লিজিওনেয়ার্স রোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় কুলিং টাওয়ার নজরদারি, দ্রুত পরীক্ষা, আইন প্রয়োগ ও জনসচেতনতা আরও জোরদার করছে নিউইয়র্ক সিটি। আপার ইস্ট সাইডে সাম্প্রতিক কমিউনিটি ক্লাস্টারের পর মেয়র জোহরান মামদানি ও সিটি হেলথ ডিপার্টমেন্ট নতুন এ উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে।
নতুন ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে পাঁচ বরোর নিবন্ধিত কুলিং টাওয়ারের একটি সিটিওয়াইড ম্যাপ তৈরি। এতে সাধারণ মানুষ নিবন্ধিত কুলিং টাওয়ারের অবস্থান, পরিদর্শনের ইতিহাস এবং লিজিওনেলা পরীক্ষার নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, তা দেখতে পারবেন। ম্যাপিং ব্যবস্থা ও জনসচেতনতামূলক প্রচার ২০২৭ সালের বসন্তে চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
মেয়র মামদানি বলেন, সাম্প্রতিক ক্লাস্টার মোকাবিলার অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি কমাতে আরও দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দেওয়ার পর সংকট গভীর হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা না করে আগেভাগেই সমস্যা শনাক্ত ও ব্যবস্থা নেওয়াই লক্ষ্য।
সিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক তদন্তে অনিবন্ধিত কুলিং টাওয়ার শনাক্ত হওয়ায় হেলথ ডিপার্টমেন্ট ও ডিপার্টমেন্ট অব বিল্ডিংসের তথ্যব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হবে। নতুন ভবন বা কুলিং সিস্টেম চালুর আগেই সংশ্লিষ্ট মালিক ও ডেভেলপারদের নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা জানানো হবে।
একই সঙ্গে আইন প্রয়োগও দ্রুত করা হচ্ছে। গত ৮ মে থেকে হেলথ ডিপার্টমেন্ট ৮০০টি মাঠপর্যায়ের পরিদর্শন করেছে। এর মধ্যে ৪৬০টির বেশি পরিদর্শনে অন্তত একটি করে আইন লঙ্ঘনের ঘটনা পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৮০ হাজার ৫০০ ডলার জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
নতুন নিয়মে কুলিং টাওয়ার সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের জন্য সমন জারি হলে প্রশাসনিক শুনানির তারিখ যত দ্রুত আইনগতভাবে সম্ভব নির্ধারণ করা হবে। এতে ভবনমালিকদের ওপর নিয়ম মেনে চলার চাপ বাড়বে বলে আশা করছে সিটি।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ ও উচ্চ আর্দ্রতা লিজিওনেলা ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। এ কারণে হেলথ ডিপার্টমেন্ট একটি বৈজ্ঞানিক পরামর্শক প্যানেল গঠন করবে। প্যানেলটি কুলিং টাওয়ার প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং বিকল্প কুলিং প্রযুক্তির সম্ভাবনা পর্যালোচনা করবে।
লিজিওনেয়ার্স রোগ শনাক্তকরণ আরও দ্রুত করতে পরীক্ষাগারের সক্ষমতাও বাড়ানো হবে। ভবিষ্যতে দ্রুততর কালচার টেস্টিং ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে নমুনার ফল পাওয়ার সময় কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৮ সালের গ্রীষ্মের আগেই অতিরিক্ত জনবল ও পরীক্ষাগার সক্ষমতা প্রস্তুত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
আপার ইস্ট সাইডের চলমান ক্লাস্টারে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ৯৪ জন আক্রান্ত এবং ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে কোনো রোগী হাসপাতালে ভর্তি নেই। স্বাস্থ্য বিভাগ এখনো সম্ভাব্য সংক্রমণের উৎস শনাক্তে জিনোম সিকোয়েন্সিংসহ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
হেলথ ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, আগস্টের শেষ নাগাদ শহরের মোট কুলিং টাওয়ারের ৮১ শতাংশ মাসিক নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার বাধ্যবাধকতা মেনে চলছিল। নতুন উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে ভবিষ্যতে লিজিওনেলা সংক্রমণ দ্রুত শনাক্ত, প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আশা করছে সিটি কর্তৃপক্ষ।
