নেপালে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত, দুর্গত এলাকা থেকে উদ্ধার ৫৮

প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪:২৩ , অনলাইন ভার্সন
নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও আকস্মিক ঢলের পর শুক্রবার বিভিন্ন দুর্গত এলাকা থেকে ৫৮ জনকে উদ্ধার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। সাতটি সামরিক ও ছয়টি বেসামরিক হেলিকপ্টার ব্যবহার করে তাদের উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে নেপালি আর্মি। মার্কিন বার্তাসংস্থা সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ত্রিশুলি-৩এ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেলে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আটকে থাকার পর অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার হওয়া দুই শ্রমিক। উদ্ধারের পর তাদের আকশপথে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। একই স্থানে একটি মরদেহও উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকারীরা। টানেলের ভেতরে এখনও নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চলছে।

নেপালি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লাংটাং জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেলেও উদ্ধারকারী দল প্রবেশ করে দুটি মরদেহ উদ্ধার করেছে। অন্যদিকে চিলিমে জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সেখানে কাদা ও ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে উদ্ধারকারীরা টানেলের ভেতরে আরও প্রায় ১০০ মিটার অগ্রসর হতে সক্ষম হয়েছেন।

ত্রিশুলি-৩বি ও আপার ত্রিশুলি-১ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের টানেলেও উদ্ধারকারীরা অগ্রগতি করছেন। ত্রিশুলি-৩এ-এর সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে প্রবেশপথের প্রায় ৭০০ মিটার এলাকা থেকে ধ্বংসাবশেষ সরানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। এসব অভিযান পরিচালনায় উদ্ধারকারীরা ভেলা ও নৌকা ব্যবহার করছেন। একই সঙ্গে টানেলের ভেতরে জমে থাকা পানি পাম্প করে বের করে দেওয়ার কাজও চলছে।

এদিকে তাদি নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের জন্য নেপালি সেনাবাহিনীর একটি প্রকৌশল দলকে দেবীঘাট এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগব্যবস্থা দ্রুত পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশটির বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে ৯ হাজার ৩০০-এর বেশি সেনাসদস্য কাজ করছেন। তারা জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়া, বন্ধ হয়ে যাওয়া সড়ক পুনরায় চালু করা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পায়ে হেঁটে টহল দেওয়ার মতো বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

এদিকে ত্রিশুলি উপত্যকার জলবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর টানেলে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অভিযান চালানো হচ্ছে। কয়েক দিন ধরে কাদা, ধ্বংসাবশেষ ও পানিতে আটকে থাকার পর দুই শ্রমিককে জীবিত উদ্ধারের ঘটনা উদ্ধারকারীদের পাশাপাশি নিখোঁজদের স্বজনদের মধ্যেও নতুন আশার সৃষ্টি করেছে।

গত ২৬ আগস্ট নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে হিমবাহ ধসের পর ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ত্রিশুলি উপত্যকার বিভিন্ন এলাকা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন এবং জলবিদ্যুৎ অবকাঠামোরও বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এখনও বিভিন্ন টানেলে আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঠিকানা/এএস
Thikana
M M Shahin, Chairman, Board of Editors, Thikana
Corporate Headquarter
THIKANA : 7409 37th Ave suite 403 Jackson Heights, NY 11372
Phone : 718-472-0700/2428, 718-729-6000
Fax: + 1(866) 805-8806
Bangladesh Bureau
THIKANA : 70/B, Green Road, (Panthapath), 5th Floor, Dhaka, BD.
E-Mail : [email protected]
For Advertisement : [email protected]