
সেপ্টেম্বরে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে চিলি ও বলিভিয়ার বিপক্ষে দুটি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। এই দুই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের জন্য ২৫ জনের দল চূড়ান্ত করেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। ঘোষিত স্কোয়াডে সবচেয়ে বড় অনুপস্থিতির নাম নেইমার। চোটের কারণে বাদ পড়েছেন সান্তোস ফরোয়ার্ড। এছাড়া রিয়াল মাদ্রিদের দুই আক্রমণভাগের তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রদ্রিগোকেও রাখা হয়নি এবার।
এদিকে দীর্ঘ বিরতির পর জাতীয় দলে ফিরেছেন ওয়েস্ট হামের লুকাস পাকেতা। ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার পর এই প্রথম বার আনচেলত্তির ডাকে সাড়া দিতে যাচ্ছেন এই মিডফিল্ডার।
সান্তোসের হয়ে অনুশীলনের সময় ঊরুতে অস্বস্তি অনুভব করেন নেইমার। হাঁটাচলায় সমস্যার কারণে দ্রুতই মেডিকেল পরীক্ষা করানো হয় এবং চোট ধরা পড়ে। ক্লাবটি বিষয়টি জানিয়েছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনকে। এরপর আনচেলত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে দল ঘোষণা করেন, যেখান থেকে বাদ পড়েন ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
চোটের কারণে এর আগেও নেইমারকে বাইরে রেখেছিলেন আনচেলত্তি। তবে তখন সেটা ছিল যৌথ সিদ্ধান্ত, যাতে নেইমার পুরোপুরি ফিট হয়ে ফিরতে পারেন। এ মৌসুমে তিনি নিয়মিতই মাঠে নেমেছেন, গোলও করেছেন—তবু চোট এবার আবার বাধা হয়ে দাঁড়াল জাতীয় দলে ফেরার পথে।
নেইমার প্রসঙ্গে আনচেলত্তি বলেন, ‘সে সম্প্রতি হালকা ইনজুরিতে পড়েছে। আমাদের সামনে দুটি খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ। আমরা চাই এমন খেলোয়াড়, যারা শারীরিকভাবে পুরোপুরি প্রস্তুত। নেইমার আমাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে তাকে পেতে হলে আমরা চাই সে সেরা অবস্থায় থাকুক।’
দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন লুকাস পাকেতা। ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার পর প্রথমবার জাতীয় দলে ফিরছেন তিনি। আনচেলত্তি বলেন, “আমরা তাকে আরও কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করতে চাই। তার মধ্যে কার্যকরী আছে এবং সেটি কাজে লাগানো দরকার।’
চিলির বিপক্ষে ৫ সেপ্টেম্বর এবং বলিভিয়ার বিপক্ষে ১০ সেপ্টেম্বর মাঠে নামবে ব্রাজিল। চিলির বিপক্ষে মাঠে দেখা যাবে না ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে—আগের ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পাওয়ায় তিনি নিষিদ্ধ। আর এক ম্যাচের জন্য ভিন্ন উচ্চতার ভেন্যুতে তাঁকে দলে রাখার প্রয়োজন মনে করেননি কোচ। শুধু তিনিই নন, রিয়াল মাদ্রিদের আর কোনো খেলোয়াড়ই ডাক পাননি এবারের দলে।
চেলসির হয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নজরকাড়া পারফর্ম করা হোয়াও পেদ্রোকে সুযোগ দিয়েছেন আনচেলত্তি। জায়গা পেয়েছেন ক্লাব সতীর্থ তরুণ এস্তেভাও এবং অভিজ্ঞ কাসেমিরোও।
নেইমার শেষবার ব্রাজিলের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন ২০২৩ সালের অক্টোবরে, উরুগুয়ের বিপক্ষে। সেই ম্যাচেই বাঁ হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায় তার। এরপর বারবার চোটে পড়েছেন। এবারের মৌসুমে সান্তোসের জার্সিতে ১৯ ম্যাচে ৬টি গোল করে পুরোনো ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু জাতীয় দলের হয়ে ফেরাটা আপাতত অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়ে গেল।
ব্রাজিল স্কোয়াড:
গোলকিপার: আলিসন (লিভারপুল), বেন্তো (আল নাসর), হুগো সউজা (করিন্থিয়ান্স)। ডিফেন্ডার: আলক্সান্দ্রো রিবেইরো (লিল), অ্যালেক্স সান্দ্রো (ফ্লামেঙ্গো), কাইও হেনরিক (মোনাকো), ডগলাস সান্তোস (জেনিত), ফ্যাব্রিসিও ব্রুনো (ক্রুজেইরো), গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েস (আর্সেনাল), মারকিনিওস (পিএসজি), ভ্যান্ডারসন (মোনাকো), ওয়েসলি (রোমা)।
মিডফিল্ডার: আন্দ্রে সান্তোস (চেলসি), ব্রুনো গিমারেস (নিউক্যাসল), কাসেমিরো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), জোয়েলিংটন (নিউক্যাসল), লুকাস পাকেতা (ওয়েস্ট হাম)।
