যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত কিছু বিদেশি নাগরিকের জন্য নিবন্ধন এখন বাধ্যতামূলক। যাদের আইন অনুযায়ী নিবন্ধন করার কথা, কিন্তু এখনো তা করেননি, তাদের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন করতে হবে।
নিয়ম না মানলে গুনতে হতে পারে বড় অঙ্কের জরিমানা। এমনকি কারাদণ্ডও হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ গত ২৯ জুন বিদেশি নাগরিকদের নিবন্ধন-সংক্রান্ত একটি চূড়ান্ত নিয়ম প্রকাশ করেছে। এতে আগের অন্তর্বর্তী নিয়মকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। নিবন্ধন ও আঙুলের ছাপ দেওয়ার প্রক্রিয়াতেও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী, ১৪ বছর বা তার বেশি বয়সী কিছু বিদেশি নাগরিককে নিবন্ধন করতে হবে। বিশেষ করে, যারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় প্রয়োজনীয়ভাবে নিবন্ধিত ও আঙুলের ছাপ দেওয়া হয়নি এবং ৩০ দিন বা তার বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকবেন, তাদের নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
১৪ বছরের কম বয়সী শিশুর নিবন্ধনের দায়িত্ব বাবা-মা বা আইনগত অভিভাবকের। কোনো নিবন্ধিত শিশু ১৪ বছরে পৌঁছালে জন্মদিনের পর ৩০ দিনের মধ্যে তাকে আবার নিবন্ধন ও আঙুলের ছাপ দিতে হবে। যারা আগে কখনো নিবন্ধন করেননি, তাদের জন্য নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা সংস্থা অনলাইনে জি-৩২৫আর ফরমের মাধ্যমে নিবন্ধনের ব্যবস্থা করেছে। তবে সবাইকে নতুন করে এই ফরম জমা দিতে হবে না। অনেক বিদেশি নাগরিক ইতোমধ্যে ভিসা, আই-৯৪, স্থায়ী বসবাসের কার্ড, কর্মসংস্থান অনুমতিপত্রসহ বিভিন্ন নথির মাধ্যমে নিবন্ধনের শর্ত পূরণ করে থাকতে পারেন।
আইন অনুযায়ী নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে নিবন্ধন বা প্রয়োজনীয় জৈবিক পরিচয়-সংক্রান্ত তথ্য দিতে অস্বীকার করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার জরিমানা, সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি হতে পারে।
তবে কেউ জি-৩২৫আর ফরম জমা দেওয়ার পর জৈবিক পরিচয়-সংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার সাক্ষাতের অপেক্ষায় থাকলে শুধু সাক্ষাতের তারিখ পরে হওয়ার কারণে তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে নিবন্ধন না করা ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করা হবে না।
নিবন্ধন সম্পন্ন হলে স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ থেকে এর প্রমাণপত্র দেওয়া হবে। ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিকে সব সময় এই প্রমাণ নিজের কাছে রাখতে হবে। মুঠোফোনে দেখানো যায় এমন বৈদ্যুতিন কপিও রাখা যাবে। চাইলে প্রমাণপত্রের মুদ্রিত কপিও বহন করা যাবে।
নিবন্ধনের প্রমাণপত্র সঙ্গে না রাখলেও শাস্তির মুখে পড়তে পারেন। দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার জরিমানা, সর্বোচ্চ ৩০ দিনের কারাদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি হতে পারে।
ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও রয়েছে কঠোর নিয়ম। নিবন্ধনের আওতায় থাকা কোনো বিদেশি নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে ঠিকানা পরিবর্তন করলে ১০ দিনের মধ্যে নতুন ঠিকানা নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা সংস্থাকে জানাতে হবে। অনলাইনে নিজের হিসাবের মাধ্যমে দ্রুত ঠিকানা হালনাগাদ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অভিবাসন আদালতে অপসারণের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য নিয়মটি আরও গুরুত্বপূর্ণ। শুধু নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা সংস্থাকে ঠিকানা পরিবর্তনের তথ্য জানালেই হবে না। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অভিবাসন আদালত বা অভিবাসন পর্যালোচনা দপ্তরকেও আলাদাভাবে নতুন ঠিকানা জানাতে হবে। ঠিকানা পরিবর্তনের নিয়ম না মানলেও সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার জরিমানা অথবা ৩০ দিনের কারাদণ্ড হতে পারে। