যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুটি বন্দুক হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডগলাস শহরের একটি বাড়িতে গুলিতে পাঁচজন নিহত হন। ১০ অক্টোবর (শনিবার) এ তথ্য জানায় শহরটির পুলিশ বিভাগ।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে গুলির খবর পেয়ে ডগলাস পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গুলিবিদ্ধ পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। একই সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের এরি শহরে আরেকটি বন্দুক হামলায় আরও নয়জন নিহত হন। ঘটনাটিকে ‘মর্মান্তিক গণগুলির ঘটনা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে কর্তৃপক্ষ। নিহতদের মধ্যে দুই শিশু ও একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী রয়েছেন।
এরি শহর কর্তৃপক্ষের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলাকারীসহ নয়জনের মৃত্যু ঘটে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই। পুলিশ পৌঁছানোর পর সেখানে আর কোনো গুলির ঘটনা ঘটেনি।
কর্তৃপক্ষ জানায়, শটস্পটার নামের একটি বিতর্কিত শনাক্তকরণ ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা গুলির খবর পেয়েছিল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা মাইক্রোফোন ব্যবহার করে সম্ভাব্য গুলির শব্দ শনাক্ত করে এই ব্যবস্থা।
পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জশ শাপিরো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, এরি শহরে গত রাতের মর্মান্তিক গণগুলির ঘটনায় নয়জনের প্রাণহানির পর তিনি মেয়র দারিয়া ডেভলিনের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ সময় তিনি তার প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এরি শহরের পুলিশপ্রধান রিক লোরাহ ঘটনাস্থলের পরিস্থিতিকে তার কর্মজীবনের অন্যতম কঠিন অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা যে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছি, তার প্রেক্ষাপটও গভীরভাবে উদ্বেগজনক।’ হামলার পেছনে কী কারণ ছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে লোরাহ বলেন, পুলিশের ২৮ বছরের বেশি কর্মজীবনে তিনি এ ধরনের ঘটনা কখনো দেখেননি। তাঁর ভাষায়, ‘এরি শহরে এর আগে কখনো এমন প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে কি না, তা আমার জানা নেই।’
এ ঘটনায় বিস্তারিত জানাতে শনিবার পরে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজনের কথা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে গণগুলির ঘটনার কোনো একক সর্বজনস্বীকৃত সংজ্ঞা নেই। তবে সাধারণভাবে হামলাকারীকে বাদ দিয়ে অন্তত তিন বা চারজন গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনাকে গণগুলির ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সূত্র: স্কাই নিউজ
ঠিকানা/এএস
পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে গুলির খবর পেয়ে ডগলাস পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে গুলিবিদ্ধ পাঁচজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। একই সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের এরি শহরে আরেকটি বন্দুক হামলায় আরও নয়জন নিহত হন। ঘটনাটিকে ‘মর্মান্তিক গণগুলির ঘটনা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে কর্তৃপক্ষ। নিহতদের মধ্যে দুই শিশু ও একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী রয়েছেন।
এরি শহর কর্তৃপক্ষের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলাকারীসহ নয়জনের মৃত্যু ঘটে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই। পুলিশ পৌঁছানোর পর সেখানে আর কোনো গুলির ঘটনা ঘটেনি।
কর্তৃপক্ষ জানায়, শটস্পটার নামের একটি বিতর্কিত শনাক্তকরণ ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা গুলির খবর পেয়েছিল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা মাইক্রোফোন ব্যবহার করে সম্ভাব্য গুলির শব্দ শনাক্ত করে এই ব্যবস্থা।
পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জশ শাপিরো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, এরি শহরে গত রাতের মর্মান্তিক গণগুলির ঘটনায় নয়জনের প্রাণহানির পর তিনি মেয়র দারিয়া ডেভলিনের সঙ্গে কথা বলেছেন। এ সময় তিনি তার প্রশাসনের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এরি শহরের পুলিশপ্রধান রিক লোরাহ ঘটনাস্থলের পরিস্থিতিকে তার কর্মজীবনের অন্যতম কঠিন অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘প্রাণহানির ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা যে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছি, তার প্রেক্ষাপটও গভীরভাবে উদ্বেগজনক।’ হামলার পেছনে কী কারণ ছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে লোরাহ বলেন, পুলিশের ২৮ বছরের বেশি কর্মজীবনে তিনি এ ধরনের ঘটনা কখনো দেখেননি। তাঁর ভাষায়, ‘এরি শহরে এর আগে কখনো এমন প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে কি না, তা আমার জানা নেই।’
এ ঘটনায় বিস্তারিত জানাতে শনিবার পরে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজনের কথা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রে গণগুলির ঘটনার কোনো একক সর্বজনস্বীকৃত সংজ্ঞা নেই। তবে সাধারণভাবে হামলাকারীকে বাদ দিয়ে অন্তত তিন বা চারজন গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনাকে গণগুলির ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সূত্র: স্কাই নিউজ
ঠিকানা/এএস