​কাজী নজরুল ইসলাম ও তাঁর রাজনৈতিক দর্শন

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৫ , অনলাইন ভার্সন
রাজনীতির দর্শন (Political Philosophy) হলো দর্শনের এমন একটি শাখা, যা রাষ্ট্রের নাগরিকের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়ে মৌলিক প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজে। রাজনৈতিক দর্শনের মৌলিক উৎস যেমন নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করতে চায়, তেমনি সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে তার সমাধান নিশ্চিত করে। যেখানে রাজনীতির ধরন, জনগণের মুক্তি, স্বাধীনতার ওপর গুরুত্ব দেয়। মোটকথা, গণমানুষের ন্যায়বিচার, অধিকার নিশ্চিতকরণে আইন প্রণয়ন করে। এটি কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নীতি আলোচনা করে না; বরং-‘রাজনীতি ও রাষ্ট্রের জনগণের স্বার্থে স্থায়ী ব্যবস্থা ও ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করে’।

ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিস্তারের ফলে সমগ্র মানুষের অধিকার বিপন্ন হয়। গণতন্ত্রের সুফল থেকে ভারতের বিশাল জনগোষ্ঠীর ওপর স্টিমরোলার চালানো হয়।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ভারতবর্ষের ভাগ্যবঞ্চিত জনগণের প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করার ডাক দেন। নজরুল শুধু কবি ও শিল্পীই নন, তিনি মানুষের সামগ্রিক মুক্তির চেতনায় উজ্জীবিত রাজনৈতিক চিন্তাবিদ। তাঁর রাজনৈতিক জীবন ও দর্শন ছিল সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী, সাম্যবাদী এবং অসাম্প্রদায়িক।

কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন অমানবিক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী এক অপ্রতিরোধ্য বিদ্রোহী কবি। যিনি সেই কিশোর বয়স থেকেই স্বাধীনতা চেয়েছিলেন। যত দিন তিনি সুস্থ ছিলেন, প্রবল পরিশ্রম ও গণমানুষের স্বার্থে তিনি তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪২ সালের ১০ জুলাই নজরুল মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ, অ-প্রকৃতিস্থ হয়ে পড়েন।

গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে নজরুল যৌবনকাল থেকেই ভারতবর্ষের গণমানুষের মুক্তি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নিজেকে নিয়োজিত করেন। এই লক্ষ্যে তিনি তখনকার বিদ‍্যমান রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন, একই সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা ও সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেতে থাকে।

কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক ভাবনা ও দর্শন কোনো অবস্থাতেই একমুখী ছিল না। তিনি সর্ববৃহৎ মানবিক কল্যাণ ও গণমানুষের অধিকারের স্বার্থে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। তিনিই সর্বপ্রথম ভারতবর্ষের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এই লক্ষ্যে প্রথমে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করেন। ১৯২৫ সালে তিনি ‘লেবার স্বরাজ পার্টি’ গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। ১৯২৬ সালে কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা কেন্দ্র থেকে ‘কেন্দ্রীয় আইনসভা’র নির্বাচনে অংশ নেন।

আমাদের মনে রাখতে হবে, নজরুলের আবির্ভাবের সময়টি কেমন ছিল। কিশোর জীবন থেকে ব্রিটিশ শাসকদের শাসনব্যবস্থা, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক বৈষম্য দেখে দেখে নজরুল বেড়ে উঠেছেন। ভারতে রাজনৈতিক সহিংসতা ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বহুবার সংঘটিত হয়েছে এবং ক্রমাগতভাবে তার বিস্তৃতি ঘটেছিল। ফলে নজরুলের ভেতরে তখন থেকেই রাষ্ট্রীয় শোষণ-নিপীড়ন ও অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার চেতনা বৃদ্ধি পেতে থাকে। তখন থেকেই রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার দীক্ষায় নজরুলের ভেতর রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। সে কারণেই হয়তো মাত্র সতেরো বছর বয়সে তিনি সেনাবাহিনীতে যোগদান করে যুদ্ধে যাওয়ার সংকল্প গ্রহণ করেন।

ভারতবর্ষে ব্রিটিশ আধিপত্যবাদী শাসকদের নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার গণমানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে বিংশ শতাব্দীতে যুবসমাজের মাঝে সশস্ত্র বিপ্লবের উত্থান ঘটে। সরাসরি না হলেও এখানে নজরুলের রাজনৈতিক চিন্তাধারায় ব্রিটিশ-বিরোধী মনোভাব চাঙা হয় এবং বিপ্লবীদের অনুপ্রাণিত করার জন্য কবিতা ও জ্বালাময়ী স্লোগান-বিশিষ্ট সংগীত রচনা করেন।