ঠিকানা/এসআর
নতুন ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে পাঁচ বরোর নিবন্ধিত কুলিং টাওয়ারের একটি সিটিওয়াইড ম্যাপ তৈরি। এতে সাধারণ মানুষ নিবন্ধিত কুলিং টাওয়ারের অবস্থান, পরিদর্শনের ইতিহাস এবং লিজিওনেলা পরীক্ষার নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, তা দেখতে পারবেন। ম্যাপিং ব্যবস্থা ও জনসচেতনতামূলক প্রচার ২০২৭ সালের বসন্তে চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
মেয়র মামদানি বলেন, সাম্প্রতিক ক্লাস্টার মোকাবিলার অভিজ্ঞতা থেকে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি কমাতে আরও দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দেওয়ার পর সংকট গভীর হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা না করে আগেভাগেই সমস্যা শনাক্ত ও ব্যবস্থা নেওয়াই লক্ষ্য।
সিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক তদন্তে অনিবন্ধিত কুলিং টাওয়ার শনাক্ত হওয়ায় হেলথ ডিপার্টমেন্ট ও ডিপার্টমেন্ট অব বিল্ডিংসের তথ্যব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো হবে। নতুন ভবন বা কুলিং সিস্টেম চালুর আগেই সংশ্লিষ্ট মালিক ও ডেভেলপারদের নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা জানানো হবে।
একই সঙ্গে আইন প্রয়োগও দ্রুত করা হচ্ছে। গত ৮ মে থেকে হেলথ ডিপার্টমেন্ট ৮০০টি মাঠপর্যায়ের পরিদর্শন করেছে। এর মধ্যে ৪৬০টির বেশি পরিদর্শনে অন্তত একটি করে আইন লঙ্ঘনের ঘটনা পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৮০ হাজার ৫০০ ডলার জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
নতুন নিয়মে কুলিং টাওয়ার সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের জন্য সমন জারি হলে প্রশাসনিক শুনানির তারিখ যত দ্রুত আইনগতভাবে সম্ভব নির্ধারণ করা হবে। এতে ভবনমালিকদের ওপর নিয়ম মেনে চলার চাপ বাড়বে বলে আশা করছে সিটি।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দীর্ঘস্থায়ী তাপপ্রবাহ ও উচ্চ আর্দ্রতা লিজিওনেলা ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে। এ কারণে হেলথ ডিপার্টমেন্ট একটি বৈজ্ঞানিক পরামর্শক প্যানেল গঠন করবে। প্যানেলটি কুলিং টাওয়ার প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং বিকল্প কুলিং প্রযুক্তির সম্ভাবনা পর্যালোচনা করবে।
লিজিওনেয়ার্স রোগ শনাক্তকরণ আরও দ্রুত করতে পরীক্ষাগারের সক্ষমতাও বাড়ানো হবে। ভবিষ্যতে দ্রুততর কালচার টেস্টিং ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে নমুনার ফল পাওয়ার সময় কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৮ সালের গ্রীষ্মের আগেই অতিরিক্ত জনবল ও পরীক্ষাগার সক্ষমতা প্রস্তুত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
আপার ইস্ট সাইডের চলমান ক্লাস্টারে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ৯৪ জন আক্রান্ত এবং ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে কোনো রোগী হাসপাতালে ভর্তি নেই। স্বাস্থ্য বিভাগ এখনো সম্ভাব্য সংক্রমণের উৎস শনাক্তে জিনোম সিকোয়েন্সিংসহ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
হেলথ ডিপার্টমেন্ট জানিয়েছে, আগস্টের শেষ নাগাদ শহরের মোট কুলিং টাওয়ারের ৮১ শতাংশ মাসিক নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার বাধ্যবাধকতা মেনে চলছিল। নতুন উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে ভবিষ্যতে লিজিওনেলা সংক্রমণ দ্রুত শনাক্ত, প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আশা করছে সিটি কর্তৃপক্ষ।
ঠিকানা/এসআর