নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ঘিরে ব্যাপক গণসংবর্ধনার প্রস্তুতি নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত সেই আয়োজন অনুষ্ঠিত হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর পূর্বনির্ধারিত ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকো সফরও বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
দলীয় সূত্রগুলোর ভাষ্য, সরকারের কৃচ্ছ্রতা সাধন ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই প্রধানমন্ত্রী বড় ধরনের সংবর্ধনা না নেওয়ার অবস্থান জানিয়েছেন। শুধু সরকারি অর্থে নয়, দলীয় নেতা-কর্মী কিংবা ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিপুল অর্থ ব্যয় করে সংবর্ধনার আয়োজন করাও তিনি সমর্থন করছেন না।
এ বিষয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। আলোচনায় নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে সম্ভাব্য গণসংবর্ধনা এবং যুক্তরাষ্ট্র সফরের অন্যান্য কর্মসূচির বিষয় উঠে আসে।
সূত্রের দাবি, আলোচনায় তারেক রহমান স্পষ্ট করেছেন, সরকার যখন রাষ্ট্রীয় ব্যয়ে কৃচ্ছ্রতা অনুসরণের নীতি নিয়েছে, তখন তাঁর নিজের সফরকে কেন্দ্র করে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করা সেই নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে না। সরকারি অর্থে আয়োজন না করে ব্যক্তিগত বা দলীয় অর্থে বড় সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তাবের ক্ষেত্রেও তিনি একই মনোভাব জানিয়েছেন। তাঁর অবস্থান হলো, যে অর্থ ব্যয় না করলেও চলে, সেই ব্যয় এড়িয়ে চলাই উচিত। এর আগে নিউইয়র্কে তারেক রহমানকে বড় পরিসরে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। বিভিন্ন ভেন্যু নিয়েও আলোচনা চলছিল। প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে ম্যানহাটনের বড় হোটেল ও কনভেনশন ভেন্যুর কথাও উঠে আসে। তবে আয়োজনের ক্ষেত্রে অপচয় এড়িয়ে চলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে নির্দেশনার কথা আগেই জানানো হয়েছিল।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় আকারের সেই গণসংবর্ধনা আর হচ্ছে কি না, তা নিয়েই এখন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ছোট পরিসরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে কোনো মতবিনিময় বা সৌজন্য সাক্ষাৎ রাখা হবে কি না, সেটিও চূড়ান্তভাবে জানা যায়নি।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি, পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরার কথা রয়েছে তাঁর ভাষণে।
প্রাথমিক পরিকল্পনায় প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরটি ছিল দীর্ঘতর। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি অনুযায়ী নিউইয়র্কে জাতিসংঘের কর্মসূচি শেষ করে ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর সান ফ্রান্সিসকো যাওয়ার কথা ছিল। সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় কর্মসূচির পরিকল্পনাও ছিল। কিন্তু সর্বশেষ দলীয় সূত্র বলছে, সেই সান ফ্রান্সিসকো সফর আর হচ্ছে না। ক্যালিফোর্নিয়ায় যাতায়াত, অবস্থান এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় এড়িয়ে সরকারি সফর সংক্ষিপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ফলে ২৬ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষ করেই তাঁর বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এর ফলে পূর্বনির্ধারিত সফরসূচির তুলনায় একদিন আগেই দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সরকারের কৃচ্ছ্রতা নীতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই অবস্থান সামঞ্জস্যপূর্ণ। চলতি বছরের এপ্রিলে সরকার সরকারি দপ্তরগুলোতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস ব্যবহারে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত সাশ্রয়সহ বেশ কিছু ব্যয় সংকোচনের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের সরকারি গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দও কমানোর সিদ্ধান্তের আওতায় আনা হয়।
ফলে নিউইয়র্ক সফরকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রস্তুতি থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানের কারণে আয়োজনগুলো এখন নতুনভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তবে প্রধানমন্ত্রীর সংশোধিত সফরসূচি, সান ফ্রান্সিসকো সফর বাতিল এবং ২৫ সেপ্টেম্বরই দেশে ফেরার বিষয়টি সরকারিভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রকাশ্য তথ্যে এখনো বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক যাবেন এবং ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সফরের চূড়ান্ত কর্মসূচি প্রকাশের সময় এ পরিবর্তনগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট হতে পারে।
