নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি বাংলা বলছেন, এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিন্তু সমস্যা হলো, বাংলাটা একটু বেশিই ঠিকঠাক হয়ে গেছে! আর সেখান থেকেই নিউইয়র্কবাসীর একাংশের সন্দেহ- “এটা কি সত্যিই মামদানি, নাকি পেছনে এআই-এর কোনো কারসাজি আছে?
নিউইয়র্ক সিটির শিক্ষার্থীদের জন্য ২,০০০টি বিনামূল্যের ব্রডওয়ে টিকিটের প্রচারে সম্প্রতি বাংলা, ম্যান্ডারিন ও স্প্যানিশ ভাষায় ভিডিও প্রকাশ করেন মেয়র মামদানি। বাংলা ভিডিওতে তাঁর উচ্চারণ শুনে অনেক বাঙালিই প্রশংসা করেন। কিন্তু ম্যান্ডারিন ভিডিও প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় গোয়েন্দাগিরি।
কারও মন্তব্য-উচ্চারণ এত ভালো কেন? কারও সন্দেহ- এআই দিয়ে কি ভাষাটা একটু “পালিশ” করে দেওয়া হয়েছে?
অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে মামদানির প্রেস সেক্রেটারিকেই প্রকাশ্যে বলতে হয়-না ভাই, এটা এআই নয়!
মজার ব্যাপার হলো, মামদানি নিজেই ম্যান্ডারিন ভাষার ভিডিওতে জানিয়েছেন যে তিনি আসলে ম্যান্ডারিন বলতে পারেন না। স্কুলে পড়ার সময় ভাষাটি শিখেছিলেন, কিন্তু বহু বছর ধরে ব্যবহার করেননি। তারপরও ৪১ সেকেন্ডের বক্তব্যে তাঁর উচ্চারণ শুনে নেটিজেনদের একাংশের বিশ্বাসই হচ্ছিল না।
একজন ম্যান্ডারিন ভাষাভাষীর মূল্যায়ন ছিল অনেকটা এমন—ভাষাটা সম্ভবত খুব একটা জানেন না, তবে বক্তৃতাটা যে বেশ ভালোভাবে মুখস্থ করেছেন, সেটা বোঝা যাচ্ছে।
আর বাংলা?
বাংলাভাষীদের বড় একটি অংশের রায়—**মামদানির বাংলা মোটেও খারাপ নয়।
অর্থাৎ নিউইয়র্কের রাজনীতিতে এখন নতুন এক ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে:
আগে রাজনীতিবিদ ভুল বললে মানুষ সমালোচনা করত, এখন **বেশি ভালো বললেও সন্দেহ করছে—“অও নাকি?”
তবে মামদানির জন্য বিষয়টি একেবারে নতুন নয়। গত বছর তাঁর স্প্যানিশ ভাষার ভিডিও নিয়েও একই অভিযোগ উঠেছিল। তখন তাঁর পক্ষ থেকে অও ব্যবহারের অভিযোগ খণ্ডন করতে প্রকাশ করা হয়েছিল একের পর এক ভুল উচ্চারণ ও ব্যর্থ টেকের ‘ব্লুপার রিল’।
সব মিলিয়ে মামদানির ভাষাজ্ঞান নিয়ে রহস্যের সমাধান আপাতত এমন-
**বাংলা: মানুষ পাস করেছে।
ম্যান্ডারিন: মানুষ পাস করেছে।
অও পরীক্ষা: মেয়রের অফিস বলছে—নেগেটিভ।
আর নিউইয়র্কবাসীর সন্দেহ? সেটি এখনও পজিটিভ!
নিউইয়র্ক সিটির শিক্ষার্থীদের জন্য ২,০০০টি বিনামূল্যের ব্রডওয়ে টিকিটের প্রচারে সম্প্রতি বাংলা, ম্যান্ডারিন ও স্প্যানিশ ভাষায় ভিডিও প্রকাশ করেন মেয়র মামদানি। বাংলা ভিডিওতে তাঁর উচ্চারণ শুনে অনেক বাঙালিই প্রশংসা করেন। কিন্তু ম্যান্ডারিন ভিডিও প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় গোয়েন্দাগিরি।
কারও মন্তব্য-উচ্চারণ এত ভালো কেন? কারও সন্দেহ- এআই দিয়ে কি ভাষাটা একটু “পালিশ” করে দেওয়া হয়েছে?
অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে মামদানির প্রেস সেক্রেটারিকেই প্রকাশ্যে বলতে হয়-না ভাই, এটা এআই নয়!
মজার ব্যাপার হলো, মামদানি নিজেই ম্যান্ডারিন ভাষার ভিডিওতে জানিয়েছেন যে তিনি আসলে ম্যান্ডারিন বলতে পারেন না। স্কুলে পড়ার সময় ভাষাটি শিখেছিলেন, কিন্তু বহু বছর ধরে ব্যবহার করেননি। তারপরও ৪১ সেকেন্ডের বক্তব্যে তাঁর উচ্চারণ শুনে নেটিজেনদের একাংশের বিশ্বাসই হচ্ছিল না।
একজন ম্যান্ডারিন ভাষাভাষীর মূল্যায়ন ছিল অনেকটা এমন—ভাষাটা সম্ভবত খুব একটা জানেন না, তবে বক্তৃতাটা যে বেশ ভালোভাবে মুখস্থ করেছেন, সেটা বোঝা যাচ্ছে।
আর বাংলা?
বাংলাভাষীদের বড় একটি অংশের রায়—**মামদানির বাংলা মোটেও খারাপ নয়।
অর্থাৎ নিউইয়র্কের রাজনীতিতে এখন নতুন এক ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে:
আগে রাজনীতিবিদ ভুল বললে মানুষ সমালোচনা করত, এখন **বেশি ভালো বললেও সন্দেহ করছে—“অও নাকি?”
তবে মামদানির জন্য বিষয়টি একেবারে নতুন নয়। গত বছর তাঁর স্প্যানিশ ভাষার ভিডিও নিয়েও একই অভিযোগ উঠেছিল। তখন তাঁর পক্ষ থেকে অও ব্যবহারের অভিযোগ খণ্ডন করতে প্রকাশ করা হয়েছিল একের পর এক ভুল উচ্চারণ ও ব্যর্থ টেকের ‘ব্লুপার রিল’।
সব মিলিয়ে মামদানির ভাষাজ্ঞান নিয়ে রহস্যের সমাধান আপাতত এমন-
**বাংলা: মানুষ পাস করেছে।
ম্যান্ডারিন: মানুষ পাস করেছে।
অও পরীক্ষা: মেয়রের অফিস বলছে—নেগেটিভ।
আর নিউইয়র্কবাসীর সন্দেহ? সেটি এখনও পজিটিভ!