ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশো

‘মব’ আওয়ামী লীগকেও সুফল দেবে না

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪২ , অনলাইন ভার্সন
মবকে প্রেশার গ্রুপ বলে প্রশ্রয় দিয়েছিল ইউনূস সরকার। তাদের কোনো দল না থাকায় তা দিয়ে তারা আসলে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চেয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন দিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে ঠিকই বিদায় নিতে হয়েছে। আওয়ামী লীগও যদি মবের মাধ্যমে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিতে চায়, সেটা থেকে তারা কোনো সুফল পাবে না। বরং তাদের প্রতি মানুষের সহানুভূতি তৈরির যে সম্ভাবনা, তা আরও ক্ষীণ হয়ে যাবে। এসব কথা বলেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশোতে তিনি আরও বলেন, ‘ভেনিসে অভিনেত্রী বাঁধনের প্রতি যা করা হয়েছে, তা চরম নিন্দনীয় কাজ। আবার একটি দলকে যদি দীর্ঘদিন নিষিদ্ধ রাখা হয়, তারা কীভাবে নিজেদের জানান দেবে, সেটাও আমাদের ভাবতে হবে। আওয়ামী লীগকে রিকনসিলিয়েশনের আওতায় না আনলে দেশ আসলে শান্ত হবে না।’

১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার এই টকশোতে অতিথি হিসেবে আরও ছিলেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। নিউইয়র্ক সময় বেলা ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) যা সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন ইউটিউব চ্যানেলে। সমসাময়িক রাজনীতির নানা বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন দুই অতিথি।

মবের মতো অপসংস্কৃতি ইউনূস সরকারের আমলেই শুরু হয়েছে এটা মানতে নারাজ এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেন, ‘চোর পিটিয়ে মারার প্রবণতা অতীতেও আমাদের দেশে ছিল। এর জন্য তাই এককভাবে কোনো সরকারকে দায়ী করা যায় না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ঘাটতি, ন্যায়বিচারের অভাব, সহনশীলতার সংস্কৃতি না থাকা- এসব কারণে মূলত মব বৃদ্ধি পায়।’

তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে থানা-পুলিশ ঠিকঠাক সক্রিয় ছিল না। রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের পর একটি অস্থির সময় থাকে। এমন পরিস্থিতিতে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে যা হতো, সেই তুলনায় এদেশে পরিস্থিতি অতটা খারাপ ছিল না, দাবি করেন ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

এদিকে বর্তমান যে সংসদ তা ‘আদর্শ’ কোনো অবস্থা নির্দেশ করে না বলে মনে করেন জাপার সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে বাস্তবতা হলো যে সংসদে বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামায়াত থাকবে, সেটাই আইডিয়াল সংসদ হবে। ২০১৪ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে সেটার ব্যত্যয় ঘটেছিল। এখন আবার বিএনপি সরকারে, জামায়াত বিরোধী দলে। এটাও আসলে আওয়ামী লীগ না থাকায় হয়েছে। তারা এলে আবার বিএনপি-জামায়াত জোটবদ্ধ হয়ে যেতে পারে।’

‘এখন যারা ক্ষমতায় আছে তারা যদি আওয়ামী লীগকে জামায়াতের স্টেজে নিতে চায়, তাহলে চব্বিশের আন্দোলনে জামায়াত যেভাবে ফিরে এসেছে, যে প্রতিক্রিয়া হয়েছে, একইভাবে আওয়ামী লীগও ফিরে আসতে পারে’, বলেন ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

ছাব্বিশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে না রাখার সিদ্ধান্ত যথার্থ ছিল বলে মনে করেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেন, নতুন প্রেক্ষাপটের কারণে তিয়াত্তরে মুসলিম লীগ কিন্তু নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়নি। তাই যারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল, তাদের এবারের নির্বাচনে থাকার কোনো সুযোগ ছিল না। তবে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ প্রশ্নে সরকারের উদ্যোগে একটি উন্মুক্ত আলোচনা হওয়া দরকার। যেখানে সব পক্ষ মতামত দেবে। তারপর চূড়ান্ত একটি সিদ্ধান্তে যেতে হবে, বলেন তিনি।

ঠিকানা/এনআই
Thikana
M M Shahin, Chairman, Board of Editors, Thikana
Corporate Headquarter
THIKANA : 7409 37th Ave suite 403 Jackson Heights, NY 11372
Phone : 718-472-0700/2428, 718-729-6000
Fax: + 1(866) 805-8806
Bangladesh Bureau
THIKANA : 70/B, Green Road, (Panthapath), 5th Floor, Dhaka, BD.
E-Mail : [email protected]
For Advertisement : [email protected]