বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো রোবটের সহায়তায় রোগীর অস্ত্রোপচার শুরু হয়েছে। রাজধানীর মাদানী অ্যাভিনিউয়ের ইউনাইটেড হেলথকেয়ারে সোমবার দুই রোগীর শরীরে রোবোটিক সার্জারি করা হয়। এর মধ্য দিয়ে আধুনিক চিকিৎসাপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের সঙ্গে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকেরা।
প্রথম দিনেই দুটি অস্ত্রোপচার করা হয়। একজন পুরুষ রোগীর পিত্তথলি অপসারণ করেন অধ্যাপক রফিকুস সালেহীন। একই দিনে একজন নারী রোগীর জরায়ু অপসারণ করেন স্ত্রীরোগ বিভাগের অধ্যাপক সামসাদ জাহান। চিকিৎসকদের দাবি, রোবটের সহায়তায় দেশে এ ধরনের অস্ত্রোপচার এর আগে হয়নি।
মঙ্গলবার ইউনাইটেড হেলথকেয়ারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রোবোটিক সার্জারি কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়। ইউনাইটেড হেলথকেয়ার ইউনাইটেড গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান।
‘বাংলাদেশ বিশ্বের সঙ্গে সমান্তরালভাবে যুক্ত হলো’
ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের রোবোটিক সার্জারি বিভাগের কনসালট্যান্ট অধ্যাপক রফিকুস সালেহীন বলেন, প্রযুক্তির দিক থেকে বাংলাদেশ এখনো অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। তবে রোবটের সহায়তায় অস্ত্রোপচারের মতো আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থায় বিশ্বের সঙ্গে সমান্তরালভাবে যুক্ত হতে পারা গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে রোবটের সহায়তায় অস্ত্রোপচার নিজেই আর বিস্ময়কর কোনো বিষয় নয়; বাংলাদেশের মতো একটি দেশের জন্য এই প্রযুক্তিকে চিকিৎসাসেবায় যুক্ত করাই বড় ঘটনা।
জটিল অস্ত্রোপচারে নতুন সম্ভাবনা
অধ্যাপক সামসাদ জাহান বলেন, তিন দশকের চিকিৎসা অভিজ্ঞতায় তিনি দেখেছেন, দেশে কিছু জটিল অস্ত্রোপচার করা অনেক সময় সম্ভব হতো না। রোবটের সহায়তায় এসব অস্ত্রোপচারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
তার মতে, ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের এই উদ্যোগের ফলে চিকিৎসকদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষারও অবসান ঘটেছে।
চিকিৎসকেরা জানান, ‘রোবোটিক সার্জারি’ এবং ‘রোবটের সহায়তায় অস্ত্রোপচার’ মূলত একই পদ্ধতি। এখানে রোবট নিজে অস্ত্রোপচার করে না। একজন প্রশিক্ষিত সার্জনই পুরো প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দেন এবং রোবট তাঁর হাতের নড়াচড়া ও অস্ত্রোপচারের সূক্ষ্ম কাজগুলোকে আরও নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।
এই পদ্ধতিতে সাধারণত অস্ত্রোপচারের ক্ষত তুলনামূলক ছোট হয়, রক্তক্ষরণ কম হতে পারে এবং আশপাশের টিস্যুর ক্ষতির ঝুঁকি কমে। একই সঙ্গে শরীরের ভেতরে অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করার সুবিধা পাওয়া যায়।
চীন ও ভারতের বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে প্রথম অস্ত্রোপচার
ইউনাইটেড হেলথকেয়ার জানিয়েছে, রোবোটিক সার্জারি পরিচালনার জন্য চিকিৎসক ও নার্সদের একটি বিশেষ দল প্রস্তুত করা হয়েছে। চারজন চিকিৎসকসহ বেশ কয়েকজন নার্স চীন থেকে রোবোটিক সার্জারির ওপর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। গত ডিসেম্বর থেকে তাঁরা নিয়মিতভাবে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও অনুশীলন করে আসছেন।
সোমবার প্রথম দুটি অস্ত্রোপচারের সময় চীন ও ভারতের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরাও অস্ত্রোপচারকক্ষে উপস্থিত ছিলেন।
খরচ বাড়বে দুই থেকে তিন গুণ
রোবোটিক সার্জারির ব্যয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট হিসাব দেওয়া হয়নি। তবে অধ্যাপক রফিকুস সালেহীন জানান, প্রচলিত অস্ত্রোপচারের তুলনায় রোবটের সহায়তায় অস্ত্রোপচারে ব্যয় দুই, আড়াই থেকে তিন গুণ পর্যন্ত বেশি হতে পারে।
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, কোনো অস্ত্রোপচারে বর্তমানে যদি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ হয়, রোবোটিক পদ্ধতিতে সেই ব্যয় সাড়ে তিন লাখ থেকে চার লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে একই ধরনের অস্ত্রোপচারের ব্যয় বিশ্বের অন্যান্য দেশে আরও অনেক বেশি।
রোবটের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ও বেশি বলে জানিয়েছেন ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পরিচালক আজহারুল ইসলাম খান।
