চীনের পূর্বাঞ্চলের একটি বন্দরে নোঙর করা বিদেশি পতাকাবাহী কার্গো জাহাজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে জাহাজে থাকা ৪২ জনের মধ্যে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। চীনা রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, বন্দরনগরী শিংদাওয়ের একটি শিপইয়ার্ডে মেরামতকাজ চলার সময় স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘ওশান মেলোডি’ নামক জাহাজটিতে হঠাৎ আগুন ধরে যায়।
আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
সামুদ্রিক যান চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ‘মেরিন ট্রাফিকের’ তথ্য অনুযায়ী, ১৯০ মিটার (৬২৩ ফুট) দীর্ঘ এই বিশালাকার কার্গো জাহাজটি গত ৩১ আগস্ট শিংদাও বন্দরে পৌঁছেছিল। শিংদাও শহরটি চীনের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং বিশ্বের ব্যস্ততম বন্দরগুলোর একটি।
জাহাজটিতে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, জাহাজটি থেকে কুণ্ডলী পাকিয়ে ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা গেলেও কোনো ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়নি।
এদিকে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার পরপরই চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিখোঁজদের উদ্ধারে সর্বাত্মক অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং ভবিষ্যতে যে কোনো ধরনের দ্বিতীয় দফা ঝুঁকি বা ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। সূত্র: বিবিসি
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, বন্দরনগরী শিংদাওয়ের একটি শিপইয়ার্ডে মেরামতকাজ চলার সময় স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘ওশান মেলোডি’ নামক জাহাজটিতে হঠাৎ আগুন ধরে যায়।
আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
সামুদ্রিক যান চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ‘মেরিন ট্রাফিকের’ তথ্য অনুযায়ী, ১৯০ মিটার (৬২৩ ফুট) দীর্ঘ এই বিশালাকার কার্গো জাহাজটি গত ৩১ আগস্ট শিংদাও বন্দরে পৌঁছেছিল। শিংদাও শহরটি চীনের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং বিশ্বের ব্যস্ততম বন্দরগুলোর একটি।
জাহাজটিতে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, জাহাজটি থেকে কুণ্ডলী পাকিয়ে ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা গেলেও কোনো ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়নি।
এদিকে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার পরপরই চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিখোঁজদের উদ্ধারে সর্বাত্মক অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং ভবিষ্যতে যে কোনো ধরনের দ্বিতীয় দফা ঝুঁকি বা ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। সূত্র: বিবিসি