
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেছেন, নির্বাচনকে ঘিরে যারা কালো টাকা ব্যবহার করবেন, ভোটাররা তাদের প্রত্যাখান করুন। ২৫ আগষ্ট (সোমবার) দুপুরে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচনের সময় টাকার খরচ একটু বেড়ে যায় বিভিন্ন কারণে। প্রচার-প্রচারণা এবং আমাদের দেশে ভোটার ক্রয় করারও একটা প্রবণতা আছে। এখানে দুইটা দিক, একটা ডিমান্ড সাইড, একটা সাপ্লাই সাইড। ভোটাররা তো কিছু টাকা চাইবে, কিছু বেনিটিফট চাইবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদেরকে টাকা সাপ্লাই সাইড বন্ধ করতে হবে। এই সাপ্লাই সাইড কারা বন্ধ করবে? যারা টাকা সরবরাহ করে। তো এখানে আমাদের ব্যাংকিং ইন্টেলিজেন্স আছে, আমাদেরও কিছু ভূমিকা আছে। আমরা চেষ্টা করব যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কালো টাকা প্রতিরোধে সাংবাদিকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। কোথাও কোনো জায়গায় যদি বেশি টাকা খরচ হয়, তুলে ধরলে আমাদের চোখে পড়বে। নির্বাচনে যদি প্রার্থী হয় তাহলে অবশ্যই তিনি তার সম্পদের বিবরণ দেবে। সেসব তুলে ধরতে হবে। কেউ যদি সম্পদের বিবরণী লুকায় তাহলে সেগুলো অভিযোগ আকারে দিবেন। দুদক ব্যবস্থা নেবে।
ঠিকানা/এএস
আবদুল মোমেন বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে হুট করে টাকার পরিমাণ বেড়ে গেলে দেশে মূল্যস্ফীতিও দেখা দিতে পারে। কাজেই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে আগে থেকে।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, নির্বাচনের সময় টাকার খরচ একটু বেড়ে যায় বিভিন্ন কারণে। প্রচার-প্রচারণা এবং আমাদের দেশে ভোটার ক্রয় করারও একটা প্রবণতা আছে। এখানে দুইটা দিক, একটা ডিমান্ড সাইড, একটা সাপ্লাই সাইড। ভোটাররা তো কিছু টাকা চাইবে, কিছু বেনিটিফট চাইবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদেরকে টাকা সাপ্লাই সাইড বন্ধ করতে হবে। এই সাপ্লাই সাইড কারা বন্ধ করবে? যারা টাকা সরবরাহ করে। তো এখানে আমাদের ব্যাংকিং ইন্টেলিজেন্স আছে, আমাদেরও কিছু ভূমিকা আছে। আমরা চেষ্টা করব যতটা সম্ভব নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কালো টাকা প্রতিরোধে সাংবাদিকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। কোথাও কোনো জায়গায় যদি বেশি টাকা খরচ হয়, তুলে ধরলে আমাদের চোখে পড়বে। নির্বাচনে যদি প্রার্থী হয় তাহলে অবশ্যই তিনি তার সম্পদের বিবরণ দেবে। সেসব তুলে ধরতে হবে। কেউ যদি সম্পদের বিবরণী লুকায় তাহলে সেগুলো অভিযোগ আকারে দিবেন। দুদক ব্যবস্থা নেবে।
ঠিকানা/এএস
আবদুল মোমেন বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে হুট করে টাকার পরিমাণ বেড়ে গেলে দেশে মূল্যস্ফীতিও দেখা দিতে পারে। কাজেই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে আগে থেকে।