বগুড়ার শিবগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী এবং তার স্ত্রী নাজমা আরা বেগম আহত হয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এ দুর্ঘটনায় ফিরোজা বেগম (৫৯) নামের এক প্রতিবন্ধী পথচারী নারী নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে জয়পুরহাট-মোকামতলা আঞ্চলিক মহাসড়কের গোপীনাথপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে দুদিনের সরকারি সফরে জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে প্রোটোকল গাড়িটি সামনে চলে গেলে এক বাকপ্রতিবন্ধী নারী প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির সামনে চলে আসেন। তাকে রক্ষা করতে গিয়ে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি পাশের ধানখেতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী ও তার স্ত্রী আহত হলে তাদের জয়পুরহাটের ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এদিকে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ফিরোজা বেগমকে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তিনি মারা যান। তিনি বগুড়ার শিবগঞ্জের গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী।
জয়পুরহাটের ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরদার রাশেদ মোবারক জানান, প্রতিমন্ত্রীর কোনো হাড় ভাঙেনি। ডান পায়ে সফট টিস্যু ইনজুরি এবং হাত, কাঁধ ও ঘাড়ে সাময়িক আঘাত লেগেছে। পায়ে শর্ট লেগ প্লাস্টারসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক মো. আল-মামুন মিয়া বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে প্রোটেকশন গাড়ির পেছনে এবং তার গাড়ির সামনে একজন বৃদ্ধা মহিলা ঢুকে পড়েন। বৃদ্ধাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রীর গাড়িটি রাস্তা থেকে নিচে নেমে যায় এবং স্যার আঘাতপ্রাপ্ত হন। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।’
ঠিকানা/এনআই
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে জয়পুরহাট-মোকামতলা আঞ্চলিক মহাসড়কের গোপীনাথপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে দুদিনের সরকারি সফরে জয়পুরহাটে যাওয়ার পথে প্রোটোকল গাড়িটি সামনে চলে গেলে এক বাকপ্রতিবন্ধী নারী প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির সামনে চলে আসেন। তাকে রক্ষা করতে গিয়ে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি পাশের ধানখেতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী ও তার স্ত্রী আহত হলে তাদের জয়পুরহাটের ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এদিকে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ফিরোজা বেগমকে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তিনি মারা যান। তিনি বগুড়ার শিবগঞ্জের গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী।
জয়পুরহাটের ৪০০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরদার রাশেদ মোবারক জানান, প্রতিমন্ত্রীর কোনো হাড় ভাঙেনি। ডান পায়ে সফট টিস্যু ইনজুরি এবং হাত, কাঁধ ও ঘাড়ে সাময়িক আঘাত লেগেছে। পায়ে শর্ট লেগ প্লাস্টারসহ প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসক মো. আল-মামুন মিয়া বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে প্রোটেকশন গাড়ির পেছনে এবং তার গাড়ির সামনে একজন বৃদ্ধা মহিলা ঢুকে পড়েন। বৃদ্ধাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রীর গাড়িটি রাস্তা থেকে নিচে নেমে যায় এবং স্যার আঘাতপ্রাপ্ত হন। প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।’
ঠিকানা/এনআই