নিউইয়র্কে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এ উপলক্ষে ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় আয়োজিত সমাবেশে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী অংশ নেন।
জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন এবং নেতা-কর্মীদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে ডাইভারসিটি প্লাজা। সমাবেশ শেষে কেক কেটে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। একই সঙ্গে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর বিএনপির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক আগমনকে কেন্দ্র করে তাঁকে স্বাগত জানাতে দলীয় নেতা-কর্মী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যাপক অংশগ্রহণের আহ্বান জানান নেতারা।
১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠা করেন। চার দশকেরও বেশি সময়ের রাজনৈতিক পথচলায় দলটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় যেমন একাধিকবার অধিষ্ঠিত হয়েছে, তেমনি দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন, কারাবরণ, নির্যাতন ও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে।
এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বিএনপির নেতা-কর্মীদের কাছে ভিন্ন তাৎপর্য বহন করছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের পর ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করে এবং গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
নিউইয়র্কের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লুর, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য মিজানুর রহমান ভুঁইয়া মিল্টন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শরাফত হোসেন বাবু, সাবেক কোষাধ্যক্ষ জসিম ভূঁইয়া, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সবুর, গোলাম ফারুক শাহীন ও মোশাররফ হোসেন সবুজ, যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আহমদ, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি অলিউল্লাহ আতিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সাঈদ, নারী নেত্রী নীরা রব্বানী, বিএনপি নেতা দেওয়ান কাউসার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, “বিএনপির ইতিহাস শুধু একটি রাজনৈতিক দলের ইতিহাস নয়; এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।”
তারা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক দর্শনের ভিত্তিতে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই আদর্শকে বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এগিয়ে নিয়েছেন। বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলটি নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা, আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের লক্ষ্য সামনে রেখে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।
বক্তারা বলেন, “একসময় যে তারেক রহমানকে দেশের বাইরে থেকে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম পরিচালনা করতে হয়েছে, আজ তিনি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির নেতা-কর্মীদের জন্য এর চেয়ে বড় রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের গল্প খুব বেশি নেই।”
সমাবেশে নেতারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। তারা বলেন, ক্ষমতায় আসার পর প্রথম ছয় মাসেই সরকার জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।
সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ২০০টির বেশি উদ্যোগ ও প্রকল্প গ্রহণের কথা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছিল। ফ্যামিলি কার্ড ও ফারমার কার্ড চালু, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, ক্ষুদ্র কৃষকদের সহায়তা, খাল পুনঃখনন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, এসএমই খাতে সহায়তা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির পদক্ষেপগুলোকে সরকারের উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রথম ১৮০ দিনের মূল্যায়নেও সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততাকে উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে তুলে ধরেছে।
নিউইয়র্কের বিএনপি নেতারা বলেন, “তারেক রহমানের সামনে এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো জনগণের যে বিপুল প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেটিকে বাস্তব পরিবর্তনে রূপ দেওয়া। একটি জবাবদিহিমূলক, আধুনিক, বিনিয়োগবান্ধব ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই এই রাজনৈতিক বিজয়কে অর্থবহ করতে হবে।”
ডাইভারসিটি প্লাজার সমাবেশে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর দলের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক আগমনকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়। তাঁর সফরকে ঘিরে নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ইতোমধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে বলে জানান নেতারা।
তারা বলেন, “২১ সেপ্টেম্বর শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকে স্বাগত জানানোর দিন নয়; এটি প্রবাসে বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোরও উপলক্ষ। আমরা চাই নিউইয়র্কে বাংলাদেশের মানুষের ঐক্য, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা এবং প্রবাসীদের শক্তিশালী উপস্থিতি দৃশ্যমান হোক।”
বিএনপি নেতারা নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, কানেকটিকাট, পেনসিলভানিয়া, ম্যাসাচুসেটসসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান।
তারা বলেন, “দীর্ঘ সংগ্রামের পর বিএনপি আজ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে। তাই এখন আমাদের দায়িত্বও বদলেছে। শুধু স্লোগান নয়, দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশের অগ্রযাত্রার সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত করাই এখন আমাদের প্রধান কাজ।”
কেক কাটার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও ডাইভারসিটি প্লাজায় উপস্থিত নেতা-কর্মীদের আলোচনার বড় অংশজুড়ে ছিল আগামী ২১ সেপ্টেম্বর। তাদের ভাষায়, “প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দের পর নিউইয়র্ক বিএনপির এখন একটাই লক্ষ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্মরণীয়ভাবে বরণ করে নেওয়া।”
