নেপালে আকস্মিক ভয়াবহ বন্যা ও বরফ-কাদার ৭০ ফুট উঁচু ঢলে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে রাসুওয়া অঞ্চল ব্যাপকভাবে বিধ্বস্ত হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৫৭৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ।
প্রলয়ঙ্করী এই দুর্যোগে ভেসে যাওয়া মানুষের মরদেহ দুর্যোগকবলিত এলাকা থেকে কয়েকশ মাইল দূরে গিয়ে পাওয়া যাচ্ছে। রাসুওয়া থেকে প্রায় ২৫০ মাইল দূরে লুম্বিনি প্রদেশে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া নেপালের সীমান্তবর্তী ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তর প্রদেশ ও বিহারেও তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যা মূল কেন্দ্র থেকে শতাধিক মাইল দূরে অবস্থিত। আকস্মিক এই ঢলে গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
উদ্ধার অভিযান ও নতুন ঝুঁকি
নিখোঁজ ও জীবিত ব্যক্তিদের সন্ধানে নেপালজুড়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশের অন্তত পাঁচ হাজার সদস্যের সমন্বয়ে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চলছে। তবে নতুন বিপদের আশঙ্কায় শুক্রবার (২৮ আগস্ট) উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে হয়। ভূমিধস ও ধ্বংসাবশেষে উপত্যকার নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে দুটি নতুন হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, হ্রদ দুটির পানি উপচে পড়লে তা পাহাড় বেয়ে নিচের দিকে নেমে এসে নতুন বিপর্যয় ঘটাতে পারে। এ ছাড়া রাসুওয়ার উপত্যকার উঁচু এলাকায় অবস্থিত ত্রিশূলী বাজারে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায় প্রতিকূল আবহাওয়ায় উদ্ধারকাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ঠিকানা/এনআই
প্রলয়ঙ্করী এই দুর্যোগে ভেসে যাওয়া মানুষের মরদেহ দুর্যোগকবলিত এলাকা থেকে কয়েকশ মাইল দূরে গিয়ে পাওয়া যাচ্ছে। রাসুওয়া থেকে প্রায় ২৫০ মাইল দূরে লুম্বিনি প্রদেশে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া নেপালের সীমান্তবর্তী ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য উত্তর প্রদেশ ও বিহারেও তিনটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যা মূল কেন্দ্র থেকে শতাধিক মাইল দূরে অবস্থিত। আকস্মিক এই ঢলে গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
উদ্ধার অভিযান ও নতুন ঝুঁকি
নিখোঁজ ও জীবিত ব্যক্তিদের সন্ধানে নেপালজুড়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশের অন্তত পাঁচ হাজার সদস্যের সমন্বয়ে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চলছে। তবে নতুন বিপদের আশঙ্কায় শুক্রবার (২৮ আগস্ট) উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে হয়। ভূমিধস ও ধ্বংসাবশেষে উপত্যকার নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে দুটি নতুন হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, হ্রদ দুটির পানি উপচে পড়লে তা পাহাড় বেয়ে নিচের দিকে নেমে এসে নতুন বিপর্যয় ঘটাতে পারে। এ ছাড়া রাসুওয়ার উপত্যকার উঁচু এলাকায় অবস্থিত ত্রিশূলী বাজারে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায় প্রতিকূল আবহাওয়ায় উদ্ধারকাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ঠিকানা/এনআই