অনুমোদনের দেড় ঘণ্টার মধ্যেই অস্ত্রোপচার
ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সোমবার সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে রোবোটিক সার্জারি পরিচালনার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়। অনুমোদন পাওয়ার মাত্র দেড় ঘণ্টার মধ্যেই প্রথম অস্ত্রোপচার শুরু করা হয়।
প্রথম দিনের দুটি অস্ত্রোপচারের পর দুই রোগীই সুস্থ আছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে।
‘রোবটও ভুল করতে পারে’
রোবোটিক সার্জারিকে আধুনিক চিকিৎসার ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখলেও এ প্রযুক্তি ব্যবহারে সতর্কতার ওপর জোর দিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদ ও সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মুশতাক হোসেন।
তিনি বলেন, আধুনিক চিকিৎসাপ্রযুক্তি থেকে বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকবে কেন? রোবোটিক সার্জারির মাধ্যমে চিকিৎসাক্ষেত্রে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়েছে।
তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, রোবটও ভুল করতে পারে। তাই এই প্রযুক্তি ব্যবহারে নিবিড় পর্যবেক্ষণ, যথাযথ প্রশিক্ষণ ও কার্যকর তদারকি অত্যন্ত জরুরি।
চিকিৎসায় রোবটের ব্যবহার বাড়ছে
জুলাই অভ্যুত্থানের পর আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসায় চীন সরকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে বেশ কিছু রোবট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত রোবট দেয়। এসব রোবট মূলত আহতদের ফিজিওথেরাপির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের আরও একটি বড় হাসপাতালেও রোবট আনা হয়েছে। তারাও শিগগির রোবোটিক সার্জারি কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রোবোটিক সার্জারির বিস্তার বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থায় প্রযুক্তিনির্ভরতার নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। তবে এর পাশাপাশি প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মান নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে ব্যয় রাখাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান এ কিউ এম মোহসীন ও হৃদরোগ বিভাগের অধ্যাপক মোফাসসাল উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক আরিফুল হক।
ঠিকানা/এসআর
প্রথম দিনেই দুটি অস্ত্রোপচার করা হয়। একজন পুরুষ রোগীর পিত্তথলি অপসারণ করেন অধ্যাপক রফিকুস সালেহীন। একই দিনে একজন নারী রোগীর জরায়ু অপসারণ করেন স্ত্রীরোগ বিভাগের অধ্যাপক সামসাদ জাহান। চিকিৎসকদের দাবি, রোবটের সহায়তায় দেশে এ ধরনের অস্ত্রোপচার এর আগে হয়নি।
মঙ্গলবার ইউনাইটেড হেলথকেয়ারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রোবোটিক সার্জারি কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়। ইউনাইটেড হেলথকেয়ার ইউনাইটেড গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান।
‘বাংলাদেশ বিশ্বের সঙ্গে সমান্তরালভাবে যুক্ত হলো’
ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের রোবোটিক সার্জারি বিভাগের কনসালট্যান্ট অধ্যাপক রফিকুস সালেহীন বলেন, প্রযুক্তির দিক থেকে বাংলাদেশ এখনো অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। তবে রোবটের সহায়তায় অস্ত্রোপচারের মতো আধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থায় বিশ্বের সঙ্গে সমান্তরালভাবে যুক্ত হতে পারা গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে রোবটের সহায়তায় অস্ত্রোপচার নিজেই আর বিস্ময়কর কোনো বিষয় নয়; বাংলাদেশের মতো একটি দেশের জন্য এই প্রযুক্তিকে চিকিৎসাসেবায় যুক্ত করাই বড় ঘটনা।
জটিল অস্ত্রোপচারে নতুন সম্ভাবনা
অধ্যাপক সামসাদ জাহান বলেন, তিন দশকের চিকিৎসা অভিজ্ঞতায় তিনি দেখেছেন, দেশে কিছু জটিল অস্ত্রোপচার করা অনেক সময় সম্ভব হতো না। রোবটের সহায়তায় এসব অস্ত্রোপচারের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।
তার মতে, ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের এই উদ্যোগের ফলে চিকিৎসকদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষারও অবসান ঘটেছে।
চিকিৎসকেরা জানান, ‘রোবোটিক সার্জারি’ এবং ‘রোবটের সহায়তায় অস্ত্রোপচার’ মূলত একই পদ্ধতি। এখানে রোবট নিজে অস্ত্রোপচার করে না। একজন প্রশিক্ষিত সার্জনই পুরো প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দেন এবং রোবট তাঁর হাতের নড়াচড়া ও অস্ত্রোপচারের সূক্ষ্ম কাজগুলোকে আরও নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।