রাজনৈতিক পটভূমিতে মাঠে-ময়দানে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখার পাশাপাশি যুবসমাজ ও ভারতের গণমানুষের চেতনায় উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে কাজী নজরুল ইসলাম সাংবাদিকতা ও পত্রিকা প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সমগ্র ভারতবর্ষের জনগণের মধে‍্য রাজনৈতিক চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে তিনি ‘লাঙল’ ও ‘ধূমকেতু’র মতো পত্রিকা সম্পাদনা এবং তা নিয়মিত প্রকাশ করা শুরু করেন। এ ছাড়া আরও কয়েকটি পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লেখালেখি করেন, যাতে ভারতের রাজনীতিতে ব্রিটিশবিরোধী চেতনা আরও জোরালো ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। নজরুল সম্পাদিত ‘ধূমকেতু’ পত্রিকাটির ব‍্যাপক প্রসার ও প্রচারের পর জনগণের মাঝে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। ‘ধূমকেতু’র রাজনৈতিক দর্শন ও বিপ্লবী ভাবধারার কারণে নজরুল ব্রিটিশ সরকারের কড়া নজরদারিতে পড়েন। পত্রিকা সম্পাদনের পাশাপাশি নজরুলের জ্বালাময়ী কবিতা প্রকাশিত হতে থাকে।

সেই ধারাবাহিকতায় ‘ধূমকেতু’তে নজরুলের বিখ্যাত কবিতা ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ প্রকাশিত হয়। এই কবিতা সমগ্র ভারতের বাঙালিদের মাঝে বিপুল আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং পত্রিকাটি ব‍্যাপকভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে নজরুলের ওপর ব্রিটিশ সরকারের কঠোর নজরদারি সৃষ্টি হয় এবং তিনি সরকারের রোষানলে পড়েন।

‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতার জন্য ১৯২৩ সালে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে গ্রেফতার করে। কারাগারে রাজবন্দিদের অধিকার আদায়ের দাবিতে এবং বন্দিদের ওপর নির্যাতন বন্ধের প্রতিবাদে তিনি টানা ৩৯ দিন ঐতিহাসিক অনশন পালন করেন। এই ঘটনার পর সমগ্র ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

নজরুলের গ্রেফতারের পর কবি-সাহিত্যিক, যুবসমাজ, ভারতবর্ষের শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদগণ নজরুলের মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন। একইভাবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজে নজরুলের অনশন ভাঙার জন্য জেলখানায় নজরুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন।

রাজনৈতিক দর্শনে দেখা যায়, সাম্রাজ্যবাদ ও উপনিবেশবাদের বিরোধিতা ছিল প্রবল। এখানে নজরুলের প্রধান লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশদের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। তিনি শোষকের সঙ্গে কোনো প্রকার আপস না করে সশস্ত্র ও বৈপ্লবিক আন্দোলনের মাধ্যমে স্বরাজ অর্জনের পক্ষপাতী ছিলেন।

রাজনৈতিক দর্শনে সাম্যবাদ এবং অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক চেতনার পাশাপাশি তিনি মার্ক্সীয় ও সমাজতান্ত্রিক ভাবধারায়ও গভীরভাবে প্রভাবিত হয়ে পড়েছিলেন। কৃষক, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির কথা তিনি তাঁর কবিতা ও প্রবন্ধের পাশাপাশি অসংখ‍্য গান রচনা করেন। অসাম্প্রদায়িকতা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি সকল প্রকার ধর্মীয় গোঁড়ামি ও হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গার কঠোর বিরোধিতার পাশাপাশি কবিতা ও গান রচনা করেন। তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের অন্যতম স্তম্ভ ছিল অসাম্প্রদায়িক সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং হিন্দু-মুসলিম ঐক্য।

সংক্ষেপে, নজরুলের রাজনীতি ছিল সমাজের বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায় এবং যেকোনো ধরনের অন্যায়, বৈষম্য ও রাষ্ট্রীয় শোষণের বিরুদ্ধে গণমানুষের কণ্ঠস্বরকে তীব্র ও সোচ্চার করে তোলা, স্বাধীনতা ও আত্মমর্যাদার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে বেগবান করা।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক দর্শন মূলত সাম্যবাদ, মানবতাবাদ, ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা এবং শোষিত মানুষের মুক্তির চেতনার ওপর প্রতিষ্ঠিত। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, নজরুলের রাজনৈতিক দর্শনের মূল বৈশিষ্ট্য সাম্য ও মানবতাবাদী চেতনার জাগরণ। কেননা তাঁর রাজনৈতিক চিন্তার কেন্দ্রবিন্দু ছিল মানুষ। তিনি ধনী-দরিদ্র, উচ্চ-নীচ সব ভেদাভেদ ভুলে মানুষের সমতা ও মর্যাদার কথা বলেছেন। একইভাবে সমাজতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে কমরেড মুজাফ্‌ফর আহমেদের সান্নিধ্যে এসে তিনি সমাজতান্ত্রিক আদর্শের সঙ্গে পরিচিত হন। যেখানে রুশ বিপ্লবের শ্রমিক শ্রেণির জাগরণ তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।

