বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক চায় ভারত

প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০০:১২ , অনলাইন ভার্সন
বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছে ভারত। একই সঙ্গে দুই দেশের পারস্পরিক প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির জন্য জনগণকেন্দ্রিক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

বুধবার (৭ অক্টোবর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (এমইএ) নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও আঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এসব কথা বলেন।

জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশের বিষয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি হলো—ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পৃক্ততা বজায় রাখা। এই সম্পৃক্ততার কেন্দ্রে রয়েছে দুই দেশের জনগণ এবং পারস্পরিক প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি।

জয়সওয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি হলো পারস্পরিক প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির জন্য জনগণকেন্দ্রিক মনোযোগসহ ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পৃক্ততা রাখা। বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের আলোচনার সময়ও আমরা এই লক্ষ্যেই মনোযোগী রয়েছি।’

ভারতের এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। গত ২২ সেপ্টেম্বরও জয়সওয়াল বলেছিলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে ভারত ‘ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী’ পথে এগিয়ে নিতে চায়। একই সঙ্গে বিদ্যমান কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থার মাধ্যমে দুই দেশের সব দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে ভারত প্রস্তুত বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগও অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়টিও ভারত গুরুত্ব দিয়ে আসছে। সেপ্টেম্বরের এক ব্রিফিংয়ে জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দুই দেশের অভিন্ন সম্পর্ক ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ নিয়ে আলোচনা করেছেন।

পানি, সীমান্ত, বাণিজ্য, জ্বালানি, যোগাযোগ, আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। চলতি বছরের জুনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছিল, দুই দেশের অভিন্ন নদীগুলো নিয়ে বিদ্যমান যৌথ নদী কমিশনসহ কাঠামোবদ্ধ দ্বিপক্ষীয় ব্যবস্থার মধ্যেই বিষয়গুলো আলোচনা করা হবে।

বক্তব্যে জয়সওয়ালের মূল বার্তা ছিল—বিতর্কিত বা অমীমাংসিত বিষয় থাকলেও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নিতে সংলাপ ও গঠনমূলক সম্পৃক্ততার ওপর জোর দিচ্ছে নয়াদিল্লি।

ঠিকানা/এনআই
Thikana
M M Shahin, Chairman, Board of Editors, Thikana
Corporate Headquarter
THIKANA : 7409 37th Ave suite 403 Jackson Heights, NY 11372
Phone : 718-472-0700/2428, 718-729-6000
Fax: + 1(866) 805-8806
Bangladesh Bureau
THIKANA : 70/B, Green Road, (Panthapath), 5th Floor, Dhaka, BD.
E-Mail : [email protected]
For Advertisement : [email protected]