জাতীয় ও দলীয় পতাকা, ব্যানার-ফেস্টুন এবং নেতা-কর্মীদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে ডাইভারসিটি প্লাজা। সমাবেশ শেষে কেক কেটে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। একই সঙ্গে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর বিএনপির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক আগমনকে কেন্দ্র করে তাঁকে স্বাগত জানাতে দলীয় নেতা-কর্মী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যাপক অংশগ্রহণের আহ্বান জানান নেতারা।
১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল প্রতিষ্ঠা করেন। চার দশকেরও বেশি সময়ের রাজনৈতিক পথচলায় দলটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় যেমন একাধিকবার অধিষ্ঠিত হয়েছে, তেমনি দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলন, কারাবরণ, নির্যাতন ও নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে।
এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বিএনপির নেতা-কর্মীদের কাছে ভিন্ন তাৎপর্য বহন করছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের পর ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করে এবং গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
নিউইয়র্কের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লুর, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য মিজানুর রহমান ভুঁইয়া মিল্টন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি শরাফত হোসেন বাবু, সাবেক কোষাধ্যক্ষ জসিম ভূঁইয়া, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সবুর, গোলাম ফারুক শাহীন ও মোশাররফ হোসেন সবুজ, যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আহমদ, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি অলিউল্লাহ আতিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান সাঈদ, নারী নেত্রী নীরা রব্বানী, বিএনপি নেতা দেওয়ান কাউসার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, “বিএনপির ইতিহাস শুধু একটি রাজনৈতিক দলের ইতিহাস নয়; এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।”
তারা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনৈতিক দর্শনের ভিত্তিতে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেই আদর্শকে বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এগিয়ে নিয়েছেন। বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলটি নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা, আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের লক্ষ্য সামনে রেখে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।
বক্তারা বলেন, “একসময় যে তারেক রহমানকে দেশের বাইরে থেকে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম পরিচালনা করতে হয়েছে, আজ তিনি জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী। বিএনপির নেতা-কর্মীদের জন্য এর চেয়ে বড় রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের গল্প খুব বেশি নেই।”
সমাবেশে নেতারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন। তারা বলেন, ক্ষমতায় আসার পর প্রথম ছয় মাসেই সরকার জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।
সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ২০০টির বেশি উদ্যোগ ও প্রকল্প গ্রহণের কথা প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছিল। ফ্যামিলি কার্ড ও ফারমার কার্ড চালু, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, ক্ষুদ্র কৃষকদের সহায়তা, খাল পুনঃখনন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, এসএমই খাতে সহায়তা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির পদক্ষেপগুলোকে সরকারের উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
প্রথম ১৮০ দিনের মূল্যায়নেও সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততাকে উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে তুলে ধরেছে।
নিউইয়র্কের বিএনপি নেতারা বলেন, “তারেক রহমানের সামনে এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো জনগণের যে বিপুল প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেটিকে বাস্তব পরিবর্তনে রূপ দেওয়া। একটি জবাবদিহিমূলক, আধুনিক, বিনিয়োগবান্ধব ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার মধ্য দিয়েই এই রাজনৈতিক বিজয়কে অর্থবহ করতে হবে।”
ডাইভারসিটি প্লাজার সমাবেশে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর দলের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক আগমনকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়। তাঁর সফরকে ঘিরে নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ইতোমধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে বলে জানান নেতারা।
তারা বলেন, “২১ সেপ্টেম্বর শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নেতাকে স্বাগত জানানোর দিন নয়; এটি প্রবাসে বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোরও উপলক্ষ। আমরা চাই নিউইয়র্কে বাংলাদেশের মানুষের ঐক্য, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা এবং প্রবাসীদের শক্তিশালী উপস্থিতি দৃশ্যমান হোক।”
বিএনপি নেতারা নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, কানেকটিকাট, পেনসিলভানিয়া, ম্যাসাচুসেটসসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে অবস্থানরত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান।
তারা বলেন, “দীর্ঘ সংগ্রামের পর বিএনপি আজ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে। তাই এখন আমাদের দায়িত্বও বদলেছে। শুধু স্লোগান নয়, দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশের অগ্রযাত্রার সঙ্গে আরও গভীরভাবে যুক্ত করাই এখন আমাদের প্রধান কাজ।”
কেক কাটার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও ডাইভারসিটি প্লাজায় উপস্থিত নেতা-কর্মীদের আলোচনার বড় অংশজুড়ে ছিল আগামী ২১ সেপ্টেম্বর। তাদের ভাষায়, “প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনন্দের পর নিউইয়র্ক বিএনপির এখন একটাই লক্ষ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্মরণীয়ভাবে বরণ করে নেওয়া।”