জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইয়েমেনে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকে গত এক সপ্তাহে অগণিত মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে, মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে এই বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে গেছে। জাতিসংঘ ১১ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) এই তথ্য জানিয়েছে।
ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা বছরের পর বছর ধরে উত্তর ইয়েমেনের বিশাল এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। গত সপ্তাহে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যাপক আক্রমণ শুরু করে সশস্ত্র সংগঠনটি। এই সংঘাতের ফলে শত শত মানুষের মৃত্যু ঘটেছে এবং হুতিরা একের পর এক বিশাল এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকে অন্তত ৪৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং এই সংখ্যা প্রতি ঘণ্টায় আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। গত মঙ্গলবার জাতিসংঘের এই সংস্থাটি বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার বলে জানিয়েছিল।
হুতিরা গতকাল বৃহস্পতিবার লোহিত সাগরের কৌশলগত বন্দর নগরী মোচা এবং এরপর আজ শুক্রবার বাব আল-মানদেব প্রণালির মধ্যবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ দখল করার পর এই ঘোষণা এলো। হুতি মিডিয়ার শুক্রবারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরব বেশ কিছু বিমান হামলা চালিয়ে এর জবাব দিয়েছে এবং এর মধ্যে সাম্প্রতিক দুটি হামলা মোচা বিমানবন্দরে চালানো হয়।
আাইওএম জানিয়েছে, সংঘাতের কারণে লোহিত সাগরের পশ্চিম উপকূল এবং তাইজ এলাকা জুড়ে এই বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। একই সাথে সংস্থাটি জানায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবারের মধ্যে বিশাল সংখ্যক মানুষকে তাদের জিনিসপত্র নিয়ে মোচা শহর ছেড়ে যেতে দেখার খবর পাওয়া গেছে।
সংস্থাটির মতে, মানুষ উত্তর দিকে সরে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। তাইজের পশ্চিমে পুরো একটি গ্রাম খালি হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। সংস্থাটি আরও জানায়, রসদ সরবরাহের অন্যতম মূল পথ মোচা-তাইজ সড়কটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
আইওএম প্রধান অ্যামি পোপ সতর্ক করে বলেছেন, লড়াই যত ছড়াচ্ছে, জীবনরক্ষাকারী সহায়তা নিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছানো তত কঠিন হয়ে পড়ছে।
এক বিবৃতিতে অ্যামি পোপ বলেন, ‘আমাদের অবিলম্বে নিরাপদ ও বাধাহীন প্রবেশাধিকার প্রয়োজন। সকল পক্ষকে অবশ্যই বেসামরিক নাগরিক ও মানবিক সহায়তা কর্মীদের সুরক্ষা দিতে হবে এবং যার ওপর নির্ভর করে আমরা সাহায্য পৌঁছে দিই। পাশাপাশি রসদ, যানবাহন ও অবকাঠামোগুলোকে নিরাপদ রাখতে হবে।’
ঠিকানা/এএস
ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা বছরের পর বছর ধরে উত্তর ইয়েমেনের বিশাল এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। গত সপ্তাহে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যাপক আক্রমণ শুরু করে সশস্ত্র সংগঠনটি। এই সংঘাতের ফলে শত শত মানুষের মৃত্যু ঘটেছে এবং হুতিরা একের পর এক বিশাল এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকে অন্তত ৪৬ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং এই সংখ্যা প্রতি ঘণ্টায় আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। গত মঙ্গলবার জাতিসংঘের এই সংস্থাটি বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার বলে জানিয়েছিল।
হুতিরা গতকাল বৃহস্পতিবার লোহিত সাগরের কৌশলগত বন্দর নগরী মোচা এবং এরপর আজ শুক্রবার বাব আল-মানদেব প্রণালির মধ্যবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ দখল করার পর এই ঘোষণা এলো। হুতি মিডিয়ার শুক্রবারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরব বেশ কিছু বিমান হামলা চালিয়ে এর জবাব দিয়েছে এবং এর মধ্যে সাম্প্রতিক দুটি হামলা মোচা বিমানবন্দরে চালানো হয়।
আাইওএম জানিয়েছে, সংঘাতের কারণে লোহিত সাগরের পশ্চিম উপকূল এবং তাইজ এলাকা জুড়ে এই বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। একই সাথে সংস্থাটি জানায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবারের মধ্যে বিশাল সংখ্যক মানুষকে তাদের জিনিসপত্র নিয়ে মোচা শহর ছেড়ে যেতে দেখার খবর পাওয়া গেছে।
সংস্থাটির মতে, মানুষ উত্তর দিকে সরে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। তাইজের পশ্চিমে পুরো একটি গ্রাম খালি হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। সংস্থাটি আরও জানায়, রসদ সরবরাহের অন্যতম মূল পথ মোচা-তাইজ সড়কটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
আইওএম প্রধান অ্যামি পোপ সতর্ক করে বলেছেন, লড়াই যত ছড়াচ্ছে, জীবনরক্ষাকারী সহায়তা নিয়ে মানুষের কাছে পৌঁছানো তত কঠিন হয়ে পড়ছে।
এক বিবৃতিতে অ্যামি পোপ বলেন, ‘আমাদের অবিলম্বে নিরাপদ ও বাধাহীন প্রবেশাধিকার প্রয়োজন। সকল পক্ষকে অবশ্যই বেসামরিক নাগরিক ও মানবিক সহায়তা কর্মীদের সুরক্ষা দিতে হবে এবং যার ওপর নির্ভর করে আমরা সাহায্য পৌঁছে দিই। পাশাপাশি রসদ, যানবাহন ও অবকাঠামোগুলোকে নিরাপদ রাখতে হবে।’
ঠিকানা/এএস