​আত্মহত্যার প্ররোচনায় মামলা : গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী কারাগারে

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:০৭ , অনলাইন ভার্সন
আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় এক দিনের রিমান্ড শেষে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। ২২ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রিপন হোসেনের আদালতে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এতে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মাকছুদা ইসলামকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছেন।

আদালতে দেওয়া আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, মাকছুদাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সময় মামলাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য মামলার তদন্তে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে সোমবার আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় মাকছুদাকে এক দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন আদালত। একই মামলায় তার স্বামী গাজী নজরুল ইসলামকে চার দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়।

গত রবিবার সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই রাতেই গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদাকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় গাজী নজরুল, মাকছুদা ও মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে বাদী অভিযোগ করেন, গত জুনে তার মেয়ে মরিয়মের সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের বিয়ে হয়। এরপর সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের ২০৩ নম্বর বাসায় গাজী নজরুল, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ও মরিয়ম একসঙ্গে থাকতেন।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, বিয়ের পর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গাজী নজরুল ও মাকছুদা মরিয়মকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। মরিয়ম এসব বিষয়ে বিভিন্ন সময় তার পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছিলেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদীর দাবি, গত রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গাজী নজরুল ফোন করে তাকে দ্রুত বাসায় যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে তিনি মেয়েকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান।

এ সময় মরিয়মের বিছানার ওপর তার লেখা একটি ‘সুইসাইড নোট’ দেখতে পাওয়ার কথাও এজাহারে উল্লেখ করেছেন তার বাবা।

তবে মামলায় করা এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তাধীন। রিমান্ডে পাওয়া তথ্য যাচাই এবং অন্যান্য আলামত পর্যালোচনার মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

ঠিকানা/এএস 
Thikana
M M Shahin, Chairman, Board of Editors, Thikana
Corporate Headquarter
THIKANA : 7409 37th Ave suite 403 Jackson Heights, NY 11372
Phone : 718-472-0700/2428, 718-729-6000
Fax: + 1(866) 805-8806
Bangladesh Bureau
THIKANA : 70/B, Green Road, (Panthapath), 5th Floor, Dhaka, BD.
E-Mail : [email protected]
For Advertisement : [email protected]