এই পদ্ধতিতে সাধারণত অস্ত্রোপচারের ক্ষত তুলনামূলক ছোট হয়, রক্তক্ষরণ কম হতে পারে এবং আশপাশের টিস্যুর ক্ষতির ঝুঁকি কমে। একই সঙ্গে শরীরের ভেতরে অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করার সুবিধা পাওয়া যায়।
চীন ও ভারতের বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে প্রথম অস্ত্রোপচার
ইউনাইটেড হেলথকেয়ার জানিয়েছে, রোবোটিক সার্জারি পরিচালনার জন্য চিকিৎসক ও নার্সদের একটি বিশেষ দল প্রস্তুত করা হয়েছে। চারজন চিকিৎসকসহ বেশ কয়েকজন নার্স চীন থেকে রোবোটিক সার্জারির ওপর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। গত ডিসেম্বর থেকে তাঁরা নিয়মিতভাবে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও অনুশীলন করে আসছেন।
সোমবার প্রথম দুটি অস্ত্রোপচারের সময় চীন ও ভারতের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরাও অস্ত্রোপচারকক্ষে উপস্থিত ছিলেন।
খরচ বাড়বে দুই থেকে তিন গুণ
রোবোটিক সার্জারির ব্যয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট হিসাব দেওয়া হয়নি। তবে অধ্যাপক রফিকুস সালেহীন জানান, প্রচলিত অস্ত্রোপচারের তুলনায় রোবটের সহায়তায় অস্ত্রোপচারে ব্যয় দুই, আড়াই থেকে তিন গুণ পর্যন্ত বেশি হতে পারে।
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, কোনো অস্ত্রোপচারে বর্তমানে যদি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ হয়, রোবোটিক পদ্ধতিতে সেই ব্যয় সাড়ে তিন লাখ থেকে চার লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে একই ধরনের অস্ত্রোপচারের ব্যয় বিশ্বের অন্যান্য দেশে আরও অনেক বেশি।
রোবটের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ও বেশি বলে জানিয়েছেন ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের পরিচালক আজহারুল ইসলাম খান।
অনুমোদনের দেড় ঘণ্টার মধ্যেই অস্ত্রোপচার
ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সোমবার সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে রোবোটিক সার্জারি পরিচালনার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেয়। অনুমোদন পাওয়ার মাত্র দেড় ঘণ্টার মধ্যেই প্রথম অস্ত্রোপচার শুরু করা হয়।
প্রথম দিনের দুটি অস্ত্রোপচারের পর দুই রোগীই সুস্থ আছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে।
‘রোবটও ভুল করতে পারে’
রোবোটিক সার্জারিকে আধুনিক চিকিৎসার ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখলেও এ প্রযুক্তি ব্যবহারে সতর্কতার ওপর জোর দিয়েছেন জনস্বাস্থ্যবিদ ও সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মুশতাক হোসেন।
তিনি বলেন, আধুনিক চিকিৎসাপ্রযুক্তি থেকে বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকবে কেন? রোবোটিক সার্জারির মাধ্যমে চিকিৎসাক্ষেত্রে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ আরও এক ধাপ এগিয়েছে।
তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, রোবটও ভুল করতে পারে। তাই এই প্রযুক্তি ব্যবহারে নিবিড় পর্যবেক্ষণ, যথাযথ প্রশিক্ষণ ও কার্যকর তদারকি অত্যন্ত জরুরি।
চিকিৎসায় রোবটের ব্যবহার বাড়ছে
জুলাই অভ্যুত্থানের পর আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসায় চীন সরকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে বেশ কিছু রোবট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত রোবট দেয়। এসব রোবট মূলত আহতদের ফিজিওথেরাপির কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের আরও একটি বড় হাসপাতালেও রোবট আনা হয়েছে। তারাও শিগগির রোবোটিক সার্জারি কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রোবোটিক সার্জারির বিস্তার বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থায় প্রযুক্তিনির্ভরতার নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। তবে এর পাশাপাশি প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মান নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে ব্যয় রাখাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান এ কিউ এম মোহসীন ও হৃদরোগ বিভাগের অধ্যাপক মোফাসসাল উদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউনাইটেড হেলথকেয়ারের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক আরিফুল হক।
ঠিকানা/এসআর