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ঠিকানা হালনাগাদের নিয়ম না মানার কারণে বহিষ্কারের বিষয়ও সামনে আসতে পারে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সব বিদেশি নাগরিককে নতুন করে জি-৩২৫আর ফরম জমা দিতে হবে, এমন ধারণা ঠিক নয়। মার্কিন নাগরিক, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকা ব্যক্তি, ৩০ দিনের কম সময়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বিদেশি নাগরিক এবং আইনে নির্ধারিত কিছু বিশেষ শ্রেণির মানুষ সাধারণভাবে এই নিবন্ধনের আওতায় পড়েন না। এ ছাড়া অনেক স্থায়ী বাসিন্দা, নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অস্থায়ীভাবে প্রবেশের অনুমতি পাওয়া ব্যক্তি, আই-৯৪সহ বিভিন্ন নথিধারী, কর্মসংস্থান অনুমতিপত্রধারী, সীমান্ত পারাপারের কার্ডধারী এবং নির্দিষ্ট আবেদনকারী ইতোমধ্যে নিবন্ধিত হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন। নেক্সাস, সেন্ট্রি, ফাস্ট বা বৈশ্বিক প্রবেশ কর্মসূচির মাধ্যমে সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারীদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে নিবন্ধনের শর্ত পূরণ হয়ে থাকতে পারে। অন্যদিকে যারা ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেননি, নির্ধারিত নিবন্ধনের প্রমাণপত্র পাননি কিংবা প্রয়োজনীয় আঙুলের ছাপ দেননি, তারা নিবন্ধিত হিসেবে বিবেচিত নাও হতে পারেন। পরিদর্শন ও অনুমোদন ছাড়া প্রবেশকারী এবং নির্দিষ্ট কানাডীয় দর্শনার্থীরাও এর আওতায় পড়তে পারেন। নিবন্ধনের জন্য প্রত্যেক ব্যক্তির নিজস্ব অনলাইন হিসাব থাকতে হবে। ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুর জন্যও তার নামে পৃথক হিসাব তৈরি করতে হবে। জি-৩২৫আর ফরম অনলাইনে জমা দিতে হবে। ডাকযোগে বা সরাসরি গিয়ে এই ফরম জমা দেওয়ার সুযোগ নেই।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নিবন্ধন নিজে কোনো অভিবাসন মর্যাদা নয়। এটি কাজের অনুমতিও দেয় না। আইনের অধীনে নতুন কোনো অধিকার বা সুবিধাও তৈরি করে না। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ সব বিদেশি নাগরিককে তাই নিজেদের অভিবাসন পরিস্থিতি অনুযায়ী বিষয়টি যাচাই করতে হবে। শুধু যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন বলেই নতুন করে জি-৩২৫আর জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। আবার যারা প্রবেশের সময় নিবন্ধিত হননি এবং ৩০ দিন বা তার বেশি সময় অবস্থান করছেন, তাদের জন্য নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে।
স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের ২৯ জুনের চূড়ান্ত নিয়মের পাশাপাশি নিবন্ধন ও আঙুলের ছাপসংক্রান্ত আরও কিছু সম্ভাব্য পরিবর্তনের বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়েছে। এসব প্রস্তাবের ওপর মতামত দেওয়ার শেষ তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৬।
নিয়ম না মানলে গুনতে হতে পারে বড় অঙ্কের জরিমানা। এমনকি কারাদণ্ডও হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ গত ২৯ জুন বিদেশি নাগরিকদের নিবন্ধন-সংক্রান্ত একটি চূড়ান্ত নিয়ম প্রকাশ করেছে। এতে আগের অন্তর্বর্তী নিয়মকে চূড়ান্ত করা হয়েছে। নিবন্ধন ও আঙুলের ছাপ দেওয়ার প্রক্রিয়াতেও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী, ১৪ বছর বা তার বেশি বয়সী কিছু বিদেশি নাগরিককে নিবন্ধন করতে হবে। বিশেষ করে, যারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় প্রয়োজনীয়ভাবে নিবন্ধিত ও আঙুলের ছাপ দেওয়া হয়নি এবং ৩০ দিন বা তার বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকবেন, তাদের নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
১৪ বছরের কম বয়সী শিশুর নিবন্ধনের দায়িত্ব বাবা-মা বা আইনগত অভিভাবকের। কোনো নিবন্ধিত শিশু ১৪ বছরে পৌঁছালে জন্মদিনের পর ৩০ দিনের মধ্যে তাকে আবার নিবন্ধন ও আঙুলের ছাপ দিতে হবে। যারা আগে কখনো নিবন্ধন করেননি, তাদের জন্য নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা সংস্থা অনলাইনে জি-৩২৫আর ফরমের মাধ্যমে নিবন্ধনের ব্যবস্থা করেছে। তবে সবাইকে নতুন করে এই ফরম জমা দিতে হবে না। অনেক বিদেশি নাগরিক ইতোমধ্যে ভিসা, আই-৯৪, স্থায়ী বসবাসের কার্ড, কর্মসংস্থান অনুমতিপত্রসহ বিভিন্ন নথির মাধ্যমে নিবন্ধনের শর্ত পূরণ করে থাকতে পারেন।
আইন অনুযায়ী নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে নিবন্ধন বা প্রয়োজনীয় জৈবিক পরিচয়-সংক্রান্ত তথ্য দিতে অস্বীকার করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার জরিমানা, সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি হতে পারে।
তবে কেউ জি-৩২৫আর ফরম জমা দেওয়ার পর জৈবিক পরিচয়-সংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার সাক্ষাতের অপেক্ষায় থাকলে শুধু সাক্ষাতের তারিখ পরে হওয়ার কারণে তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে নিবন্ধন না করা ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করা হবে না।
