নিউইয়র্কের বাংলাদেশি-আমেরিকান খাদ্য ব্যবসায় নতুন সংযোজন ঘটেছে। প্রবাসী বাংলাদেশি শেফ ও উদ্যোক্তা খলিলুর রহমানের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড 'খলিল বিরিয়ানি হাউজ'-এর নতুন শাখা যাত্রা শুরু করেছে ওজোন পার্কে। ২ অক্টোবর পিটকিন অ্যাভিনিউতে নতুন শাখার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন ইসলামিক স্কলার ড. রুহুল আমিন। পরে প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর জাহেদ আহমেদ, মোহাম্মদ তোফায়েল আহমেদ ও শেফ খলিলুর রহমান অতিথি এবং কমিউনিটি নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে ফিতা কেটে নতুন শাখার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব, শুভানুধ্যায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিমও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী উপলক্ষে অতিথি ও গ্রাহকদের বিভিন্ন ধরনের খাবার পরিবেশন করা হয়। ওজোন পার্ক ও আশপাশের এলাকার অনেক বাংলাদেশি খাবারপ্রেমী নতুন শাখায় এসে খাবারের স্বাদ নেন। নতুন শাখা চালু হওয়ায় স্থানীয় প্রবাসীদের মধ্যেও সন্তোষ দেখা গেছে। তাদের মতে, দীর্ঘদিন পর এলাকার কাছাকাছি পরিচিত একটি বাংলাদেশি খাবারের ব্র্যান্ডের শাখা চালু হওয়ায় দেশীয় খাবার উপভোগের সুযোগ আরও সহজ হলো।
নতুন শাখায় খলিল বিরিয়ানি হাউজের জনপ্রিয় সিগনেচার বিরিয়ানির পাশাপাশি থাকছে ঐতিহ্যবাহী দেশি খাবার, মাছ, বিভিন্ন সাইডস ও সালাদ, কাটি রোলসহ নানা ধরনের পদ। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, খাবারের স্বাদ ও মান বজায় রাখার পাশাপাশি গ্রাহকদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
নতুন শাখায় হালাল, স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত খাবার পরিবেশনের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উদ্বোধন উপলক্ষে বিশেষ ছাড়ের পাশাপাশি ফ্রি ডেলিভারি সুবিধাও থাকছে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
শেফ খলিলুর রহমান বলেন, যারা তাদের রেস্টুরেন্টে এসে খাবার গ্রহণ করছেন, তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। গ্রাহকদের ভালো লাগা ও সমর্থনই ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি খাবারের স্বাদ পৌঁছে দিতে পারা তার জন্য আনন্দের বিষয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। খলিলুর রহমান আরও বলেন, শুধু বাংলাদেশিরাই নন, অন্যান্য দেশের মানুষও তাদের রেস্টুরেন্টে এসে বাংলাদেশি খাবার খাচ্ছেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশি খাবারের প্রতি তাদের আগ্রহ তৈরি হচ্ছে এবং বিভিন্ন দেশের মানুষের কাছে বাংলাদেশের খাবারের পরিচিতি বাড়ছে। ভবিষ্যতে মেন্যুতে আরও নতুন নতুন খাবার যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ওজোন পার্ককে নতুন শাখার জন্য বেছে নেওয়ার পেছনে রয়েছে স্থানীয় বাংলাদেশি জনসংখ্যা ও দেশীয় খাবারের চাহিদা। এটি নিউইয়র্কের অন্যতম বাংলাদেশি অধ্যুষিত অঞ্চল। ফলে এখানে একটি পরিচিত বাংলাদেশি খাবারের ব্র্যান্ডের নতুন শাখা চালু হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের এলাকার গ্রাহকেরাও উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ও রন্ধনশিল্পে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ব্যবসায়িক উদ্যোগের মাধ্যমে খলিলুর রহমান ইতোমধ্যে বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটিতে পরিচিত একটি নাম হয়ে উঠেছেন। তার হাতে তৈরি বিরিয়ানি ও বিভিন্ন বাংলাদেশি খাবার নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সেই জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে তিনি ধীরে ধীরে খাদ্য ব্যবসার পরিধি বাড়াচ্ছেন।
খলিল বিরিয়ানি হাউজের পাশাপাশি তার অন্যান্য খাদ্য ব্যবসার উদ্যোগও রয়েছে। নিউইয়র্কের জ্যামাইকা, জ্যাকসন হাইটস ও ব্রহ্মসেও খলিল বিরিয়ানি হাউজের শাখা রয়েছে। এর বাইরে খলিল ফুডসের মাধ্যমে বাংলাদেশি বিভিন্ন পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে পৌছে দেওয়ার উদ্যোগও রয়েছে তার। বাংলাদেশেও খাদ্যপণ্যভিত্তিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।
শেফ খলিলুর রহমানের ব্যবসার অন্যতম লক্ষ্য হলো প্রবাসে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারের পরিচিতি আরও বিস্তৃত করা। বিরিয়ানি, তেহারি, কাবাব, মাছ, মাংস, সবজি, সমুচাসহ নানা ধরনের দেশীয় খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশি খাদ্যসংস্কৃতিকে নিউইয়র্কের বহুজাতিক সমাজে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।
উদ্যোক্তারা জানান, নতুন শাখায় শুধু বাংলাদেশি গ্রাহক নয়, অন্যান্য কমিউনিটির মানুষকেও আকৃষ্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে। নিউইয়র্কের বৈচিত্র্যময় খাদ্যসংস্কৃতিতে বাংলাদেশি খাবারের অবস্থান আরও শক্তিশালী করাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।
দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন ইসলামিক স্কলার ড. রুহুল আমিন। পরে প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর জাহেদ আহমেদ, মোহাম্মদ তোফায়েল আহমেদ ও শেফ খলিলুর রহমান অতিথি এবং কমিউনিটি নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে ফিতা কেটে নতুন শাখার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব, শুভানুধ্যায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিমও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী উপলক্ষে অতিথি ও গ্রাহকদের বিভিন্ন ধরনের খাবার পরিবেশন করা হয়। ওজোন পার্ক ও আশপাশের এলাকার অনেক বাংলাদেশি খাবারপ্রেমী নতুন শাখায় এসে খাবারের স্বাদ নেন। নতুন শাখা চালু হওয়ায় স্থানীয় প্রবাসীদের মধ্যেও সন্তোষ দেখা গেছে। তাদের মতে, দীর্ঘদিন পর এলাকার কাছাকাছি পরিচিত একটি বাংলাদেশি খাবারের ব্র্যান্ডের শাখা চালু হওয়ায় দেশীয় খাবার উপভোগের সুযোগ আরও সহজ হলো।
নতুন শাখায় খলিল বিরিয়ানি হাউজের জনপ্রিয় সিগনেচার বিরিয়ানির পাশাপাশি থাকছে ঐতিহ্যবাহী দেশি খাবার, মাছ, বিভিন্ন সাইডস ও সালাদ, কাটি রোলসহ নানা ধরনের পদ। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, খাবারের স্বাদ ও মান বজায় রাখার পাশাপাশি গ্রাহকদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।
নতুন শাখায় হালাল, স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত খাবার পরিবেশনের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উদ্বোধন উপলক্ষে বিশেষ ছাড়ের পাশাপাশি ফ্রি ডেলিভারি সুবিধাও থাকছে বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
শেফ খলিলুর রহমান বলেন, যারা তাদের রেস্টুরেন্টে এসে খাবার গ্রহণ করছেন, তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। গ্রাহকদের ভালো লাগা ও সমর্থনই ব্যবসাকে এগিয়ে নিতে অনুপ্রেরণা দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি খাবারের স্বাদ পৌঁছে দিতে পারা তার জন্য আনন্দের বিষয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। খলিলুর রহমান আরও বলেন, শুধু বাংলাদেশিরাই নন, অন্যান্য দেশের মানুষও তাদের রেস্টুরেন্টে এসে বাংলাদেশি খাবার খাচ্ছেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশি খাবারের প্রতি তাদের আগ্রহ তৈরি হচ্ছে এবং বিভিন্ন দেশের মানুষের কাছে বাংলাদেশের খাবারের পরিচিতি বাড়ছে। ভবিষ্যতে মেন্যুতে আরও নতুন নতুন খাবার যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ওজোন পার্ককে নতুন শাখার জন্য বেছে নেওয়ার পেছনে রয়েছে স্থানীয় বাংলাদেশি জনসংখ্যা ও দেশীয় খাবারের চাহিদা। এটি নিউইয়র্কের অন্যতম বাংলাদেশি অধ্যুষিত অঞ্চল। ফলে এখানে একটি পরিচিত বাংলাদেশি খাবারের ব্র্যান্ডের নতুন শাখা চালু হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের এলাকার গ্রাহকেরাও উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ও রন্ধনশিল্পে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ব্যবসায়িক উদ্যোগের মাধ্যমে খলিলুর রহমান ইতোমধ্যে বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটিতে পরিচিত একটি নাম হয়ে উঠেছেন। তার হাতে তৈরি বিরিয়ানি ও বিভিন্ন বাংলাদেশি খাবার নিউইয়র্কের প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সেই জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে তিনি ধীরে ধীরে খাদ্য ব্যবসার পরিধি বাড়াচ্ছেন।
খলিল বিরিয়ানি হাউজের পাশাপাশি তার অন্যান্য খাদ্য ব্যবসার উদ্যোগও রয়েছে। নিউইয়র্কের জ্যামাইকা, জ্যাকসন হাইটস ও ব্রহ্মসেও খলিল বিরিয়ানি হাউজের শাখা রয়েছে। এর বাইরে খলিল ফুডসের মাধ্যমে বাংলাদেশি বিভিন্ন পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে পৌছে দেওয়ার উদ্যোগও রয়েছে তার। বাংলাদেশেও খাদ্যপণ্যভিত্তিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।
শেফ খলিলুর রহমানের ব্যবসার অন্যতম লক্ষ্য হলো প্রবাসে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবারের পরিচিতি আরও বিস্তৃত করা। বিরিয়ানি, তেহারি, কাবাব, মাছ, মাংস, সবজি, সমুচাসহ নানা ধরনের দেশীয় খাবার পরিবেশনের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশি খাদ্যসংস্কৃতিকে নিউইয়র্কের বহুজাতিক সমাজে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।
উদ্যোক্তারা জানান, নতুন শাখায় শুধু বাংলাদেশি গ্রাহক নয়, অন্যান্য কমিউনিটির মানুষকেও আকৃষ্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে। নিউইয়র্কের বৈচিত্র্যময় খাদ্যসংস্কৃতিতে বাংলাদেশি খাবারের অবস্থান আরও শক্তিশালী করাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।