নজরুল মিন্টু
মূলধারার রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তানভীর শাহনাওয়াজ। টরন্টোর বিচেস–ইস্ট ইয়র্ক আসনের উপনির্বাচনে লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে তিনি হাউস অব কমন্সের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে কানাডার পার্লামেন্টে দ্বিতীয় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি হলেন তানভীর।
ইলেকশনস কানাডার প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, তানভীর পেয়েছেন ১৮ হাজার ৩৬১ ভোট বা ৫৫ দশমিক ৭ শতাংশ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনডিপির শ্যানন ডিভাইন পেয়েছেন ৮ হাজার ৫১২ ভোট বা ২৫ দশমিক ৮ শতাংশ। তানভীরের জয়ের ব্যবধান ৯ হাজার ৮৪৯ ভোট। মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৩২ হাজার ৯৭৩টি এবং ভোটার উপস্থিতি ছিল ৪০ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
টরন্টোর ক্রিসেন্ট টাউন এলাকায় বেড়ে ওঠা তানভীর দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত। তিনি বিচেস–ইস্ট ইয়র্কের সাবেক এমপি নাথানিয়েল আর্সকিন স্মিথের কার্যালয়ে কাজ করেছেন। আর্সকিন স্মিথের পদত্যাগে আসনটি শূন্য হলে লিবারেল পার্টি তাঁকে প্রার্থী করে।
জয়ের পর তানভীর বিচেস–ইস্ট ইয়র্কের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করাকে তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান বলে উল্লেখ করেন। ভোটার, দলীয় নেতা-কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এলাকার প্রতিটি মানুষের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী ও লিবারেল নেতা মার্ক কার্নিও তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তানভীরের বিজয়ে কানাডার বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। এর আগে গত ১৩ এপ্রিল স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে লিবারেল প্রার্থী ডলি বেগম নির্বাচিত হন। তানভীরের জয়ের মধ্য দিয়ে কানাডার হাউস অব কমন্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপির সংখ্যা দাঁড়াল দুজনে।
তানভীর শাহনাওয়াজের এই অর্জন কানাডার মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্বের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
ঠিকানা/এনআই
মূলধারার রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস গড়লেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তানভীর শাহনাওয়াজ। টরন্টোর বিচেস–ইস্ট ইয়র্ক আসনের উপনির্বাচনে লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়ে তিনি হাউস অব কমন্সের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে কানাডার পার্লামেন্টে দ্বিতীয় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি হলেন তানভীর।
ইলেকশনস কানাডার প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, তানভীর পেয়েছেন ১৮ হাজার ৩৬১ ভোট বা ৫৫ দশমিক ৭ শতাংশ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনডিপির শ্যানন ডিভাইন পেয়েছেন ৮ হাজার ৫১২ ভোট বা ২৫ দশমিক ৮ শতাংশ। তানভীরের জয়ের ব্যবধান ৯ হাজার ৮৪৯ ভোট। মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৩২ হাজার ৯৭৩টি এবং ভোটার উপস্থিতি ছিল ৪০ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
টরন্টোর ক্রিসেন্ট টাউন এলাকায় বেড়ে ওঠা তানভীর দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত। তিনি বিচেস–ইস্ট ইয়র্কের সাবেক এমপি নাথানিয়েল আর্সকিন স্মিথের কার্যালয়ে কাজ করেছেন। আর্সকিন স্মিথের পদত্যাগে আসনটি শূন্য হলে লিবারেল পার্টি তাঁকে প্রার্থী করে।
জয়ের পর তানভীর বিচেস–ইস্ট ইয়র্কের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করাকে তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান বলে উল্লেখ করেন। ভোটার, দলীয় নেতা-কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এলাকার প্রতিটি মানুষের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী ও লিবারেল নেতা মার্ক কার্নিও তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
তানভীরের বিজয়ে কানাডার বাংলাদেশি কমিউনিটিতে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। এর আগে গত ১৩ এপ্রিল স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে লিবারেল প্রার্থী ডলি বেগম নির্বাচিত হন। তানভীরের জয়ের মধ্য দিয়ে কানাডার হাউস অব কমন্সে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপির সংখ্যা দাঁড়াল দুজনে।
তানভীর শাহনাওয়াজের এই অর্জন কানাডার মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের ক্রমবর্ধমান অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্বের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
ঠিকানা/এনআই