নিবন্ধন সম্পন্ন হলে স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ থেকে এর প্রমাণপত্র দেওয়া হবে। ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী ব্যক্তিকে সব সময় এই প্রমাণ নিজের কাছে রাখতে হবে। মুঠোফোনে দেখানো যায় এমন বৈদ্যুতিন কপিও রাখা যাবে। চাইলে প্রমাণপত্রের মুদ্রিত কপিও বহন করা যাবে।
নিবন্ধনের প্রমাণপত্র সঙ্গে না রাখলেও শাস্তির মুখে পড়তে পারেন। দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার জরিমানা, সর্বোচ্চ ৩০ দিনের কারাদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি হতে পারে।
ঠিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও রয়েছে কঠোর নিয়ম। নিবন্ধনের আওতায় থাকা কোনো বিদেশি নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে ঠিকানা পরিবর্তন করলে ১০ দিনের মধ্যে নতুন ঠিকানা নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা সংস্থাকে জানাতে হবে। অনলাইনে নিজের হিসাবের মাধ্যমে দ্রুত ঠিকানা হালনাগাদ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অভিবাসন আদালতে অপসারণের প্রক্রিয়ায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য নিয়মটি আরও গুরুত্বপূর্ণ। শুধু নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা সংস্থাকে ঠিকানা পরিবর্তনের তথ্য জানালেই হবে না। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অভিবাসন আদালত বা অভিবাসন পর্যালোচনা দপ্তরকেও আলাদাভাবে নতুন ঠিকানা জানাতে হবে। ঠিকানা পরিবর্তনের নিয়ম না মানলেও সর্বোচ্চ ৫ হাজার ডলার জরিমানা অথবা ৩০ দিনের কারাদণ্ড হতে পারে। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ঠিকানা হালনাগাদের নিয়ম না মানার কারণে বহিষ্কারের বিষয়ও সামনে আসতে পারে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সব বিদেশি নাগরিককে নতুন করে জি-৩২৫আর ফরম জমা দিতে হবে, এমন ধারণা ঠিক নয়। মার্কিন নাগরিক, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকা ব্যক্তি, ৩০ দিনের কম সময়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বিদেশি নাগরিক এবং আইনে নির্ধারিত কিছু বিশেষ শ্রেণির মানুষ সাধারণভাবে এই নিবন্ধনের আওতায় পড়েন না। এ ছাড়া অনেক স্থায়ী বাসিন্দা, নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অস্থায়ীভাবে প্রবেশের অনুমতি পাওয়া ব্যক্তি, আই-৯৪সহ বিভিন্ন নথিধারী, কর্মসংস্থান অনুমতিপত্রধারী, সীমান্ত পারাপারের কার্ডধারী এবং নির্দিষ্ট আবেদনকারী ইতোমধ্যে নিবন্ধিত হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন। নেক্সাস, সেন্ট্রি, ফাস্ট বা বৈশ্বিক প্রবেশ কর্মসূচির মাধ্যমে সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারীদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে নিবন্ধনের শর্ত পূরণ হয়ে থাকতে পারে। অন্যদিকে যারা ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেননি, নির্ধারিত নিবন্ধনের প্রমাণপত্র পাননি কিংবা প্রয়োজনীয় আঙুলের ছাপ দেননি, তারা নিবন্ধিত হিসেবে বিবেচিত নাও হতে পারেন। পরিদর্শন ও অনুমোদন ছাড়া প্রবেশকারী এবং নির্দিষ্ট কানাডীয় দর্শনার্থীরাও এর আওতায় পড়তে পারেন। নিবন্ধনের জন্য প্রত্যেক ব্যক্তির নিজস্ব অনলাইন হিসাব থাকতে হবে। ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুর জন্যও তার নামে পৃথক হিসাব তৈরি করতে হবে। জি-৩২৫আর ফরম অনলাইনে জমা দিতে হবে। ডাকযোগে বা সরাসরি গিয়ে এই ফরম জমা দেওয়ার সুযোগ নেই।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নিবন্ধন নিজে কোনো অভিবাসন মর্যাদা নয়। এটি কাজের অনুমতিও দেয় না। আইনের অধীনে নতুন কোনো অধিকার বা সুবিধাও তৈরি করে না। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ সব বিদেশি নাগরিককে তাই নিজেদের অভিবাসন পরিস্থিতি অনুযায়ী বিষয়টি যাচাই করতে হবে। শুধু যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন বলেই নতুন করে জি-৩২৫আর জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। আবার যারা প্রবেশের সময় নিবন্ধিত হননি এবং ৩০ দিন বা তার বেশি সময় অবস্থান করছেন, তাদের জন্য নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে।
স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের ২৯ জুনের চূড়ান্ত নিয়মের পাশাপাশি নিবন্ধন ও আঙুলের ছাপসংক্রান্ত আরও কিছু সম্ভাব্য পরিবর্তনের বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়েছে। এসব প্রস্তাবের ওপর মতামত দেওয়ার শেষ তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৬।