সাম্রাজ্যবাদ ও উপনিবেশ বিরোধিতার মূলে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন। নজরুল শোষণের বিরুদ্ধে লেখনী ও সরাসরি আন্দোলনের মাধ্যমে সোচ্চার ছিলেন। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ কবিতা ‘বিদ্রোহী’ কবিতা ও অন্যান্য কাব্য সৃষ্টিতে উপনিবেশ শাসনকালের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে শিকল ভাঙার গান রচনা করেন। তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের মধ্য দিয়ে সবার জন্য অবদম্য স্পৃহা প্রকাশ পায়। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির লক্ষ্যে তিনি ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার বা বিভাজনের প্রাচীর হিসেবে দেখতে চাননি। হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের গান গেয়ে তিনি অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রচার করেছেন।

সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক সক্রিয়তায় শিল্প-সাহিত্যের বিকাশ ঘটে, ‘লাঙল’, ‘ধূমকেতু’ ও ‘নবযুগ’ পত্রিকার মাধ্যমে এবং বিভিন্ন সম্পাদকীয়তে ব্রিটিশবিরোধী মনোভাব, সামাজিক বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা তুলে ধরা হয়েছিল।

১৯২৫ সালে কাজী নজরুল ইসলাম প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতিতে যোগদান করেন। এই সময় তিনি বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটির সদস্য হন। নজরুলের অন্যতম রাজনৈতিক সহকর্মী হেমন্তকুমার সরকার কংগ্রেসের সভ্য হওয়া সত্ত্বেও কৃষক আন্দোলনে অধিকতর উৎসাহী ছিলেন। তিনি মাঝে মাঝে কৃষক শ্রমিক, কুলি-মজুর, জেলে ও চাষিদের সভা-সমিতিতে যোগদান করতেন।
১৯২৫ সালের শেষের দিকে কাজী নজরুল ইসলাম, হেমন্তকুমার সরকার, কুতুবুদ্দীন আহমদ ও শামসুদ্দীন হুসাইনের উদ্যোগে কলকাতায় একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠিত হয়। এই পার্টির নাম ‘ভারতীয় জাতীয় মহাসমিতির অন্তর্ভুক্ত মজুর স্বরাজ পার্টি’ (The Labour Swaraj Party of the Indian National Congress) বা ‘শ্রমিক প্রজা স্বরাজ দল’। এই দলের প্রথম ইশতেহারটিও কাজী নজরুল ইসলামের দস্তখতে প্রকাশিত হয়েছিল। পার্টি গঠনের পর তার মুখপত্র হিসেবে ‘সাপ্তাহিক লাঙল’ পত্রিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং ২৬ ডিসেম্বর ১৯২৫ সালে ‘লাঙল’-এর প্রথম বিশেষ সংখ্যা প্রকশিত হয়।

নজরুলের সম্পাদনা ও পরিচালনায় ‘লাঙল’ পত্রিকাটিকে নিয়ে ১০ আগস্ট লেলিনগ্রাদের প্রাচ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ‘আলী দাউদ আলী দত্ত’ নামে পরিচিত প্রখ্যাত বিপ্লবী ‘প্রমথ দত্ত’ একটি পত্রে লেখেন, ‘ভারতের অত্মোৎপন্ন সম্পদে বঞ্চিত সম্প্রদায়ের জাগরণশীল শ্রেণি-চৈতন্যের ‘লাঙল’-ই প্রথম মুখপত্র। একই সঙ্গে নজরুল তাঁর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন পত্রিকার মাধ্যমে তিনি তাঁর রাজনৈতিক ও বিদ্রোহী চেতনার কথা সমগ্র জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দেন।

আদর্শিক বা ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজী নজরুল ইসলাম আজীবন সংগ্রাম করেছেন। সমগ্র ভারতবর্ষের মানুষের কাছে নজরুল বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি, গীতিকার, শিল্পী, বিপ্লবী রাজনীতিক এবং স্বদেশিকতার বোধ ও চেতনার দীপ্ত প্রতীক। সর্বক্ষেত্রেই কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী মানবতাবাদী কবি। তিনি তাঁর সামগ্রিক জীবনের সফলতার জন্য ছিলেন ভারতবর্ষের সর্বশ্রেষ্ঠতম কবি এবং এতটাই জনপ্রিয়
ছিলেন যে ১৯২৯ সালে কলকাতার ‘অ‍্যালবার্ট হলে’ সর্বভারতীয় গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটে। সেই অনুষ্ঠানে নেতাজি সুভাষচন্দ্র ও প্রফুল্লচন্দ্র রায়সহ ভারতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সামগ্রিকভাবে বিচার-বিবেচনায় এটা প্রমাণিত, কাজী নজরুল ইসলামের জীবন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম কবি এবং গণমানুষের মুক্তিসংগ্রামের অন্যতম প্রতীক। তিনি অনির্বাণ ও অবিস্মরণীয়।
লেখক : কবি ও প্রাবন্ধিক
Thikana
M M Shahin, Chairman, Board of Editors, Thikana
Corporate Headquarter
THIKANA : 7409 37th Ave suite 403 Jackson Heights, NY 11372
Phone : 718-472-0700/2428, 718-729-6000
Fax: + 1(866) 805-8806
Bangladesh Bureau
THIKANA : 70/B, Green Road, (Panthapath), 5th Floor, Dhaka, BD.
E-Mail : [email protected]
For Advertisement : [email protected]