
চিয়া সিড সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সুপারফুড হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ভিটামিন বি১, প্রোটিন, ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই ছোট বীজগুলি ওজন নিয়ন্ত্রণ, ত্বক ও চুলের যত্ন এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে সব মানুষের জন্য চিয়া সীড সমানভাবে নিরাপদ নয়। বিশেষ কিছু গ্রুপের মানুষের জন্য অতিরিক্ত সেবন ক্ষতিকর হতে পারে।
১. হজমের সমস্যা থাকা ব্যক্তিরা : চিয়া সিডের উচ্চ ফাইবার কন্টেন্ট হজমের জন্য সাধারণত ভালো হলেও, আইবিএস বা অন্যান্য অন্ত্রসংক্রান্ত সমস্যায় আক্রান্তদের জন্য এটি সমস্যার কারণ হতে পারে। ফলে পেট ব্যথা, ক্র্যাম্প, ডায়রিয়া এবং ফোলাভাব দেখা দিতে পারে।
পুষ্টিবিদ আবনি কৌল বলেন, ‘হজমের সমস্যা থাকলে চিয়া সিড পরিমাণমতো এবং ভিজিয়ে খাওয়া ভালো, এতে হজম সহজ হয়।’
২. ডায়াবেটিস রোগী ও রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণ ওষুধে থাকা ব্যক্তি : চিয়া সিড রক্তে চিনির মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত গ্রহণ হাইপোগ্লাইসিমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যার ফলে ডায়াবেটিস বা ব্লাড সুগার ওষুধে থাকা ব্যক্তিরা পরিমাণ মনিটর করে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিয়া সীড খাওয়া উচিত।
৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রক ওষুধে থাকা ব্যক্তি : চিয়া সিডে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রাকৃতিকভাবে রক্ত পাতলা করতে সাহায্য করে। ফলে অতিরিক্ত সেবনে রক্তচাপ অনেকটা কমে যেতে পারে, যা মাথা ঘোরা বা মৃদু বমির ঝুঁকি বাড়ায়। এতে রক্তচাপ ওষুধে থাকা ব্যক্তিরা চিয়া সিড যুক্ত করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং রক্তচাপ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন।
৪. এলার্জি প্রবণ ব্যক্তি : কিছু ক্ষেত্রে চিয়া সিড এলার্জি সৃষ্টি করতে পারে। উপসর্গ হিসেবে ত্বকে লালচে দাগ, চুলকানি, বমি বা অজানা রকম অসুবিধা দেখা দিতে পারে। তাই প্রথমবার চিয়া সিড খাওয়ার আগে ছোট পরিমাণ দিয়ে পরীক্ষা করুন। কোনো অসুবিধা দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
চিয়া সিড সঠিকভাবে খাওয়ার নিয়ম
পরিমাণমতো গ্রহণ: দিনে ১-২ টেবিল চামচ পর্যাপ্ত।
ভিজিয়ে খাওয়া : চিয়া সিড ভিজিয়ে খেলে হজম সহজ হয় এবং অন্ত্রসংক্রান্ত সমস্যা কমে।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন : চিয়া সিড অনেক পানি শোষণ করে, তাই দিনে প্রচুর পানি পান করা জরুরি।
চিকিৎসকের পরামর্শ নিন: অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে, গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদান অবস্থায় চিয়া সিড খাওয়ার আগে ডাক্তারকে জানান। তথ্যসূত্র: হেলথ শটস
ঠিকানা/এএস
১. হজমের সমস্যা থাকা ব্যক্তিরা : চিয়া সিডের উচ্চ ফাইবার কন্টেন্ট হজমের জন্য সাধারণত ভালো হলেও, আইবিএস বা অন্যান্য অন্ত্রসংক্রান্ত সমস্যায় আক্রান্তদের জন্য এটি সমস্যার কারণ হতে পারে। ফলে পেট ব্যথা, ক্র্যাম্প, ডায়রিয়া এবং ফোলাভাব দেখা দিতে পারে।
পুষ্টিবিদ আবনি কৌল বলেন, ‘হজমের সমস্যা থাকলে চিয়া সিড পরিমাণমতো এবং ভিজিয়ে খাওয়া ভালো, এতে হজম সহজ হয়।’
২. ডায়াবেটিস রোগী ও রক্তে চিনি নিয়ন্ত্রণ ওষুধে থাকা ব্যক্তি : চিয়া সিড রক্তে চিনির মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। তবে অতিরিক্ত গ্রহণ হাইপোগ্লাইসিমিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যার ফলে ডায়াবেটিস বা ব্লাড সুগার ওষুধে থাকা ব্যক্তিরা পরিমাণ মনিটর করে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিয়া সীড খাওয়া উচিত।
৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রক ওষুধে থাকা ব্যক্তি : চিয়া সিডে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রাকৃতিকভাবে রক্ত পাতলা করতে সাহায্য করে। ফলে অতিরিক্ত সেবনে রক্তচাপ অনেকটা কমে যেতে পারে, যা মাথা ঘোরা বা মৃদু বমির ঝুঁকি বাড়ায়। এতে রক্তচাপ ওষুধে থাকা ব্যক্তিরা চিয়া সিড যুক্ত করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং রক্তচাপ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন।
৪. এলার্জি প্রবণ ব্যক্তি : কিছু ক্ষেত্রে চিয়া সিড এলার্জি সৃষ্টি করতে পারে। উপসর্গ হিসেবে ত্বকে লালচে দাগ, চুলকানি, বমি বা অজানা রকম অসুবিধা দেখা দিতে পারে। তাই প্রথমবার চিয়া সিড খাওয়ার আগে ছোট পরিমাণ দিয়ে পরীক্ষা করুন। কোনো অসুবিধা দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
চিয়া সিড সঠিকভাবে খাওয়ার নিয়ম
পরিমাণমতো গ্রহণ: দিনে ১-২ টেবিল চামচ পর্যাপ্ত।
ভিজিয়ে খাওয়া : চিয়া সিড ভিজিয়ে খেলে হজম সহজ হয় এবং অন্ত্রসংক্রান্ত সমস্যা কমে।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন : চিয়া সিড অনেক পানি শোষণ করে, তাই দিনে প্রচুর পানি পান করা জরুরি।
চিকিৎসকের পরামর্শ নিন: অন্তর্নিহিত স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে, গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদান অবস্থায় চিয়া সিড খাওয়ার আগে ডাক্তারকে জানান। তথ্যসূত্র: হেলথ শটস
ঠিকানা/এএস