দূতাবাস বা কনস্যুলেটে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে যাওয়ার ঝামেলা কমছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের। বিশ্বের ৬৩টি দেশে বাংলাদেশি মিশনগুলো প্রবাসীদের কাছাকাছি এলাকায় গিয়ে মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্পের মাধ্যমে সরকারি সেবা দিচ্ছে। পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব, জন্মনিবন্ধন, নথি সত্যায়নসহ বিভিন্ন সেবা এখন নির্ধারিত সময়ে পৌঁছে যাচ্ছে প্রবাসীদের দোরগোড়ায়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, দূরবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী প্রবাসীদের দূতাবাস বা কনস্যুলেটে গিয়ে সেবা নেয়ার প্রয়োজন কমাতে মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন দূতাবাস ও হাইকমিশন দীর্ঘদিন ধরেই নিয়মিতভাবে এসব ক্যাম্পের আয়োজন করে আসছে। বিশেষ করে যেসব সিটি বা অঞ্চল বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন থেকে অনেক দূরে, সেসব এলাকার প্রবাসীদের জন্য এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্পে বিভিন্ন দেশে প্রবাসীরা নো ভিসা রিকোয়ার্ড, ক্ষমতাপত্র সম্পাদন, নথি সত্যায়ন, দ্বৈত নাগরিকত্বের সনদ এবং জন্মনিবন্ধনসহ নানা ধরনের সেবা পাচ্ছেন। ফলে অনেক ক্ষেত্রে দূতাবাসে যেতে দীর্ঘ ভ্রমণ, কর্মঘণ্টা নষ্ট এবং যাতায়াতের অতিরিক্ত খরচ এড়ানো সম্ভব হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের ক্যাম্প পরিচালনা করছে বাংলাদেশ দূতাবাস। ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ওকলাহোমা সিটিতে মোবাইল কনস্যুলার সেবা দেয়া হয়েছে। এর ফলে ওই এলাকার বাংলাদেশিরা ওয়াশিংটনে দীর্ঘ পথ পাড়ি না দিয়েই নির্ধারিত বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা নেয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় দেশে এ উদ্যোগের গুরুত্ব আরো বেশি। দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বাংলাদেশি প্রবাসীরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসবাস করেন। রাজধানী ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট থাকলেও দূরবর্তী অঙ্গরাজ্যের অনেক প্রবাসীর জন্য এসব স্থানে সরাসরি যাওয়া সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কনস্যুলার ক্যাম্প আয়োজন প্রবাসীদের জন্য বাস্তবিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি শহরে আয়োজিত মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্পে তিন হাজারের বেশি আবেদনকারী সেবা নিয়েছিলেন বলে সে সময়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল। এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে একদিকে যেমন প্রবাসীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে, অন্যদিকে দূতাবাসের সেবাও আরো বিস্তৃত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
প্রবাসীদের কনস্যুলার সেবা আরো সহজলভ্য করার অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি মিশনগুলো নিয়মিতভাবে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ভৌগোলিকভাবে বড় দেশ এবং এশাধিক সিটিতে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসীদের ক্ষেত্রে মোবাইল ক্যাম্প কার্যকর বিকল্প হিসেবে কাজ করছে।
ড. খলিলুর রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, বিশ্বের ৬৩টি দেশে মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প পরিচালনার উদ্যোগ শুধু সরকারি সেবা বিকেন্দ্রীকরণের একটি কার্যকর ব্যবস্থা নয়; এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে রাষ্ট্রের সরাসরি যোগাযোগও জোরদার করছে। নির্ধারিত সময়ে প্রবাসীদের নিজ সিটি বা কাছাকাছি এলাকায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেয়ার ফলে কনস্যুলার কার্যক্রম আরো জনবান্ধব ও সহজপ্রাপ্য হচ্ছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, দূরবর্তী অঞ্চলে বসবাসকারী প্রবাসীদের দূতাবাস বা কনস্যুলেটে গিয়ে সেবা নেয়ার প্রয়োজন কমাতে মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন দূতাবাস ও হাইকমিশন দীর্ঘদিন ধরেই নিয়মিতভাবে এসব ক্যাম্পের আয়োজন করে আসছে। বিশেষ করে যেসব সিটি বা অঞ্চল বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন থেকে অনেক দূরে, সেসব এলাকার প্রবাসীদের জন্য এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্পে বিভিন্ন দেশে প্রবাসীরা নো ভিসা রিকোয়ার্ড, ক্ষমতাপত্র সম্পাদন, নথি সত্যায়ন, দ্বৈত নাগরিকত্বের সনদ এবং জন্মনিবন্ধনসহ নানা ধরনের সেবা পাচ্ছেন। ফলে অনেক ক্ষেত্রে দূতাবাসে যেতে দীর্ঘ ভ্রমণ, কর্মঘণ্টা নষ্ট এবং যাতায়াতের অতিরিক্ত খরচ এড়ানো সম্ভব হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের ক্যাম্প পরিচালনা করছে বাংলাদেশ দূতাবাস। ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে গত ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ওকলাহোমা সিটিতে মোবাইল কনস্যুলার সেবা দেয়া হয়েছে। এর ফলে ওই এলাকার বাংলাদেশিরা ওয়াশিংটনে দীর্ঘ পথ পাড়ি না দিয়েই নির্ধারিত বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা নেয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় দেশে এ উদ্যোগের গুরুত্ব আরো বেশি। দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বাংলাদেশি প্রবাসীরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসবাস করেন। রাজধানী ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট থাকলেও দূরবর্তী অঙ্গরাজ্যের অনেক প্রবাসীর জন্য এসব স্থানে সরাসরি যাওয়া সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে কনস্যুলার ক্যাম্প আয়োজন প্রবাসীদের জন্য বাস্তবিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি শহরে আয়োজিত মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্পে তিন হাজারের বেশি আবেদনকারী সেবা নিয়েছিলেন বলে সে সময়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল। এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে একদিকে যেমন প্রবাসীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে, অন্যদিকে দূতাবাসের সেবাও আরো বিস্তৃত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
প্রবাসীদের কনস্যুলার সেবা আরো সহজলভ্য করার অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি মিশনগুলো নিয়মিতভাবে এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ভৌগোলিকভাবে বড় দেশ এবং এশাধিক সিটিতে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসীদের ক্ষেত্রে মোবাইল ক্যাম্প কার্যকর বিকল্প হিসেবে কাজ করছে।
ড. খলিলুর রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, বিশ্বের ৬৩টি দেশে মোবাইল কনস্যুলার ক্যাম্প পরিচালনার উদ্যোগ শুধু সরকারি সেবা বিকেন্দ্রীকরণের একটি কার্যকর ব্যবস্থা নয়; এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে রাষ্ট্রের সরাসরি যোগাযোগও জোরদার করছে। নির্ধারিত সময়ে প্রবাসীদের নিজ সিটি বা কাছাকাছি এলাকায় সরকারি সেবা পৌঁছে দেয়ার ফলে কনস্যুলার কার্যক্রম আরো জনবান্ধব ও সহজপ্রাপ্য হচ্ছে।