দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে জামাল মিয়া নামের এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি।
নিহত জামাল মিয়া চাঁদপুর মতলব উত্তর উপজেলার সিপাইকান্দি গ্রামের ছিডু মিয়া বেপারির ছেলে। তার বাবা-মা, স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে।
জানা গেছে, জামাল মিয়া ছয় বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় যান। পরে দেশটির রাজধানীতে ভ্যারাইটি সুপারশপে ব্যবসা করতেন। বুধবার রাতে তিনি নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় আগে থেকে প্রস্তুত থাকা সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।
জামালের পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পনামাফিক হত্যা করা হয়েছে। তবে এ ঘটনার সঙ্গে কে বা কারা জড়িত, তা এখনো জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ মর্গে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
এ ঘটনায় তার দোকানের এক কর্মচারীও গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে ওই কর্মচারীর পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহতের বাবা মো. ছিডু মিয়া বেপারী জানান, তার ছেলে পরিবারের সচ্ছলতার জন্য বিদেশে গিয়ে নিজের কষ্টার্জিত অর্থে ব্যবসা করছিলেন। এখন সন্ত্রাসীদের গুলিতে তাকে হারিয়ে পুরো পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। তিনি দ্রুত সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তার ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে নিজ গ্রামের বাড়ি সিপাইকান্দিতে দাফনের ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
ঠিকানা/এনআই
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি।
নিহত জামাল মিয়া চাঁদপুর মতলব উত্তর উপজেলার সিপাইকান্দি গ্রামের ছিডু মিয়া বেপারির ছেলে। তার বাবা-মা, স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে।
জানা গেছে, জামাল মিয়া ছয় বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকায় যান। পরে দেশটির রাজধানীতে ভ্যারাইটি সুপারশপে ব্যবসা করতেন। বুধবার রাতে তিনি নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় আগে থেকে প্রস্তুত থাকা সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।
জামালের পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পনামাফিক হত্যা করা হয়েছে। তবে এ ঘটনার সঙ্গে কে বা কারা জড়িত, তা এখনো জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ মর্গে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
এ ঘটনায় তার দোকানের এক কর্মচারীও গুরুতর আহত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে ওই কর্মচারীর পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহতের বাবা মো. ছিডু মিয়া বেপারী জানান, তার ছেলে পরিবারের সচ্ছলতার জন্য বিদেশে গিয়ে নিজের কষ্টার্জিত অর্থে ব্যবসা করছিলেন। এখন সন্ত্রাসীদের গুলিতে তাকে হারিয়ে পুরো পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। তিনি দ্রুত সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তার ছেলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে এনে নিজ গ্রামের বাড়ি সিপাইকান্দিতে দাফনের ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
ঠিকানা/এনআই