লন্ডন: যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার আগামীকাল সোমবার পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সাপ্তাহিক পত্রিকা অবজারভার। তবে ব্রিটিশ সরকারের একটি সূত্র বলেছে, স্টারমার এখনো সরকারের দায়িত্ব পালনের দিকেই মনোযোগী রয়েছেন এবং পদত্যাগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
রোববার (২১ জুন) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, অবজারভারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্টারমার সোমবার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি সময়সূচিও নির্ধারণ করে দিতে পারেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি সপ্তাহান্তে স্ত্রী ভিক্টোরিয়া স্টারমারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত কয়েক মাস ধরে স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে লেবার পার্টির ভেতরে অসন্তোষ বাড়ছিল। স্থানীয় নির্বাচনে হতাশাজনক ফলাফল, একাধিক মন্ত্রীর পদত্যাগ এবং অর্থনীতি ও জনজীবন নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষ তার অবস্থানকে দুর্বল করে দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি এবং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং-এর পদত্যাগও স্টারমারের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন অ্যান্ডি বার্নহাম মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে জয়লাভ করে সংসদে প্রবেশের পথ তৈরি করেন। লেবার পার্টির ভেতরে তাকে স্টারমারের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বার্নহামের ঘনিষ্ঠরা ইতোমধ্যে নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিষয়ে আলোচনা শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, লেবার পার্টির প্রায় এক-চতুর্থাংশ এমপি প্রকাশ্যে স্টারমারের পদত্যাগ অথবা বিদায়ের সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। কয়েকজন মন্ত্রীও ব্যক্তিগতভাবে নেতৃত্ব পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
অবজারভারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবার পার্টির শীর্ষ নেতারা এখন স্টারমারের কাছ থেকে একটি স্পষ্ট অবস্থান জানতে চাইছেন। দলটির ভেতরে অনেকে মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি নেতৃত্ব সংকট এড়াতে একটি ‘সুশৃঙ্খল ক্ষমতা হস্তান্তর’ প্রয়োজন।
তবে কেয়ার স্টারমার এখনো প্রকাশ্যে পদত্যাগের ইঙ্গিত দেননি। গত সপ্তাহে তিনি বলেছিলেন, তার নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোনো চ্যালেঞ্জ এলে তিনি তা মোকাবিলা করবেন এবং লেবার পার্টিকে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে জড়িয়ে না পড়ার আহ্বান জানান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে স্টারমারের নেতৃত্বে লেবার পার্টি ১৪ বছর পর ক্ষমতায় ফিরে আসে এবং ভূমিধস বিজয় অর্জন করে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার দুই বছরের মধ্যেই জীবনযাত্রার ব্যয়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধীরগতি এবং সরকারের বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে জনঅসন্তোষ বাড়তে থাকে। ফলে তার জনপ্রিয়তা দ্রুত কমে যায় এবং দলীয় নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
স্টারমার যদি পদত্যাগ করেন, তাহলে গত এক দশকের কিছু বেশি সময়ে যুক্তরাজ্যে তিনি হবেন সপ্তম প্রধানমন্ত্রী যিনি ক্ষমতা ছাড়লেন। এতে দেশটির রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি লেবার পার্টির নেতৃত্বের দৌড়ও আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স, অবজারভার।
ঠিকানা/এসআর
রোববার (২১ জুন) বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, অবজারভারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্টারমার সোমবার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি সময়সূচিও নির্ধারণ করে দিতে পারেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি সপ্তাহান্তে স্ত্রী ভিক্টোরিয়া স্টারমারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত কয়েক মাস ধরে স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে লেবার পার্টির ভেতরে অসন্তোষ বাড়ছিল। স্থানীয় নির্বাচনে হতাশাজনক ফলাফল, একাধিক মন্ত্রীর পদত্যাগ এবং অর্থনীতি ও জনজীবন নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষ তার অবস্থানকে দুর্বল করে দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি এবং সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং-এর পদত্যাগও স্টারমারের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন অ্যান্ডি বার্নহাম মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে জয়লাভ করে সংসদে প্রবেশের পথ তৈরি করেন। লেবার পার্টির ভেতরে তাকে স্টারমারের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বার্নহামের ঘনিষ্ঠরা ইতোমধ্যে নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিষয়ে আলোচনা শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, লেবার পার্টির প্রায় এক-চতুর্থাংশ এমপি প্রকাশ্যে স্টারমারের পদত্যাগ অথবা বিদায়ের সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। কয়েকজন মন্ত্রীও ব্যক্তিগতভাবে নেতৃত্ব পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
অবজারভারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবার পার্টির শীর্ষ নেতারা এখন স্টারমারের কাছ থেকে একটি স্পষ্ট অবস্থান জানতে চাইছেন। দলটির ভেতরে অনেকে মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি নেতৃত্ব সংকট এড়াতে একটি ‘সুশৃঙ্খল ক্ষমতা হস্তান্তর’ প্রয়োজন।
তবে কেয়ার স্টারমার এখনো প্রকাশ্যে পদত্যাগের ইঙ্গিত দেননি। গত সপ্তাহে তিনি বলেছিলেন, তার নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোনো চ্যালেঞ্জ এলে তিনি তা মোকাবিলা করবেন এবং লেবার পার্টিকে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে জড়িয়ে না পড়ার আহ্বান জানান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে স্টারমারের নেতৃত্বে লেবার পার্টি ১৪ বছর পর ক্ষমতায় ফিরে আসে এবং ভূমিধস বিজয় অর্জন করে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার দুই বছরের মধ্যেই জীবনযাত্রার ব্যয়, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধীরগতি এবং সরকারের বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে জনঅসন্তোষ বাড়তে থাকে। ফলে তার জনপ্রিয়তা দ্রুত কমে যায় এবং দলীয় নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
স্টারমার যদি পদত্যাগ করেন, তাহলে গত এক দশকের কিছু বেশি সময়ে যুক্তরাজ্যে তিনি হবেন সপ্তম প্রধানমন্ত্রী যিনি ক্ষমতা ছাড়লেন। এতে দেশটির রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি লেবার পার্টির নেতৃত্বের দৌড়ও আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স, অবজারভার।
ঠিকানা/এসআর