠিকানা/এসআর
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
২৬ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন দিবসের একটি অনুষ্ঠোনে যোগ দিতেই ইসরাইলি মন্ত্রীর এই সফর। ইসরাইলের পর্যটন মন্ত্রণায়লয় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
হাইম কাৎজের দুই দিনের এই সফর ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরবের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি আনুষ্ঠানিক ক্ষেত্র তৈরি করছে। এতে মধ্যস্থতা করছে জাতিসংঘ। কাৎজের সঙ্গে ইসরাইলের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধিদল রয়েছে।
এক বিবৃতিতে কাৎজ বলেন,
"পর্যটন দুই দেশের মধ্যে সেতু বন্ধন হিসেবে কাজ করে। পর্যটন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতি সম্ভব।"
তিনি আরও বলেন, "ইসরাইলের হয়ে পর্যটন এবং বৈদেশিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে কাজ করব আমি।"
সৌদি সরকার তাৎক্ষণিকভাবে ইসরাইলের মন্ত্রীর সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। সম্প্রতি ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যে তাদের মিত্র ইসরাইল ও সৌদি আরবকে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আহ্বান জানিয়েছে। এক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মরক্কোর সঙ্গে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্কের উদাহরণ সামনে এনেছে যুক্তরাষ্ট্র।
যদিও যুক্তরাষ্ট্রের এমন উদ্যোগের সমালোচনা করেছে ফিলিস্তিন। তাদের অভিযোগ, এর মাধ্যমে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতির সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মোহাম্মদ বিন সালমান বলেছেন, ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কের ঐতিহাসিক স্বাভাবিকীকরণ প্রক্রিয়ার অগ্রগতি হচ্ছে।
ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে যেসব শর্ত রয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরাইলের সম্ভাব্য ছাড় প্রদান, সৌদি আরবকে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রদান এবং দেশটিকে বেসামরিক পরমাণু প্রযুক্তি অর্জনে সহায়তা করা। প্রিন্স মোহাম্মদ সালমান বলেন, রিয়াদের কাছে ফিলিস্তিনি ইস্যুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এটার সমাধান চাই।
ঠিকানা/এসআর