বাংলা সনে বাংলাদেশের অর্থবছর চালুর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশের বিশিষ্টজনেরা। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের প্রথম প্রস্তাবক হিসেবে লেখক, গবেষক ও কবি সালেম সুলেরীকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
‘বাংলা সনে চাই বাংলাদেশের অর্থবছর’—এই দাবির প্রস্তাবক সালেম সুলেরীর সম্মানে গত ২২ আগস্ট শনিবার বিকেলে রাজধানীর বাংলা একাডেমির আল মাহমুদ চত্বরে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‘বাংলাদেশ শিক্ষা পর্যবেক্ষণ সোসাইটি’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে কথা, কবিতা ও আলোচনা পর্বের পাশাপাশি সালেম সুলেরীকে ‘বাংলা সনে চাই বাংলাদেশের অর্থবছর’ সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর অধ্যাপক আবুবকর হানিপ। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শরীফ আস-সাবের। প্রধান আলোচক ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিটির সম্পাদক সারওয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিক্ষা পর্যবেক্ষণ সোসাইটির চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম।
আলোচনায় অংশ নেন শহীদ আসাদের সহোদর ড. আজিজুল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা ড. জামিরুল আখতার, তাজুল ইসলাম, ‘জলছবি’ সম্পাদক কবি জামসেদ ওয়াজেদ, আশরাফউদ্দিন মামুন, পারভীন নাসের ভাসানী, রাজিয়া রহমান ও মিলি হক। কথা-কবিতায় অংশ নেন কবি হুমায়ূন, রবিউল মাশরাফী, মরিয়ম সাথী, ইলোরা সোমা, আসাদুজ্জামান বিকাশ ও মৌনিতা মৌন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কবি মায়ারাজ ও আবৃত্তিকার রবিউল রবি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আবুবকর হানিপ বলেন, বাংলা সনে বাংলাদেশের অর্থবছর চালুর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের অনেক দেশ অর্থবছরকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বাংলাদেশও বিলম্বে হলেও এ ক্ষেত্রে সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছে।
তিনি বলেন, কবি সালেম সুলেরী এ উদ্যোগের প্রথম প্রস্তাবক। তিনি মেধাবী ও সৃজনশীল মানুষ। তাঁর দীর্ঘদিনের প্রস্তাব বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বিশেষ অতিথি ড. শরীফ আস-সাবেরও উদ্যোগটির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমন আয়োজন অত্যন্ত সময়োপযোগী। জুলাই-জুন অর্থবছরের সঙ্গে বাংলাদেশের বর্ষা ও বন্যার সময়কাল অনেক ক্ষেত্রে সাংঘর্ষিক হওয়ায় উন্নয়ন ও বাজেট বাস্তবায়নে নানা জটিলতা তৈরি হতো। বাংলা সনের সঙ্গে অর্থবছর সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে অর্থের অপচয় রোধ এবং দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
প্রধান আলোচক সারওয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, অর্থবছর যেন ‘ব্যর্থবছর’-এ পরিণত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। অর্থবছরের কাঠামো পরিবর্তনের পাশাপাশি দুর্নীতি প্রতিরোধে সামাজিক জাগরণ গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, লেখক ও গবেষক সালেম সুলেরীর দীর্ঘদিনের প্রস্তাবের যথাযথ মূল্যায়ন করা জাতির প্রত্যাশা।
সংবর্ধনার জবাবে কবি ও কথক সালেম সুলেরী বলেন, এ সম্মাননায় তিনি অভিভূত ও প্রাণিত। বাংলা সনে বাংলাদেশের অর্থবছর চালুর যে প্রস্তাব তিনি দিয়েছিলেন, সেটি রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্ব পাওয়ায় তিনি আনন্দিত। এ উদ্যোগ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গেও একটি নতুন যোগসূত্র তৈরি করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও সংবর্ধিত অতিথিকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম আয়োজনে অংশ নেওয়া সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘চিফ প্যাট্রন’ হিসেবে সালেম সুলেরী সংগঠনকে সমৃদ্ধ করেছেন এবং তাঁর প্রস্তাবের বাস্তবায়নের উদ্যোগ এ আয়োজনকে বিশেষ তাৎপর্য দিয়েছে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, বাংলা সনে বাংলাদেশের অর্থবছর চালুর উদ্যোগ দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের প্রথম প্রস্তাবক সালেম সুলেরীর অবদানও যথাযথভাবে মূল্যায়িত হবে।
