ওই, তুই কি আমাকে চিনিস?
যদি না চিনিস তবে চিনে রাখ, ভবিষ্যতে জীবন বাঁচাতে দেবে কাজ।
আমি এই শহরের অলিখিত সম্রাট—সবচেয়ে বড় চাঁদাবাজ।
শোন, মাসে মাসে আমার লোক আসবে চাঁদা নিতে।
কমপ্লেন করে লাভ নাই, তোর সাংবাদিক, পুলিশ কেউ পাবে না আমার টিকিটাও ছুঁতে।
এটা আমার রাজ্য, আমি রাজা তুই প্রজা।
এটা ভাবলে, তোর চাঁদাকে মনে হবে না কোনো বোঝা।
যতই করিস হাউকাউ, চিল্লাচিল্লি, কাজ হবে না রে ভাই।
কারণ এই চাঁদা আমি একা খাই না, সবাইকে দিয়ে থুয়েই খাই।
তার মাঝে আছে মন্ত্রী-মিনিস্টার, নেতা-পাতিনেতা, উঁচু-নিচু সবাই।
তাই নির্ভয় আমি, আমার ভয় কিংবা বাধা কোনো কিছুই নাই।
চাঁদাবাজি একটা সিস্টেম রে ভাই। চাঁদাবাজি একটা সিস্টেম। আর এই সিস্টেমে চলে পুরো দেশটা।
তুই আমি যতই চাই রে, আমরা কেউই নই এই সিস্টেমের বাইরে, তাহলে এখন বুঝেছিস তো কেসটা?
ওই যে বড় বড় নেতা বুদ্ধিজীবী মিটিং মিছিল, টিভিতে মারে বড় বড় বুলি।
সব শালা এই সিস্টেমের অংশ, আর আমরা বেচারা শালা এই সিস্টেমের কুলি।
এ দেশে চাঁদাবাজি ছাড়া ঘড়ির কাঁটাও নড়ে না।
অফিস-আদালত হাটবাজার কোনো কিছুই চাঁদা ছাড়া এক পাও নড়ে না।
আমরা শালা জেলে যাই,
পুলিশের প্যাদানি খাই,
কিন্তু তবু ছাড়ি না এই পেশাটা।
কারণ এর থেকে ভালো পেশা নাই এই দেশে আর একটা।
বিনা মূলধনে কোটিপতি হয়ে যাবি,
এমন পেশা কি এই দেশে আর দ্বিতীয়টি পাবি?
এতিম আমি, থাকতাম ওই বস্তিতে, জুটত না দুবেলা খাবার।
একদিন বড় ভাই হাতে ধরিয়ে দিল পিস্তল,
হয়ে গেলাম মাস্তান, সেই থেকে ফিরে তাকাতে হয়নি আর।
আমি জানি তুই আমাকে ঘৃণা করিস, আমি গেলেই আমাকে বলবি কুত্তার বাচ্চা না হয় বলবি শালা একটা হায়েনা।
তা যত খুশি বল, তাতে আমার কিছুই আসে যায় না।
তাই তুই আপসে হয়ে যা রাজি, তাহলে পেয়ে যাবি মাফ।
আর যদি রাজি না হোস, তবে দেখবি আমার আসল রূপ। তখন আমার পায়ে পড়ে বলবি : তুমিই আমায় বাপ।
যদি না চিনিস তবে চিনে রাখ, ভবিষ্যতে জীবন বাঁচাতে দেবে কাজ।
আমি এই শহরের অলিখিত সম্রাট—সবচেয়ে বড় চাঁদাবাজ।
শোন, মাসে মাসে আমার লোক আসবে চাঁদা নিতে।
কমপ্লেন করে লাভ নাই, তোর সাংবাদিক, পুলিশ কেউ পাবে না আমার টিকিটাও ছুঁতে।
এটা আমার রাজ্য, আমি রাজা তুই প্রজা।
এটা ভাবলে, তোর চাঁদাকে মনে হবে না কোনো বোঝা।
যতই করিস হাউকাউ, চিল্লাচিল্লি, কাজ হবে না রে ভাই।
কারণ এই চাঁদা আমি একা খাই না, সবাইকে দিয়ে থুয়েই খাই।
তার মাঝে আছে মন্ত্রী-মিনিস্টার, নেতা-পাতিনেতা, উঁচু-নিচু সবাই।
তাই নির্ভয় আমি, আমার ভয় কিংবা বাধা কোনো কিছুই নাই।
চাঁদাবাজি একটা সিস্টেম রে ভাই। চাঁদাবাজি একটা সিস্টেম। আর এই সিস্টেমে চলে পুরো দেশটা।
তুই আমি যতই চাই রে, আমরা কেউই নই এই সিস্টেমের বাইরে, তাহলে এখন বুঝেছিস তো কেসটা?
ওই যে বড় বড় নেতা বুদ্ধিজীবী মিটিং মিছিল, টিভিতে মারে বড় বড় বুলি।
সব শালা এই সিস্টেমের অংশ, আর আমরা বেচারা শালা এই সিস্টেমের কুলি।
এ দেশে চাঁদাবাজি ছাড়া ঘড়ির কাঁটাও নড়ে না।
অফিস-আদালত হাটবাজার কোনো কিছুই চাঁদা ছাড়া এক পাও নড়ে না।
আমরা শালা জেলে যাই,
পুলিশের প্যাদানি খাই,
কিন্তু তবু ছাড়ি না এই পেশাটা।
কারণ এর থেকে ভালো পেশা নাই এই দেশে আর একটা।
বিনা মূলধনে কোটিপতি হয়ে যাবি,
এমন পেশা কি এই দেশে আর দ্বিতীয়টি পাবি?
এতিম আমি, থাকতাম ওই বস্তিতে, জুটত না দুবেলা খাবার।
একদিন বড় ভাই হাতে ধরিয়ে দিল পিস্তল,
হয়ে গেলাম মাস্তান, সেই থেকে ফিরে তাকাতে হয়নি আর।
আমি জানি তুই আমাকে ঘৃণা করিস, আমি গেলেই আমাকে বলবি কুত্তার বাচ্চা না হয় বলবি শালা একটা হায়েনা।
তা যত খুশি বল, তাতে আমার কিছুই আসে যায় না।
তাই তুই আপসে হয়ে যা রাজি, তাহলে পেয়ে যাবি মাফ।
আর যদি রাজি না হোস, তবে দেখবি আমার আসল রূপ। তখন আমার পায়ে পড়ে বলবি : তুমিই আমায় বাপ।