ভারতে দুই বছর কারাভোগ শেষে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরলন ৪৭ বাংলাদেশি। এদের মধ্যে ৪ জন নারী ও ৪৩ জন পুরুষ রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিজিবির কাছে তাদের হস্তান্তর করে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান বলেন, আড়াই বছর আগে ভালো কাজের আশায় দালালের খপ্পরে পড়ে এরা সকলে ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে যান। সেখানে বিভিন্ন বাসাবাড়িতে কাজ করার সময় সেদেশের পুলিশের হাতে আটক হন তারা।
তিনি বলেন,সাজার মেয়াদে শেষে এদেরকে তামিলনাড়ুর সালেমের আত্তর ও ত্রিচি ক্যাম্প নামে একটি বেসরকারি শেল্টার হোমে আশ্রয় দেওয়া হয়। পরে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগের পর ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় তারা দেশে ফিরে এসেছেন। তাদের বাড়ি নড়াইল, গোপালগঞ্জ ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায়।
ওসি বলেন, পুলিশ ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে এদেরকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়। তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য থানা থেকে মহিলা আইনজীবী সমিতি, রাইটস যশোর ও জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামে তিনটি এনজিও সংস্থা তাদের গ্রহণ করে।
ঠিকানা/এনআই
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিজিবির কাছে তাদের হস্তান্তর করে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান বলেন, আড়াই বছর আগে ভালো কাজের আশায় দালালের খপ্পরে পড়ে এরা সকলে ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে যান। সেখানে বিভিন্ন বাসাবাড়িতে কাজ করার সময় সেদেশের পুলিশের হাতে আটক হন তারা।
তিনি বলেন,সাজার মেয়াদে শেষে এদেরকে তামিলনাড়ুর সালেমের আত্তর ও ত্রিচি ক্যাম্প নামে একটি বেসরকারি শেল্টার হোমে আশ্রয় দেওয়া হয়। পরে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যোগাযোগের পর ভারত সরকারের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় তারা দেশে ফিরে এসেছেন। তাদের বাড়ি নড়াইল, গোপালগঞ্জ ও সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায়।
ওসি বলেন, পুলিশ ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে এদেরকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়। তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য থানা থেকে মহিলা আইনজীবী সমিতি, রাইটস যশোর ও জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার নামে তিনটি এনজিও সংস্থা তাদের গ্রহণ করে।
ঠিকানা/এনআই