‘বাংলা সনে চাই বাংলাদেশের অর্থবছর’—এই দাবির প্রস্তাবক সালেম সুলেরীর সম্মানে গত ২২ আগস্ট শনিবার বিকেলে রাজধানীর বাংলা একাডেমির আল মাহমুদ চত্বরে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‘বাংলাদেশ শিক্ষা পর্যবেক্ষণ সোসাইটি’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে কথা, কবিতা ও আলোচনা পর্বের পাশাপাশি সালেম সুলেরীকে ‘বাংলা সনে চাই বাংলাদেশের অর্থবছর’ সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর অধ্যাপক আবুবকর হানিপ। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শরীফ আস-সাবের। প্রধান আলোচক ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিটির সম্পাদক সারওয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিক্ষা পর্যবেক্ষণ সোসাইটির চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম।
আলোচনায় অংশ নেন শহীদ আসাদের সহোদর ড. আজিজুল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা ড. জামিরুল আখতার, তাজুল ইসলাম, ‘জলছবি’ সম্পাদক কবি জামসেদ ওয়াজেদ, আশরাফউদ্দিন মামুন, পারভীন নাসের ভাসানী, রাজিয়া রহমান ও মিলি হক। কথা-কবিতায় অংশ নেন কবি হুমায়ূন, রবিউল মাশরাফী, মরিয়ম সাথী, ইলোরা সোমা, আসাদুজ্জামান বিকাশ ও মৌনিতা মৌন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কবি মায়ারাজ ও আবৃত্তিকার রবিউল রবি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আবুবকর হানিপ বলেন, বাংলা সনে বাংলাদেশের অর্থবছর চালুর বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের অনেক দেশ অর্থবছরকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বাংলাদেশও বিলম্বে হলেও এ ক্ষেত্রে সঠিক পদক্ষেপ নিয়েছে।
তিনি বলেন, কবি সালেম সুলেরী এ উদ্যোগের প্রথম প্রস্তাবক। তিনি মেধাবী ও সৃজনশীল মানুষ। তাঁর দীর্ঘদিনের প্রস্তাব বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বিশেষ অতিথি ড. শরীফ আস-সাবেরও উদ্যোগটির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমন আয়োজন অত্যন্ত সময়োপযোগী। জুলাই-জুন অর্থবছরের সঙ্গে বাংলাদেশের বর্ষা ও বন্যার সময়কাল অনেক ক্ষেত্রে সাংঘর্ষিক হওয়ায় উন্নয়ন ও বাজেট বাস্তবায়নে নানা জটিলতা তৈরি হতো। বাংলা সনের সঙ্গে অর্থবছর সামঞ্জস্যপূর্ণ হলে অর্থের অপচয় রোধ এবং দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
প্রধান আলোচক সারওয়ার ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, অর্থবছর যেন ‘ব্যর্থবছর’-এ পরিণত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। অর্থবছরের কাঠামো পরিবর্তনের পাশাপাশি দুর্নীতি প্রতিরোধে সামাজিক জাগরণ গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, লেখক ও গবেষক সালেম সুলেরীর দীর্ঘদিনের প্রস্তাবের যথাযথ মূল্যায়ন করা জাতির প্রত্যাশা।
সংবর্ধনার জবাবে কবি ও কথক সালেম সুলেরী বলেন, এ সম্মাননায় তিনি অভিভূত ও প্রাণিত। বাংলা সনে বাংলাদেশের অর্থবছর চালুর যে প্রস্তাব তিনি দিয়েছিলেন, সেটি রাষ্ট্রীয়ভাবে গুরুত্ব পাওয়ায় তিনি আনন্দিত। এ উদ্যোগ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি জাতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গেও একটি নতুন যোগসূত্র তৈরি করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও সংবর্ধিত অতিথিকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম আয়োজনে অংশ নেওয়া সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘চিফ প্যাট্রন’ হিসেবে সালেম সুলেরী সংগঠনকে সমৃদ্ধ করেছেন এবং তাঁর প্রস্তাবের বাস্তবায়নের উদ্যোগ এ আয়োজনকে বিশেষ তাৎপর্য দিয়েছে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, বাংলা সনে বাংলাদেশের অর্থবছর চালুর উদ্যোগ দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে এ উদ্যোগের প্রথম প্রস্তাবক সালেম সুলেরীর অবদানও যথাযথভাবে মূল্যায়িত হবে।