ফরোয়ার্ড: এস্তেভাও (চেলসি), গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি (আর্সেনাল), হোয়াও পেদ্রো (চেলসি), কাইও হোর্হে (ক্রুজেইরো), লুইস হেনরিক (জেনিত), ম্যাথিউস কুনিয়া (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), রাফিনিয়া (বার্সেলোনা) ও রিচার্লিসন (টটেনহাম)।
ঠিকানা/এএস
এদিকে দীর্ঘ বিরতির পর জাতীয় দলে ফিরেছেন ওয়েস্ট হামের লুকাস পাকেতা। ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার পর এই প্রথম বার আনচেলত্তির ডাকে সাড়া দিতে যাচ্ছেন এই মিডফিল্ডার।
সান্তোসের হয়ে অনুশীলনের সময় ঊরুতে অস্বস্তি অনুভব করেন নেইমার। হাঁটাচলায় সমস্যার কারণে দ্রুতই মেডিকেল পরীক্ষা করানো হয় এবং চোট ধরা পড়ে। ক্লাবটি বিষয়টি জানিয়েছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনকে। এরপর আনচেলত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে দল ঘোষণা করেন, যেখান থেকে বাদ পড়েন ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
চোটের কারণে এর আগেও নেইমারকে বাইরে রেখেছিলেন আনচেলত্তি। তবে তখন সেটা ছিল যৌথ সিদ্ধান্ত, যাতে নেইমার পুরোপুরি ফিট হয়ে ফিরতে পারেন। এ মৌসুমে তিনি নিয়মিতই মাঠে নেমেছেন, গোলও করেছেন—তবু চোট এবার আবার বাধা হয়ে দাঁড়াল জাতীয় দলে ফেরার পথে।
নেইমার প্রসঙ্গে আনচেলত্তি বলেন, ‘সে সম্প্রতি হালকা ইনজুরিতে পড়েছে। আমাদের সামনে দুটি খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ। আমরা চাই এমন খেলোয়াড়, যারা শারীরিকভাবে পুরোপুরি প্রস্তুত। নেইমার আমাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা নতুন করে বলার কিছু নেই। তবে তাকে পেতে হলে আমরা চাই সে সেরা অবস্থায় থাকুক।’
দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন লুকাস পাকেতা। ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার পর প্রথমবার জাতীয় দলে ফিরছেন তিনি। আনচেলত্তি বলেন, “আমরা তাকে আরও কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করতে চাই। তার মধ্যে কার্যকরী আছে এবং সেটি কাজে লাগানো দরকার।’
চিলির বিপক্ষে ৫ সেপ্টেম্বর এবং বলিভিয়ার বিপক্ষে ১০ সেপ্টেম্বর মাঠে নামবে ব্রাজিল। চিলির বিপক্ষে মাঠে দেখা যাবে না ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে—আগের ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পাওয়ায় তিনি নিষিদ্ধ। আর এক ম্যাচের জন্য ভিন্ন উচ্চতার ভেন্যুতে তাঁকে দলে রাখার প্রয়োজন মনে করেননি কোচ। শুধু তিনিই নন, রিয়াল মাদ্রিদের আর কোনো খেলোয়াড়ই ডাক পাননি এবারের দলে।
চেলসির হয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নজরকাড়া পারফর্ম করা হোয়াও পেদ্রোকে সুযোগ দিয়েছেন আনচেলত্তি। জায়গা পেয়েছেন ক্লাব সতীর্থ তরুণ এস্তেভাও এবং অভিজ্ঞ কাসেমিরোও।
নেইমার শেষবার ব্রাজিলের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন ২০২৩ সালের অক্টোবরে, উরুগুয়ের বিপক্ষে। সেই ম্যাচেই বাঁ হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে যায় তার। এরপর বারবার চোটে পড়েছেন। এবারের মৌসুমে সান্তোসের জার্সিতে ১৯ ম্যাচে ৬টি গোল করে পুরোনো ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু জাতীয় দলের হয়ে ফেরাটা আপাতত অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়ে গেল।
ব্রাজিল স্কোয়াড:
গোলকিপার: আলিসন (লিভারপুল), বেন্তো (আল নাসর), হুগো সউজা (করিন্থিয়ান্স)। ডিফেন্ডার: আলক্সান্দ্রো রিবেইরো (লিল), অ্যালেক্স সান্দ্রো (ফ্লামেঙ্গো), কাইও হেনরিক (মোনাকো), ডগলাস সান্তোস (জেনিত), ফ্যাব্রিসিও ব্রুনো (ক্রুজেইরো), গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েস (আর্সেনাল), মারকিনিওস (পিএসজি), ভ্যান্ডারসন (মোনাকো), ওয়েসলি (রোমা)।
মিডফিল্ডার: আন্দ্রে সান্তোস (চেলসি), ব্রুনো গিমারেস (নিউক্যাসল), কাসেমিরো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), জোয়েলিংটন (নিউক্যাসল), লুকাস পাকেতা (ওয়েস্ট হাম)।
ফরোয়ার্ড: এস্তেভাও (চেলসি), গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি (আর্সেনাল), হোয়াও পেদ্রো (চেলসি), কাইও হোর্হে (ক্রুজেইরো), লুইস হেনরিক (জেনিত), ম্যাথিউস কুনিয়া (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), রাফিনিয়া (বার্সেলোনা) ও রিচার্লিসন (টটেনহাম)।
ঠিকানা/এএস