বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় একটি হাসপাতালে চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি সন্তান প্রসবের সময় চিকিৎসক ডা. ডোরার মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির উদ্যোগে প্রতিবাদ কর্মসূচি ও গণস্বাক্ষর কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ডা. ডোরার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, তাঁর গর্ভাবস্থায় চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন ডা. রেহনুমা জাহান। ডা. ডোরার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা, চিকিৎসার সিদ্ধান্ত এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলা বা গাফিলতি হয়েছিল —তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৯ সেপ্টেম্বর ফ্লোরিডার মিয়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কাছে ডা. ডোরার মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
কর্মসূচিতে ডা. ডোরার পিতাসহ পরিবারের সদস্য এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় প্রদর্শিত ব্যানারে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগের তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহিতা এবং ন্যায়বিচারের দাবি তুলে ধরা হয়।
ডা. ডোরার পরিবারের সদস্য ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ বলেন, “আমরা কোনো ধরনের প্রতিহিংসা চাই না; আমরা সত্য উদঘাটন ও ন্যায়বিচার চাই।” তারা দাবি করেন, হাসপাতালের মেডিকেল রেকর্ড, চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের দায়িত্ব, চিকিৎসার সিদ্ধান্ত এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ করা হোক।
তারা আরও বলেন, তদন্তে যদি কোনো চিকিৎসক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পেশাগত অবহেলা বা দায়িত্বে গাফিলতি প্রমাণিত হয়, তাহলে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। প্রতিবাদকারীরা বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি মিয়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ কামনা করেন, যাতে ডা. ডোরার পরিবার ন্যায়বিচার পেতে পারে। প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে ডা. ডোরার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, সত্য উদঘাটন, জবাবদিহিতা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
ঠিকানা/শই
ডা. ডোরার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, তাঁর গর্ভাবস্থায় চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন ডা. রেহনুমা জাহান। ডা. ডোরার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা, চিকিৎসার সিদ্ধান্ত এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলা বা গাফিলতি হয়েছিল —তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৯ সেপ্টেম্বর ফ্লোরিডার মিয়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কাছে ডা. ডোরার মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
কর্মসূচিতে ডা. ডোরার পিতাসহ পরিবারের সদস্য এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। এ সময় প্রদর্শিত ব্যানারে চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগের তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহিতা এবং ন্যায়বিচারের দাবি তুলে ধরা হয়।
ডা. ডোরার পরিবারের সদস্য ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ বলেন, “আমরা কোনো ধরনের প্রতিহিংসা চাই না; আমরা সত্য উদঘাটন ও ন্যায়বিচার চাই।” তারা দাবি করেন, হাসপাতালের মেডিকেল রেকর্ড, চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের দায়িত্ব, চিকিৎসার সিদ্ধান্ত এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ করা হোক।
তারা আরও বলেন, তদন্তে যদি কোনো চিকিৎসক বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পেশাগত অবহেলা বা দায়িত্বে গাফিলতি প্রমাণিত হয়, তাহলে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। প্রতিবাদকারীরা বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি মিয়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ কামনা করেন, যাতে ডা. ডোরার পরিবার ন্যায়বিচার পেতে পারে। প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে ডা. ডোরার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, সত্য উদঘাটন, জবাবদিহিতা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
ঠিকানা/শই