জাতীয় নির্বাচনের তিন দিন আগে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। পরে তারা দাবি জানায়, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কথা বলেই এটি চূড়ান্ত করা হয়েছিল। জামায়াত এ কথা অস্বীকার করলেও চুক্তিটির বিরোধিতা এখনো করেনি। আবার বিএনপি সরকার গঠন করে মার্কিন চুক্তি অনুযায়ী সব পদক্ষেপ নিচ্ছে। সবটা মিলে এটা স্পষ্ট, বিএনপি-জামায়াত মার্কিনপন্থী অবস্থান নিয়েছে। এমন মন্তব্য করেছেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর।
ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশোতে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম দরিদ্র দেশ। সে ক্ষেত্রে আমরা যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কিনছি, সেটা কি আমাদের অগ্রাধিকারের কাজ ছিল? এতে যথাযথ যাচাই-বাছাই করা হয়েছে কি? আমাদের দেশের একজন মন্ত্রী বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বোয়িং কিনছেন। আমরা কি তাহলে বিত্তবান হয়ে গেলাম? ট্রাম্পের অর্থনৈতিক বিপদ সামলাতে, নিজ দেশের পরিবর্তে তার স্বার্থ দেখতে গিয়ে কি বোয়িং কিনছি আমরা?’
৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার এই টকশোতে একক অতিথি হিসেবে ছিলেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, লেখক ও রাজনীতি বিশ্লেষক নূরুল কবীর। নিউইয়র্ক সময় বেলা ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) যা সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন ইউটিউব চ্যানেলে। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, ভূরাজনীতি, গণমাধ্যমের নানা বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জনপ্রিয় রাজনৈতিক ভাষ্যকার নূরুল কবীর।
বাংলাদেশ মক্কা চুক্তিতে যাবে কি না, এ নিয়ে ভারতকে বিচলিত মনে হচ্ছে। আর চুক্তির অংশীজন পাকিস্তানের অবস্থান স্বভাবতই তার ঠিক উল্টো। অন্যদিকে মক্কা চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইতিবাচক থাকলেও ইসরায়েল কিন্তু এটি পছন্দ করছে না। চীনের অবস্থান কী হবে, সেটাও ভাবার বিষয়। মক্কা চুক্তির একটি প্রভাব অবশ্যই দক্ষিণ এশিয়ায় থাকবে। তাই নানা দিক যাচাই করে এই চুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত- মনে করেন নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর। তিনি বলেন, ‘কথায় আছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যার বন্ধু, তার কোনো শত্রুর প্রয়োজন হয় না। চীনের বেলায়ও এ কথা সত্যি হতে পারে। তাই সতর্কতার সঙ্গে বাংলাদেশকে তার শত্রু-মিত্র নির্ধারণ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতকে এড়িয়ে চলার বিষয়টিও বাস্তব কিছু হবে না। অবশ্যই একটি ‘ওয়ার্কিং রিলেশন’ বজায় রাখতে হবে। অবশ্যই ঢাকাকে নিজের মর্যাদাও মনে রাখতে হবে। আর ভারতকেও এখন এই বাস্তবতা মেনে নিতে হবে, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ভারতের গোলামি করার জন্য নয়। বিগত ১৫ বছর বাংলাদেশ বিষয়ে তারা যে অবস্থান নিয়েছিল, সেখান থেকে সরতে হবে তাদের- যোগ করেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর।
ঠিকানা/এনআই
ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন টকশোতে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম দরিদ্র দেশ। সে ক্ষেত্রে আমরা যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কিনছি, সেটা কি আমাদের অগ্রাধিকারের কাজ ছিল? এতে যথাযথ যাচাই-বাছাই করা হয়েছে কি? আমাদের দেশের একজন মন্ত্রী বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বোয়িং কিনছেন। আমরা কি তাহলে বিত্তবান হয়ে গেলাম? ট্রাম্পের অর্থনৈতিক বিপদ সামলাতে, নিজ দেশের পরিবর্তে তার স্বার্থ দেখতে গিয়ে কি বোয়িং কিনছি আমরা?’
৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার এই টকশোতে একক অতিথি হিসেবে ছিলেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, লেখক ও রাজনীতি বিশ্লেষক নূরুল কবীর। নিউইয়র্ক সময় বেলা ১২টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা) যা সরাসরি সম্প্রচারিত হয় ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন ইউটিউব চ্যানেলে। দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, ভূরাজনীতি, গণমাধ্যমের নানা বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জনপ্রিয় রাজনৈতিক ভাষ্যকার নূরুল কবীর।
বাংলাদেশ মক্কা চুক্তিতে যাবে কি না, এ নিয়ে ভারতকে বিচলিত মনে হচ্ছে। আর চুক্তির অংশীজন পাকিস্তানের অবস্থান স্বভাবতই তার ঠিক উল্টো। অন্যদিকে মক্কা চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইতিবাচক থাকলেও ইসরায়েল কিন্তু এটি পছন্দ করছে না। চীনের অবস্থান কী হবে, সেটাও ভাবার বিষয়। মক্কা চুক্তির একটি প্রভাব অবশ্যই দক্ষিণ এশিয়ায় থাকবে। তাই নানা দিক যাচাই করে এই চুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া উচিত- মনে করেন নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর। তিনি বলেন, ‘কথায় আছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যার বন্ধু, তার কোনো শত্রুর প্রয়োজন হয় না। চীনের বেলায়ও এ কথা সত্যি হতে পারে। তাই সতর্কতার সঙ্গে বাংলাদেশকে তার শত্রু-মিত্র নির্ধারণ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতকে এড়িয়ে চলার বিষয়টিও বাস্তব কিছু হবে না। অবশ্যই একটি ‘ওয়ার্কিং রিলেশন’ বজায় রাখতে হবে। অবশ্যই ঢাকাকে নিজের মর্যাদাও মনে রাখতে হবে। আর ভারতকেও এখন এই বাস্তবতা মেনে নিতে হবে, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ভারতের গোলামি করার জন্য নয়। বিগত ১৫ বছর বাংলাদেশ বিষয়ে তারা যে অবস্থান নিয়েছিল, সেখান থেকে সরতে হবে তাদের- যোগ করেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি নূরুল কবীর।
ঠিকানা/এনআই