দলীয় সূত্রগুলোর ভাষ্য, সরকারের কৃচ্ছ্রতা সাধন ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই প্রধানমন্ত্রী বড় ধরনের সংবর্ধনা না নেওয়ার অবস্থান জানিয়েছেন। শুধু সরকারি অর্থে নয়, দলীয় নেতা-কর্মী কিংবা ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিপুল অর্থ ব্যয় করে সংবর্ধনার আয়োজন করাও তিনি সমর্থন করছেন না।
এ বিষয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতাদের আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। আলোচনায় নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে সম্ভাব্য গণসংবর্ধনা এবং যুক্তরাষ্ট্র সফরের অন্যান্য কর্মসূচির বিষয় উঠে আসে।
সূত্রের দাবি, আলোচনায় তারেক রহমান স্পষ্ট করেছেন, সরকার যখন রাষ্ট্রীয় ব্যয়ে কৃচ্ছ্রতা অনুসরণের নীতি নিয়েছে, তখন তাঁর নিজের সফরকে কেন্দ্র করে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করা সেই নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে না। সরকারি অর্থে আয়োজন না করে ব্যক্তিগত বা দলীয় অর্থে বড় সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তাবের ক্ষেত্রেও তিনি একই মনোভাব জানিয়েছেন। তাঁর অবস্থান হলো, যে অর্থ ব্যয় না করলেও চলে, সেই ব্যয় এড়িয়ে চলাই উচিত। এর আগে নিউইয়র্কে তারেক রহমানকে বড় পরিসরে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। বিভিন্ন ভেন্যু নিয়েও আলোচনা চলছিল। প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে ম্যানহাটনের বড় হোটেল ও কনভেনশন ভেন্যুর কথাও উঠে আসে। তবে আয়োজনের ক্ষেত্রে অপচয় এড়িয়ে চলার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে নির্দেশনার কথা আগেই জানানো হয়েছিল।
বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় আকারের সেই গণসংবর্ধনা আর হচ্ছে কি না, তা নিয়েই এখন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ছোট পরিসরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে কোনো মতবিনিময় বা সৌজন্য সাক্ষাৎ রাখা হবে কি না, সেটিও চূড়ান্তভাবে জানা যায়নি।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেবেন। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি, পররাষ্ট্রনীতির অগ্রাধিকার, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরার কথা রয়েছে তাঁর ভাষণে।
প্রাথমিক পরিকল্পনায় প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরটি ছিল দীর্ঘতর। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি অনুযায়ী নিউইয়র্কে জাতিসংঘের কর্মসূচি শেষ করে ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর সান ফ্রান্সিসকো যাওয়ার কথা ছিল। সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় কর্মসূচির পরিকল্পনাও ছিল। কিন্তু সর্বশেষ দলীয় সূত্র বলছে, সেই সান ফ্রান্সিসকো সফর আর হচ্ছে না। ক্যালিফোর্নিয়ায় যাতায়াত, অবস্থান এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় এড়িয়ে সরকারি সফর সংক্ষিপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ফলে ২৬ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষ করেই তাঁর বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
এর ফলে পূর্বনির্ধারিত সফরসূচির তুলনায় একদিন আগেই দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সরকারের কৃচ্ছ্রতা নীতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই অবস্থান সামঞ্জস্যপূর্ণ। চলতি বছরের এপ্রিলে সরকার সরকারি দপ্তরগুলোতে জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস ব্যবহারে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত সাশ্রয়সহ বেশ কিছু ব্যয় সংকোচনের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের সরকারি গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দও কমানোর সিদ্ধান্তের আওতায় আনা হয়।
ফলে নিউইয়র্ক সফরকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রস্তুতি থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানের কারণে আয়োজনগুলো এখন নতুনভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তবে প্রধানমন্ত্রীর সংশোধিত সফরসূচি, সান ফ্রান্সিসকো সফর বাতিল এবং ২৫ সেপ্টেম্বরই দেশে ফেরার বিষয়টি সরকারিভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রকাশ্য তথ্যে এখনো বলা হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক যাবেন এবং ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, সফরের চূড়ান্ত কর্মসূচি প্রকাশের সময় এ পরিবর্তনগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে স্পষ্ট হতে পারে।